Category: BCS Exam Notices

  • সমাস কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? বিস্তারিত আলোচনা

    সমাস কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? বিস্তারিত আলোচনা

    বাংলা ব্যাকরণের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক সমাস। চাকরির পরীক্ষা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তী, স্কুল কলেজ সহ শিক্ষা জীবনের প্রায় সকল পর্যায়েই বাংলা ব্যাকরণের সমাস টপিক টির গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু এই সমস নিয়ে শিখার্থীদের মধ্যে নানা ভীতি দেখা যায়। আজকের এই আর্টিক্যাল টি পড়ার পর আশাকরি সমাস নিয়ে আপনার আর কোন সমস্যা থাকবে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক সমাস কি, সমাস কত প্রকার ও কি কি, এছাড়াও সমাস নিয়ে বিস্তারিত সকল তথ্য। এছাড়াও জানতে পারবেন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষাগুলোতে সমাস নিয়ে আসা বিভ্রান্তকর সকল প্রশ্ন এবং সেগুলোর সঠিক উত্তর এবং রেফারেন্স সহ ব্যাখ্যা।

    সমাস কাকে বলে?

    বাক্যের মধ্যে পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক পদের এক শব্দে পরিণত হওয়ার নাম সমাস। এটি একটি সংযোজন প্রক্রিয়া। সমাসের প্রধান কাজ হচ্ছে সংক্ষিপ্তকরন। নতুন শব্দ গঠনের জন্য সমাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন: দেশের সেবা = দেশসেবা, নেই পরোয়া যার = বেপরোয়া ইত্যাদি।

    সমাস শব্দের অর্থ:

    সমাস সংস্কৃত ভাষার একটি শব্দ। সমাস শব্দের অর্থ হচ্ছে মিলন, সংক্ষেপণ, একপদীকরণ। বাক্যে শব্দের অধিক ব্যাবহার কমানোর জন্য সমাস ব্যাবহৃত হয়।

    সমাসের বৈশিষ্ট্য:

    সমাসের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিম্নে বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরা হল –

    ১। পাশাপাশি দুই বা তার অধিক শব্দ থাকতে হবে।
    ২। এসব শব্দের মধ্যে অর্থসঙ্গতি থাকতে হবে।
    ৩। এসব শব্দের মধ্যে বৃহৎ শব্দ তৈরি করার যোগ্যতা থাকতে হবে।
    ৪। নতুন শব্দ গঠন করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
    ৫। একাধিক শব্দকে সংকোচন করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
    ৬। শব্দগুলোর বিভক্তি লোপ পেতে হবে।

    সমাসের প্রয়োজনীয়তা:

    বাংলা ব্যকরণের সমাসের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। নিম্নে সমাসের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হল:
    ১। শব্দকে সহজভাবে উচ্চারণে সহযোগিতা করে।
    ২ শব্দকে সংক্ষেপ করার মাধ্যমে সমাস ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
    ৩। বাক্যের মধ্যে অনাবশ্যক পদের ব্যবহার লোপ করে সমাসবদ্ধ পদের ব্যাবহারের মাধ্যমে বিষয়টিকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়।
    ৪। সমাস বাক্যের অর্থকে সহজ ও সাবলীল করে তোলে।
    ৫। নতুন শব্দ সৃষ্টির ক্ষেত্রে সমাসের ভূমিকা অনেক।
    ৬। ভাষায় অর্থদ্যোতনার সৃষ্টি করে বৈচিত্র্যময় দ্যোতনা এনে দেয়।

    সমাসের উপাদান:

    সমাসের উপাদান ৫টি। যথা:

    ১। সমস্তপদ / সমাসবদ্ধপদ / সমাসনিষ্পন্ন পদ
    ২। ব্যাসবাক্য / বিগ্রহ বাক্য / সমাস বাক্য
    ৩। পূর্বপদ
    ৪। পরপদ / উত্তরপদ
    ৫। সমস্যমান পদ

    সমাসের এই ৫টি উপাদানকে একত্রে প্রতীতি বলা হয়।

    সমস্ত পদ: সমাসবন্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদ কে সমস্ত পদ বলে।
    সমস্যমান পদ: যে পদগুলোর মিলনে সমাস গঠিত হয় সেই প্রত্যেকটি সমাসবদ্ধ পদকে সমস্যামান পদ বলে।
    পূর্বপদ ও পরপদ: সমস্যমান পদের মধ্যে অবস্থিত প্রথম পদটিকে পূর্বপদ, এবং পরবর্তী পদকে পরপদ বা উত্তরপদ বলে। পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে অতরিক্ত কোন পদ থাকলে তাকে মধ্যপদ বলে।
    ব্যাসবাক্য / বিগ্রহ বাক্য / সমাস বাক্য: সমস্ত পদকে ভেঙ্গে যে বাক্যাংশ করা হয়, তাকে সমাসবাক্য বা ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য বলে।

    সমাস কত প্রকার ও কি কি

    সমাস মূলত ৬ প্রকার। যথা – 

    ১। দ্বন্দ্ব সমাস

    ২। কর্মধারয় সমাস

    ৩। তৎপুরুষ সমাস

    ৪। বহুব্রীহি সমাস

    ৫। দ্বিগু সমাস

    ৬। অব্যয়ীভাব সমাস

    সমাসের প্রকারভেদ

    ১। দ্বন্দ্ব সমাস:

    দ্বন্দ্ব শব্দের অর্থ সংঘাত বা বিবাদ হলেও সমাসের ক্ষেত্রে ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি মিলন, জোড়া ও যুগল অর্থে ব্যবহৃত হয়। দা সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: মা-বাবা = মা বা, দাদ

    সাদা ও কালো, কালি-কলম কালি ও কলম, রাজ বাদশা = রাজা ও বাদশা।

    দ্বন্দ্ব সমাস চেনার উপায়:

    • পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধান।
    • পূর্বপদ ও পরপদে একই পদ বসে।
    • পূর্বপদ ও পরপদের মাঝে হাইফেন (-) বসে।
    • পূর্বপদে অপেক্ষাকৃত সম্মানিত ব্যক্তি বসে।
    • পূর্বপদে স্ত্রীবাচক ও পরপদে পুরুষবাচক শব্দ বসে।
    • ব্যাসবাক্যে সাধারণত ‘ও’ বসে।

    গঠনপ্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে দ্বন্দ্ব সমাসকে ৮ ভাগে ভাগ করা যায়:

    ১। সাধারণ দ্বন্দ্ব: সাধারণত একাধিক পদ একসাথে অবস্থান করলে তাকে সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: কালিকলম = কালি ও কলম, লতাপাতা = লতা ও পাতা, সৈন্যসামন্ত = সৈন্য ও সামন্ত, রক্ত-মাংস = রক্ত ও মাংস ইত্যাদি।

    ২। মিলনার্থক দ্বন্দ্ব: একাধিক পদের মিলন বোঝাতে যে দ্বন্দ্ব সমাস হয় থাকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: চা-বিস্কুট = চা ও বিস্কুট, জিনপরি = জিন ও পরি, মা-বাপ = মা ও বাপ ইত্যাদি।

    ৩। সম্বন্ধবাচক দ্বন্দ্ব: যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমন্ধ বোঝায় তাকে সম্বন্ধবাচক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: দম্পতি = জায়া ও পতি, মাসি-পিসি = মাসি ও পিসি, কাকা-কাকি = কাকা ও কাকি ইত্যাদি।

    ৪। সমার্থক দ্বন্দ্ব: পূর্বপদ ও পরপদে সমার্থক শব্দ মিলিত হয়ে যে দ্বন্দ্ব সমাস হয় তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: হাট-বাজার = হাট ও বাজার, জনমানব জন ও মানব, সুখশান্তি সুখ ও শান্তি ইত্যাদি।

    ৫. বিরোধার্থক বা বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব: পূর্বপদ ও পরপদের বিপরীত শব্দ মিলিত হয়ে যে দ্বন্দ্ব সমাস হয় তাকে বিরোধার্থক বা বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: হিতাহিত হিত ও অহিত, অহিনকুল = অহি ও নকুল, মরাবাঁচা = মরা ও বাঁচা, ছোটোবড়ো = ছোটো ও বড়ো, ভালো-মন্দ = ভালো ও মন্দ, দাকুমড়া = দা ও কুমড়া, সুখদুঃখ = সুখ ও দুঃখ, ভরণপোষণ = ভরণ ও পোষণ ইত্যাদি।

    ৬. একশেষ দ্বন্দ্ব: যে দ্বন্দ্ব সমাসে প্রধান পদটি অবশিষ্ট থেকে অন্য পদের লোপ হয় এবং শেষ পদ অনুসারে শব্দের রূপ নির্ধারিত হয় তাকে একশেষ দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: আমরা = সে, তুমি ও আমি: আমাদের = তার, তোমার ও আমার; তোরা = সে ও তুই ইত্যাদি।

    ৭. বহুপদী দ্বন্দ্ব: বছ পদ মিলে যে স্বন্দ্ব সমাস হয় তাকে বহুপদী দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন। তেল-নুন-লাকড়ি = তেল, নুন ও লাকড়ি। নাক-কান-গলা = নাক, কান ও গলা। স্বর্গ-মর্ত্য-পাতাল = স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল ইত্যাদি।

    ৮. অলুক দ্বন্দ্ব: যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদগুলোর বিভক্তি সমস্ত পদেও যুক্ত থাকে বা বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন। দুধে-ভাতে = দুধে ও ভাতে, হাতে-কলমে = হাতে ও কলমে, ধীরেসুস্থে = ধীরে ও সুস্থে ইত্যাদি।

    ২। দ্বিগু / দ্বিগু কর্মধারয় সমাস

    যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বলে এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে দ্বিগু/ দ্বিগু কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: দ্বিগু = গো-র সমাহার।

    দ্বিগু / দ্বিগু কর্মধারয় সমাস চেনার উপায়:

    • পরপদের অর্থ প্রধান
    • পূর্বপদে সংখ্যা থাকবে
    • পরপদ বিশেষ্য হবে
    • সমস্তপদ বিশেষ্য হবে
    • ব্যাসবাক্যে ‘সমাহার’ শব্দটি বসবে
    • দ্বিগু সমাসের বিপরীত সমাস অব্যয়ীভাব

    ✓ বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রমিত ব্যাকরণে দ্বিগু সমাসকে কর্মধারয় সমাসের মধ্যে রাখা হয়েছে। যে কারণে এটির নতুন নাম হয়েছে ‘দ্বিগু কর্মধারয়’।

    ৩। কর্মধারয় সমাস:

    বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের যে সমাস হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: কাঁচকলা = কাঁচা যে কলা

    কর্মধারয় সমাস চেনার উপায়:

    • কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান।
    • বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ দ্বারা কর্মধারয় সমাস হয়।
    • সমস্তপদ দ্বারা সাধারণত কোনো গুণ বোঝায়।
    • ব্যাসবাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, ন্যায়, মতো, রূপ বসে।
    • কর্মধারয় সমাসের বিপরীত অব্যয়ীভাব।

    কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ:

    কর্মধারয় সমসকে সাধারণত ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

    ১। সাধারন কর্মধারয়

    ২। মধ্যপদলোপী কর্মধারয়

    ৩। উপমামূলক কর্মধারয়

    সাধারণ কর্মধারয়: মধ্যপদলোপী ও উপমামূলক কর্মধারয় সমাস ছাড়া অন্যান্য কর্মধারয় সমাসকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলা হয়।

    মধ্যপদলোপী কর্মধারয়: ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে কর্মধারয় সমাস হয় তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। উদাহরণ: সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন , সাহিত্যসভা = সাহিত্য বিষয়ক সভা, রান্নাঘর = রান্না করার ঘর ।

    উপমামূলক কর্মধারয় সমাস: যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে দোষ-গুণ বা বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য বা তুলনা করা হয় তাকে উপমামূলক কর্মধারয় সমাস বলে।

    ৪। তৎপুরুষ / কারকলোপী সমাস:

    পূর্বপদের বিভক্তি লোপে ও পরপদের অর্থ প্রধান হয়ে যে সমাস হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। মনে রাখা জরুরি যে ব্যাসবাক্যের পূর্বপদে অবশ্যই বিভক্তি থাকবে, যা সমস্তপদে লোপ পাবে এবং এই বিভক্তির নামানুসারে তৎপুরুষ সমাসের নাম হবে।

    তৎপুরুষ / কারকলোপী সমাস চেনার উপায়:

    • তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান।
    • পূর্বপদের বিভক্তি লোপে তৎপুরুষ সমাস হয়।
    • দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত বিভক্তির নাম অনুসারে হয়।

    তৎপুরুষ সমাসের প্রকারভেদ:

    তৎপুরুষ সমাস ৯ প্রকার। যথা –

    ১। দ্বিতীয়া তৎপুরুষ বা কর্মতৎপুরু

    ২। তৃতীয়া তৎপুরুষ

    ৩। চতুর্থী তৎপুরুষ

    ৪। পঞ্চমী তৎপুরুষ

    ৫। ষষ্ঠী তৎপুরুষ

    ৬। সপ্তমী তৎপুরুষ

    ৭। নঞ্ তৎপুরুষ

    ৮। উপপদ তৎপুরুষ

    ৯। অলুক তৎপুরুষ

    ১। দ্বিতীয়া তৎপুরুষ বা কর্মতৎপুরুষ: পূর্বপদে দ্বিতীয় বিভক্তি (কে) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ হয় তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন – শরনিক্ষেপ – শরকে নিক্ষেপ, রথ দেখা – রথকে দেখা, সাহায্যপ্রাপ্ত – সাহায্যকে প্রাপ্ত, বিপদাপন্ন – বিপদকে আপন্ন।

    ২। তৃতীয়া তৎপুরুষ বা করণৎপুরুষ: পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ হয় তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। শ্রমলব্ধ = শ্রম দ্বারা লব্ধ, ছায়াশীতল = ছায়া দ্বারা শীতল, মধুমাখা = মধু দ্বারা মাখা।

    ৩। চতুর্থী তৎপুরুষ বা সম্প্রদান তৎপুরুষ: পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন – রান্নাঘর = রান্নার জন্য ঘর, দেবভক্তি = দেবকে ভক্তি, বসতবাটী = বসতের নিমিত্তে বাটী ইত্যাদি।

    ৪। পঞ্চমী তৎপুরুষ বা অপাদান তৎপুরুষ: পুর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে, চেয়ে) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে। সাধারণত চ্যুত, জাত, আগত, ভীত, গৃহীত, বিরত, মুক্ত, উত্তীর্ণ, পালানো, ভ্রষ্ট ইত্যাদি বোঝালে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন – বিলাতফেরত – বিলাত হতে ফেরত, স্কুল পালানো – স্কুল থেকে পালানো,

    ৫। ষষ্ঠী তৎপুরুষ বা সম্বন্ধ তৎপুরুষ: পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তি (র, এর) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন – চা-বাগান = চায়ের বাগান, রাজহংস = হাসের রাজা।

    ৬। সপ্তমী তৎপুরুষ বা অধিকরণ তৎপুরুষ: পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস বলে।

    ৭। নঞ্ তৎপুরুষ: নঞ্ শব্দের অর্থ ‘না’। পূর্বপদে না বাচক অব্যয় (অ, অনা, বে, বি, না, নি, গর) বসে যে তৎপুরুষ হয় তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন – অবিশ্বাস = নয় বিশ্বাস, অনাদর = না আদর, অজানা = নাই জানা।

    ৮। উপপদ তৎপুরুষ: যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। যেমন – জলে চরে যা = জলাচর, জল দেয় যে = জলদ, পঙ্কে জম্নে যা = পঙ্গজ। এরুপ – সত্যবাদী, ছেলেধরা, পকেটমার, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা, ঘরপোড়া, বর্ণচোরা, পা-চাটা, ছা-পোষা ইত্যাদি।

    ৯। অলুক / অলোপ তৎপুরুষ: ব্যাসবাক্যের বিভক্তি পূর্বপদে লোপ না পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।

    ৫। বহুব্রীহি সমাস:

    যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন ব্যাক্তি, বস্তু, ধারনাকে বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: দশানন = দশ আনন (মস্তক) যার।

    বহুব্রীহি সমাস চেনার উপায়:

    • বহুব্রীহি সমাস দ্বন্দ্ব সমাসের বিপরীত
    • বহুব্রীহি সমাসে কোনো পদের অর্থই প্রধান হয় না
    • ব্যাসবাক্যে যার, যা বসে বহুব্রীহি সমাস হয়
    • বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার।

    বহুব্রীহি সমাসের প্রকারভেদ:

    ১। সমানাধিকরণ

    ২। ব্যাধিকরন

    ৩। ব্যাতিহার

    ৪। মধ্যপদলোপী

    ৫। নঞ্

    ৬। প্রত্যয়ান্ত

    ৭। সংখ্যাবাচক

    ৮। অলুক

    ১। সমানাধিকরণ বহুব্রীহি : পূর্বপদ বিশেষ্য ও পরপদ বিশেষণ কিংবা পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন – কানকাটা = কান কাটা যার, ঘরপোড়া = ঘর পোড়া যার।

    ২। ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ ও পরপদ বিশেষ্য হলে, অর্থাৎ পূর্বপদ ও পরপদের কোনোটাই বিশেষণ না হলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়। যেমন – আশীবিষ = আশীতে বিষ যার, বজ্রদেহ = বজ্রতে দেহ যার।

    ৩। ব্যতিহার বহুব্রীহি: ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়। এ সমাসে পূর্বপদে ‘আ’ এবং পরপদে ‘ই’ যত হয়। এ সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ বিশেষ্য হয়। যেমন – হাতাহাতি = হাতে হাতে যে যুদ্ধ, কানাকানি = কানে কানে যে কথা।

    ৪। মধ্যপদলোপী বা পদলোপী বহুব্রীহি / উপমাত্মক বহুব্রীহি:

    বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যাবহৃত ব্যাক্যাংশের কোন অংশ যদি সমস্তপদে লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে। যেমন – সোনামুখী = সোনার মতো উজ্জ্বল মুখ যার, মৃগনয়না = মৃগের ন্যায় নয়ন যার।

    ৫। নঞ্ বহুব্রীহি: না-বোধক অব্যয় পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের বহুব্রীহি সমাস হলে তাকে নঞ্ বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন – অজ্ঞান = নেই জ্ঞাণ যার, নর্ভুল = নেই ভুল যার।

    ৬। প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি: যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন – একচোখা = এক দিকে চোখ যার, একরোখা – এই দিকে রোখ যার।

    ৭। সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি: পূর্বপদ সংখ্যাবাচক, পরপদ বিশেষ্য এবং সমস্তপদ বিশেষণ বোঝালে তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি বলে। যেমন – দশভুজ = দশভুজ যার, সপ্তবর্ণা = সপ্ত বর্ণ যার।

    ৮। অলুক বহুব্রীহি: যে বহুব্রীহি সমাসে ব্যাসবাক্যের বিভক্তি পূর্বপদে লোপ পায় না তাকে অলুক বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন – মাথায়পাগড়ি = মাথায় পাগড়ি যার, গলায়গামছা = গলায় গামাছা যার।

    ৬। অব্যয়ীভাব সমাস:

    পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন- উপকূল = কূলের সমীপে, প্রতিদিন = দিন দিন।

    অব্যয়ীভাব সমাস চেনার উপায়:

    • অব্যয়ীভাব’ অর্থ অব্যয়ের ভাব বর্তমান।
    • অব্যয়ীভাব সমাস দ্বিগু, কর্মধারয় ও তৎপুরুষের বিপরীত।
    • অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে উপসর্গ ও পরপদে বিশেষ্য থাকে।
    • উপসর্গযোগে গঠিত প্রায় সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস।

    সমাস ও এক কথায় প্রকাশের মধ্যে পার্থক্য

    আমরা জেনেছি দুই বা ততোধিক পদের একপদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলে, কিন্তু এই কথা সবসময় ঠিক নয়। দুই বা ততোধিক পদ একপদে পরিণত হয়ে সমাস না হয়ে এক কথায় প্রকাশও হতে পারে। তাই কখন দুই পদের মিলনকে সমাস বলবো আর কখন এক কথায় প্রকাশ বলবো চলুন জেনে নেই।

    সমাসএক কথায় প্রকাশ
    ১। ব্যাসবাক্যের প্রধান পদদুটি সমস্তপদে দৃশ্যমান থাকে।১। ব্যাকের সকল পদ সংকুচিত পদে দৃশ্যমান থাকে না।
    ২। মহান যে পুরুষ = মহাপুরুষ। এখানে ব্যাসবাক্যটির প্রধান পদ দুটি হচ্ছে মহান ও পুরুষ। সমস্তপদে প্রধান পদ দুটি দৃশ্যমান আছে। তাই এটি সমাস।২। যা জলে ও স্থলে চরে = উভচর। এখানে বিস্তৃত বাক্যের প্রধান পদ হচ্ছে জল, স্থল, চরা। কিন্তু সংক্ষেপিত বা সংকুচিত পদে দৃশ্যমান কেবল চরা। তাই এটি এক কথায় প্রকাশ।
    ৩। অলুক সমাস বাদে সকল সমাসই এককথায় প্রকাশের উদাহরণ।৩। এক কথায় প্রকাশ সমাসের উদাহরণ নয়।

    সমাস ও সন্ধির মধ্যে পার্থক্য

    সমাসের মতো বাংলা ব্যাকরণের সন্ধিও দুটি শব্দের মিলনে তৈরি হয়। তবুও সমাস ও সন্ধির মধ্যে রয়েছে অনেক পার্থক্য। তাই কখন দুই শব্দের মিলনকে সমাস বলবো আর কখন সন্ধি বলবো চলুন জেনে নেই।

    সন্ধিসমাস
    ১।সন্ধি ধ্বনিতত্বে আলোচিত হয়।১।সমাস শব্দতত্ত্বে আলোচিত হয়।
    ২।সন্ধিতে ধ্বনি বা বর্ণের মিলন ঘটে। ২।সমাসে পদের মিলন ঘটে।
    ৩।সন্ধি শব্দগঠনের কোন মৌলিক প্রক্রিয়া নয়।৩।সমাস শব্দ গঠনের মৌলিক প্রক্রিয়া।
    ৪।উচ্চারণের সুবিধা ও ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি সন্ধির উদ্দেশ্য৪।বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করা সমাসের উদ্দেশ্য।

    সমাস চেনার সহজ উপায়:

    সমাস সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা অর্জনের পরেও কোনটি কোন সমাস এটি সমাস চিনতে আমাদের অনেক সময় ভুল হয়ে থাকে। আপনার সমাস নিয়ে অর্জিত কোন ধারনাই কাজে আসবে না যতদিন না আপনি কোনটি কোন সমাস সেটি সঠিক ভাবে চিনতে পারবেন। আর চাকরীর পরীক্ষা সহ সকল পরীক্ষার প্রশ্নে সাধারণত সমাস নির্নয়ের প্রশ্নটিই আসতে দেখা যায়। আমরা এই অংশে খুব সহজে আপনাকে প্রতিটি সমাস চেনানোর চেষ্টা করবো।

    ১। দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাস ব্যাকের মাঝে ও, এবং, আর এই তিনটি শব্দ থাকে।

    ২। কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাস ব্যাক্যে যে বা যিনি উল্লেখ থাকবে এবং সমস্তপদের দ্বারা তুলনা বোঝাবে।

    ৩। দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাস বাক্যে সংখ্যা জাতীয় শব্দ থাকবে এবং ‘সমাহার’ শব্দটি থাকবে।

    ৪। তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাস বাক্যে বিভক্তিসমূহ থাকবে।

    ৫। অব্যয়ীভাব সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদ হিসেবে অব্যয় থাকবে।

    ৬। বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যে ‘যার’ শব্দটি থাকবে এবং সমস্যমান পদগুলোর নিজস্ব অর্থবাদে ভিন্নধর্মী অর্থে সমস্তপদ তৈরি হবে।

    এছাড়াও সমাস চেনার রয়েছে আরও কিছু পদ্ধতি:

    অর্থ প্রাধান্যের ভিত্তিতে সমাস চেনার উপায়:

    ১। দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদের অর্থের প্রাধান্য আছে এবং পরপদের অর্থেরও প্রধান্য আছে।

    ২। কর্মধারয়, তৎপুরুষ ও দ্বিগু সমাসে পূর্বপদের প্রাধান্য নেই কিন্তু পরপদের প্রাধান্য আছে।

    ৩। অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের প্রাধান্য আছে কিন্তু পরপদের প্রাধান্য নেই।

    ৪। বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদের প্রাধান্য নাই এবং পরপদেরও প্রাধান্য নাই।

    ব্যাংলা ব্যাকরণের সমাস টপিকে ভালো করার উপায়:

    • প্রথমেই ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই থেকে সমাস অংশটি থেকে সমাস সম্পর্কে ধারনা নিতে পারেন।
    • সমাসের গঠন প্রক্রিয়া, চেনার উপায় সহ বিভিন্ন টেকনিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা অর্জনের জন্য Live MCQ বাংলাবিদ ব্যাকরণ বই টি অনুসরণ করতে পারেন।
    • সমাস নিয়ে বিগত সময়গুলোতে চাকরির পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো থেকে ধারনা অর্জন করুন।

    এছাড়াও বাংলা ব্যাকরণের বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নিতে Live MCQ App এর টপিকগুরু বাটনের বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ অংশের প্রায় ৬০ হাজার প্রশ্ন তো রয়েছেই! প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর, রেফারেন্স সহ ব্যাখ্যা ও Question Analytics আপনাকে সহযোগিতা করবে একটি স্মার্ট প্রস্তুতি নিতে। শুধু তাই নয় Live MCQ অ্যাাপে নিয়মিত হাজারো পরীক্ষার্থীর সাথে লাইভ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজের প্রস্তুতি এবং অবস্থান যাচাই করুন।

    সমাস নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসা করা কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর:

    প্রশ্ন: বেতার কোন সমাস?

    উত্তর: বেতার শব্দটি নঞ্ বহুব্রীহি সমাস। বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ্ (না অর্থবোধক) অব্যয় যোগ করে যে বহুব্রীহি সমাস গঠিত হয় তাকে নঞ্ বহুব্রীহি সমাস বলে।

    প্রশ্ন: ইত্যাদি কোন সমাস?

    উত্তর: ইতি হতে আদি = ইত্যাদি একটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস। পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপ পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় থাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।

    প্রশ্ন: মহারাজ কোন সমাস?

    উত্তর: মহারাজ কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ।

    প্রশ্ন: বিলাত ফেরত কোন সমাস?

    উত্তর: বিলাত ফেরত ততপুরুষ সমাসের উদাহরণ।  বিলাত থেকে ফেরত = বিলাতফেরত পূর্বপদে পঞ্চমি বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।

    প্রশ্ন: কলের গান কোন সমাস?

    উত্তর: কলের গান একটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।

    প্রশ্ন: গায়ে হলুদ কোন সমাস?

    উত্তর: গায়ে হলুদ অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের কোন পরিবর্তন হয় না তাকে অলুক বহুব্রীহি সমাস বলে।

    প্রশ্ন: সেতার কোন সমাস?

    উত্তর: সেতার সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে। সে (তিন) তার যে যন্ত্রের = সেতার।

    প্রশ্ন: তেপান্তর কোন সমাস?

    উত্তর: তেপান্তর দ্বিগু সমাসের উদাহরণ। তেপান্তর = তে (তিন) প্রান্তরের সমাহার। যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাচার বুঝায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।

    প্রশ্ন: মুজিববর্ষ কোন সমাস?

    উত্তর: মুজিববর্ষ = মুজিবের স্মরণে যে বর্ষ একটি  মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয় তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। 

    প্রশ্ন: চৌচালা কোন সমাস?

    উত্তর: চৌচালা বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ। যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

    প্রশ্ন: করপল্লব কোন সমাস?

    উত্তর: করপল্লব উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।

    প্রশ্ন: শশব্যস্ত কোন সমাস?

    উত্তর: শশব্যস্ত উপমান কর্মধারয় সমাসজাত শব্দ। এর ব্যাসবাক্য শশের ন্যায় ব্যস্ত।

    প্রশ্ন: মৌমাছি কোন সমাস?

    উত্তর: মৌমাছি একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। মৌ-সংগ্রহ করে যে মাছি = মৌমাছি।

  • ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি

    ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি

    প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আগামী ৯ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়। এবং পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার পরবর্তীতে জানানো হবে।

    সর্বশেষ প্রাপ্ত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে।

    ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি দেখুন

  • ৪৬তম বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফল ২০২৬ | ১,৪৫৭ জন সুপারিশপ্রাপ্ত | ক্যাডারভিত্তিক তালিকা

    ৪৬তম বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফল ২০২৬ | ১,৪৫৭ জন সুপারিশপ্রাপ্ত | ক্যাডারভিত্তিক তালিকা

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন জেনারেল ক্যাডারে মোট ১,৪৫৭ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এই ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হলো হাজারো বিসিএস প্রত্যাশীর। চূড়ান্ত ফলাফলে কোন ক্যাডারে কতজন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন—তা নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

    এই ব্লগ পোস্টে থাকছে—
    ✔️ ক্যাডারভিত্তিক সুপারিশ সংখ্যা
    ✔️ কেন ১,৬৮৩টি পদে নিয়োগ হয়নি
    ✔️ ফলাফল দেখার অফিসিয়াল লিংক
    ✔️ ভবিষ্যৎ বিসিএস প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

    ৪৬তম বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফল সংক্ষেপ

    • মোট সুপারিশপ্রাপ্ত: ১,৪৫৭ জন
    • ক্যাডার: জেনারেল ক্যাডার
    • প্রকাশকারী সংস্থা: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC)

    জেনারেল ক্যাডারভিত্তিক সুপারিশপ্রাপ্ত সংখ্যা

    প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট ক্যাডার

    • প্রশাসন: ২৭২
    • পুলিশ: ৭৯
    • আনসার: ১৪

    অর্থনীতি ও রাজস্ব সংশ্লিষ্ট ক্যাডার

    • কর: ৩৭
    • শুল্ক ও আবগারি: ৬
    • নিরীক্ষা ও হিসাব: ৪

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডার

    • পররাষ্ট্র: ১০
    • তথ্য: ৩৩
    • ডাক: ৪
    • পরিবার পরিকল্পনা: ১৪
    • খাদ্য: ২
    • সমবায়: ৭
    • রেলওয়ে: ২

    ৪৬তম বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফল ২০২৬ দেখুন

    ⚠️ ১,৬৮৩টি পদে প্রার্থী সুপারিশ সম্ভব হয়নি কেন?

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে—

    🎯 কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারসমূহে চাহিদা অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় মোট ১,৬৮৩টি পদে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এর অর্থ হলো, নির্ধারিত যোগ্যতা ও মানদণ্ড পূরণকারী প্রার্থী না থাকায় এসব পদ শূন্য রয়ে গেছে। এটি বিসিএস পরীক্ষায় যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতার মান কতটা গুরুত্বপূর্ণ—তারই একটি বাস্তব উদাহরণ।

    📌 বিসিএস প্রত্যাশীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    ৪৬তম বিসিএসের ফলাফল নতুনদের জন্য একটি বড় শিক্ষা—

    • ✔️ শুধু পাশ করলেই যথেষ্ট নয়, ক্যাডারভিত্তিক যোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
    • ✔️ কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে আলাদা প্রস্তুতি দরকার
    • ✔️ প্রিলিমিনারি থেকে ভাইভা—সব ধাপেই ধারাবাহিক প্রস্তুতির বিকল্প নেই

    যারা ভবিষ্যতের বিসিএস (৫০তম, ৫১তম) লক্ষ্য করছেন, তাদের জন্য এখনই পরিকল্পিত প্রস্তুতি শুরু করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত।

    ৪৬তম বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফল দেখার উপায়

    • BPSC Official Website: bpsc.gov.bd
    • Teletalk Portal: bpsc.teletalk.com.bd

    🚀 বিসিএস প্রস্তুতি হোক আরও স্মার্ট

    দেশের হাজারো বিসিএস প্রত্যাশী এখন নিয়মিত প্রস্তুতি নিচ্ছেন Live MCQ প্ল্যাটফর্মে—

    • ✔️ প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রস্তুতির লাইভ পরীক্ষা
    • ✔️ বিগত বিসিএসের প্রশ্ন ও ব্যাখ্যাসহ সমাধান
    • ✔️ OMR প্যাটার্নে রিয়েল এক্সাম এক্সপেরিয়েন্স

    👉 ঘরে বসেই প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তুতির জন্য যুক্ত থাকুন Live MCQ অ্যাপের সাথে

    ❓ FAQ

    FAQ 1: ৪৬তম বিসিএসে মোট কতজন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন?
    Answer: ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট ১,৪৫৭ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন জেনারেল ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

    FAQ 2: কোন ক্যাডারে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন?
    Answer: প্রশাসন ক্যাডারে সর্বাধিক ২৭২ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

    FAQ 3: ৪৬তম বিসিএসে কেন অনেক পদে নিয়োগ হয়নি?
    Answer: কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে প্রয়োজনীয় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ১,৬৮৩টি পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

    FAQ 4: ৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল কোথায় পাওয়া যাবে?
    Answer: ফলাফল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট bpsc.gov.bd এবং bpsc.teletalk.com.bd-এ পাওয়া যাবে।

    FAQ 5: এই ফলাফল ভবিষ্যৎ বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য কী বার্তা দেয়?
    Answer: এই ফলাফল দেখায় যে ক্যাডারভিত্তিক যোগ্যতা ও মানসম্পন্ন প্রস্তুতি ছাড়া চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া কঠিন।

    ✍️ শুভকামনায়

    Live MCQ টিম
    দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য চাকরি প্রস্তুতি প্ল্যাটফর্ম

  • ৪৪তম বিসিএস গেজেট প্রকাশ | নিয়োগ পেলেন ১,৪৯০ জন

    ৪৪তম বিসিএস গেজেট প্রকাশ | নিয়োগ পেলেন ১,৪৯০ জন

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) কর্তৃক ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সদ্য প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, ৪৪তম বিসিএসে মোট ১,৪৯০ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এটি ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার সর্বশেষ ও চূড়ান্ত ধাপ, যার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তদের সরকারি চাকরিতে যোগদানের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হলো।

    এই গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে ৪৪তম বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য। একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ বিসিএস প্রার্থীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।

    📌 ৪৪তম বিসিএস গেজেট: সংক্ষিপ্ত তথ্য

    • বিসিএস: ৪৪তম
    • গেজেট প্রকাশকারী কর্তৃপক্ষ: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC)
    • মোট নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থী: ১,৪৯০ জন
    • গেজেটের ধরন: চূড়ান্ত নিয়োগ গেজেট

    👑 ৪৪তম বিসিএসে কতজন নিয়োগ পেয়েছেন

    PSC প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, ৪৪তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে মোট ১,৪৯০ জন প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও পেশাগত দায়িত্বে যোগদান করবেন।

    ৪৪তম বিসিএস গেজেট এর PDF

    📄 ৪৪তম বিসিএস গেজেট কেন গুরুত্বপূর্ণ

    ৪৪তম বিসিএস গেজেট শুধু নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্যই নয়, বরং বিসিএস প্রস্তুতিতে যুক্ত সকল প্রার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    গেজেটের গুরুত্ব:

    • চূড়ান্তভাবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের স্বীকৃতি
    • বিসিএস নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমাপ্তি
    • ক্যাডারভিত্তিক নিয়োগ পরিস্থিতি বিশ্লেষণের সুযোগ
    • ভবিষ্যৎ বিসিএস প্রার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা

    🎯 ভবিষ্যৎ বিসিএস প্রার্থীদের জন্য বার্তা

    ৪৪তম বিসিএসের এই চূড়ান্ত গেজেট প্রমাণ করে যে নিয়মিত অধ্যয়ন, সঠিক গাইডলাইন ও ধারাবাহিক প্রস্তুতির মাধ্যমেই বিসিএসে সফল হওয়া সম্ভব। যারা আগামী ৫০তম, ৫১তম বা পরবর্তী বিসিএসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এটি একটি বাস্তব উদাহরণ।

    🚀 Live MCQ-তে বিসিএস প্রস্তুতি

    বিসিএস প্রিলিমিনারি থেকে লিখিত প্রস্তুতির জন্য Live MCQ এবং LIve Written অ্যাপ নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, অথেনটিক প্রশ্নব্যাংক, ব্যাখ্যাসহ সমাধান এবং স্মার্ট স্টাডি ফিচারের মাধ্যমে প্রার্থীদের পাশে রয়েছে।

    ❓ FAQ

    Q1. ৪৪তম বিসিএসের গেজেট কি প্রকাশিত হয়েছে?
    হ্যাঁ, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) কর্তৃক ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

    Q2. ৪৪তম বিসিএসে মোট কতজন নিয়োগ পেয়েছেন?
    ৪৪তম বিসিএসে মোট ১,৪৯০ জন প্রার্থী নিয়োগ পেয়েছেন

    Q3. গেজেট প্রকাশ মানে কী?
    গেজেট প্রকাশ মানে হলো বিসিএস পরীক্ষার সকল ধাপ সম্পন্ন করে প্রার্থীদের চূড়ান্তভাবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

    Q4. ৪৪তম বিসিএস গেজেট ভবিষ্যৎ প্রার্থীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
    এটি বিসিএসের বাস্তব নিয়োগ চিত্র, প্রতিযোগিতা ও ক্যাডার বণ্টন সম্পর্কে ধারণা দেয়।

  • ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আসনবিন্যাস ও নির্দেশনা

    ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আসনবিন্যাস ও নির্দেশনা

    প্রিয় চাকরিপ্রত্যাশীগণ, ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আসনবিন্যাস ও নির্দেশনা প্রকাশ করেছে পিএসসি। আপনারা ইতোমধ্যে অবগত আছেন যে, আগামী ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখ (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেক্ষেত্রে আজ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উক্ত পরীক্ষার সময়সূচি (50th BCS Seat Plan), আসনবিন্যাস ও অন্যান্য নির্দেশনা জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির অন্যান্য তথ্যাবলির পাশাপাশি জানানো হয় যে পরীক্ষার দিন সকাল ৯:৩০ টার পর কোন প্রার্থী আর হলে প্রবেশ করতে পারবেন না। ৫০তম বিসিএস প্রিলি পরীক্ষার কেন্দ্রে এডমিট কার্ডের পাশাপাশি NID কার্ডও সাথে নিতে হবে।

    ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আসনবিন্যাস ও নির্দেশনা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির PDF দেখুন

    [dflip id=”52096″][/dflip]

  • ৫০তম বিসিএসের প্রবেশপত্র ডাউনলোড: 50th BCS Admit Card Download

    ৫০তম বিসিএসের প্রবেশপত্র ডাউনলোড: 50th BCS Admit Card Download

    প্রিয় চাকরিপ্রত্যাশীবৃন্দ, আপনাদের অবগতির জন্য বলা হচ্ছে যে, ৫০তম বিসিএসের প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে। আপনারা ইতোমধ্যে অবগত আছেন যে, আগামী ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেক্ষেত্রে আজ থেকে পিএসসি নির্দেশিত অফিসিয়াল সাইট থেকে আবেদনকারী প্রার্থীগণ ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবশ্যিক প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
    ৫০তম বিসিএসের এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে BPSC Teletalk পোর্টালের “Download Admit Card” পেজে User ID + Password দিয়ে লগইন করতে হবে।

    প্রবেশপত্র ডাউনলোডের লিংক:

    ১) এডমিট কার্ড কখন/কোথায় পাওয়া যায়

    • এডমিট কার্ড রিলিজ হলে BPSC/Teletalk পোর্টালে “Admit Card” অপশন সক্রিয় হয় এবং প্রার্থীকে সাধারণত User ID/Password দিয়ে লগইন করে ডাউনলোড করতে হয়।
    • আপনার দেওয়া লিংক (Teletalk admit card page) থেকেই সাধারণত ৫০তম বিসিএসের এডমিট কার্ড ডাউনলোড করা হয়—তবে সার্ভার ব্যস্ত থাকলে পেজ লোড ধীর/এরর দেখাতে পারে (নিচে সমাধান আছে)। 

    ২) ডাউনলোড করার আগে যা লাগবে

    • User ID (আবেদনের সময় পাওয়া)
    • Password (Teletalk অ্যাকাউন্ট/আবেদনের সময় সেট করা)
    • নির্বিঘ্ন ইন্টারনেট সংযোগ + মোবাইল/পিসি ব্রাউজার
    • প্রিন্ট করার ব্যবস্থা (PDF ডাউনলোডের পর প্রিন্ট করতে হবে)
    • কমপক্ষে ১ কপি প্রিন্ট করুন
    • ফোনে/ইমেইলে PDF ব্যাকআপ রাখুন
    • ভুল থাকলে দ্রুত সাপোর্টে যোগাযোগ করুন

    Teletalk/BPSC হেল্পলাইনের তথ্য অফিসিয়াল Teletalk পেজে দেওয়া থাকে—যেমন ৫০তম বিসিএস অ্যাপ্লিকেশন পেজে হেল্পলাইন নম্বর দেখানো আছে। কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে বা কোনো সমস্য হলে Live MCQ-এর কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করুন। 

    ৩) কমন সমস্যা ৭টা + দ্রুত সমাধান

    যে নম্বর দিয়ে আবেদন করেছিলেন—সেই নম্বর/ডিভাইস হাতে রাখুন (রিকভারি/ভেরিফিকেশনে দরকার হতে পারে)

    সাইট খুলছে না / 502 / লোডিং হয় না

    ৫–১০ মিনিট পর আবার চেষ্টা করুন, অফ-পিক সময় (রাত/ভোর) ট্রাই করুন

    ব্রাউজার ক্যাশ ক্লিয়ার করে আবার খুলুন

    User ID ভুল দেখাচ্ছে

    User ID কপি-পেস্ট না করে টাইপ করে দেখুন (স্পেস/ভুল ক্যারেক্টার এড়ান)

    “Recover User ID” অপশন ব্যবহার করুন (Teletalk পোর্টালে Recover User ID মেনু থাকে)। 

    Password ভুল

    “Recover Password” ব্যবহার করুন। 

    PDF ডাউনলোড হচ্ছে না

    অন্য ব্রাউজার (Chrome/Edge) দিয়ে চেষ্টা করুন

    মোবাইলে হলে “Download” পারমিশন দিন

    প্রিন্ট ঠিকমতো হচ্ছে না

    PDF “Actual size/100%” রেখে প্রিন্ট দিন

    কালার/ব্ল্যাক-এন্ড-হোয়াইট—যেটা পরিষ্কার থাকে

    Admit Card-এ তথ্য মিলছে না

    ভুল থাকলে দ্রুত অফিসিয়াল সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। 

    মোবাইল নম্বর/সিম সমস্যা

    যে নম্বর দিয়ে আবেদন করেছিলেন—সেই নম্বর/ডিভাইস হাতে রাখুন (রিকভারি/ভেরিফিকেশনে দরকার হতে পারে)

  • ৪৮তম স্পেশাল বিসিএসে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ | 48th BCS Gazette

    ৪৮তম স্পেশাল বিসিএসে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ | 48th BCS Gazette

    প্রিয় চাকরির প্রার্থীগণ আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে ৪৮তম স্পেশাল বিসিএসে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে (48th BCS Gazette)। আজ ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    ৪৮তম স্পেশাল বিসিএসে নিয়োগ সংক্রান্ত গেজেটের বিস্তারিত দেখুন

    ৪৮তম স্পেশাল বিসিএসের গেজেটের প্রজ্ঞাপনের পিডিএফ দেখুন – 48th BCS Gazette

    উল্লেখ্য যে গত ১৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে ৪৮তম স্পেশাল বিসিএস লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত (MCQ Type) পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী প্রার্থীদের মধ্য থেকে সাময়িকভাবে সহকারী সার্জন পদে ৪,৬৯৫ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৫১১ জনসহ মোট ৫২০৬ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে ৬ আগস্ট, ২০২৫ থেকে একই বছরের ভাইভা শেষ হয়। ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা ২০২৫ এ মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের সহকারী সার্জন পদে ২৬১৮ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ২৭৪ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।