Author: Live MCQ™

  • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন | সিলেবাস, প্রস্তুতি কৌশল ও ভাইভা টিপস

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন | সিলেবাস, প্রস্তুতি কৌশল ও ভাইভা টিপস

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০২৬ সালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জানা গেছে, মার্চের শেষে বা এপ্রিলের শুরুতেই এই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ (NTRCA) । পরীক্ষাটি মূলত এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে হবে। এছাড়া, এবার চূড়ান্ত ফলাফলে ভাইভা নম্বর যোগ হওয়াসহ পরীক্ষা পদ্ধতিতে বেশ কিছু সংস্কারও এসেছে।

    যারা ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য প্রস্তুতির সার্বিক পরিকল্পনা, পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা এবং নিয়মিত অনুশীলনের উপায় নিয়েই আজকের এই ব্লগ।

    এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন—

    • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আবেদন যোগ্যতা
    • NTRCA syllabus (19th NTRCA Exam)
    • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন MCQ পরীক্ষার মানবন্টন
    • NTRCA viva preparation
    • বিষয়ভিত্তিক পড়ার কৌশল এবং 
    • শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি বিষয়ক বইয়ের তালিকা। 

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কী?

    দেশের বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য যে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হয় তা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নামে পরিচিত।

    বর্তমানে দেশে প্রায় ৩৩ হাজারেরও বেশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক করার লক্ষ্যে ২০০৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠন করা হয় Non-Government Teachers’ Registration and Certification Authority (NTRCA)। শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহীদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ধাপ [১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন]

    বেসরকারি শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হতে হলে সাধারণত ৩টি ধাপে (প্রিলি, লিখিত ও ভাইভা) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। তবে ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা থাকছে না। ২০০ নম্বরের MCQ-ভিত্তিক লিখিত ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমেই চূড়ান্ত ফলাফল নিরূপিত হবে।

    ১। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

    ১৯তম NTRCA পরীক্ষায় প্রথমে ২০০ নম্বরের একটি MCQ-ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এর মধ্যে ১০০ নম্বরে জেনারেল অংশ ও ১০০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক অংশ থাকবে। বিষয়ভিত্তিক অংশে প্রার্থীর অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে পঠিত বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নেওয়া হবে। MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হওয়া এই পরীক্ষায় পাশ করতে হলে অন্তত ৪০% নম্বর পেতে হবে।

    এই পরীক্ষায় ভালো করতে হলে NTRCA জব সল্যুশন থেকে বিগত বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন অনুশীলন এবং নিয়মিত পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট (NTRCA Exam & Model Test) দিতে হবে। পাশাপাশি, নিয়মিত শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    ২। মৌখিক পরীক্ষা

    লিখিত (MCQ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ডাকা হবে ভাইভা পর্যায়ে। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে NTRCA কর্তৃপক্ষ প্রার্থীদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রদান করবে।

    এই সনদের মাধ্যমে পরবর্তীতে প্রকাশিত NTRCA গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া যাবে।

    উল্লেখ্য, শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ আজীবন।

    শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পদ্ধতি

    বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ৩টি পর্যায়ে হয়ে থাকে।

    স্কুল পর্যায়

    বেসরকারি সহকারী শিক্ষক (বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান, কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, চারু ও কারুকলা, ধর্ম ও গ্রন্থাগার, তথ্য বিজ্ঞান), সহকারী শিক্ষক শরীরচর্চা ও সহকারী মৌলভী পদসমূহ এই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

    স্কুল পর্যায় ২

    এই পর্যায়ে ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, ইবতেদায়ী মৌলভী, ইবতেদায়ী শিক্ষক (সাধারণ), ইবতেদায়ী ক্কারী পদকে বোঝায়।

    কলেজ পর্যায়

    বেসরকারি কলেজসমূহের প্রভাষক, ইন্সট্রাক্টর (টেক) ও ইন্সট্রাক্টর (নন টেক) ও প্রদর্শক পদগুলি এই পর্যায়ের ভেতরে পড়ে।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    স্কুল পর্যায় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    • কমপক্ষে স্নাতক পাস (মাদ্রাসা প্রার্থীদের জন্য ফাজিল পাশ) হতে হবে। তবে স্নাতক পরীক্ষা যদি সদ্য শেষ হয়ে থাকে তাহলেও আপনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া প্রশংসাপত্র, মার্কশিট এবং প্রবেশপত্রের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
    • নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে যেকোন একটি মাত্র তৃতীয় বিভাগ বা এর সমমনা জিপিএর ফলাফল গ্রহণযোগ্য হবে। এর বেশি তৃতীয় বিভাগ থাকলে এই পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন না।
    • আবেদনের জন্য বয়স হতে হবে ২১-৩৫ বছরের মধ্যে।

    স্কুল পর্যায়-২ নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    • শুধু আলিম/এইচএসসি পাশ বা শুধু ডিগ্রি বা সমমানের প্রার্থীরা স্কুল পর্যায়-২ বা ইবতেদায়ী শিক্ষক/জুনিয়র শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
    • কারিগরি (Technical) শিক্ষা (ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল বা এ ধরণের সমমানের ডিগ্রি) এ ক্যাটেগরিতে পড়ে। 
    • প্রার্থীর বয়স ন্যুনতম ২১ ও সর্বোচ্চ ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। 

    কলেজ পর্যায় (প্রভাষক) নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    • স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর/সমমান ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদে দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতক/সমমান ডিগ্রী (মাদ্রাসা প্রার্থীদের জন্য ফাজিল/কামিল পাশ)।
    • প্রার্থীর বয়স ন্যুনতম ২১ ও সবোর্চ্চ ৩৫ বছর হতে হবে।

    নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে যেসব পরিবর্তন আসছে

    নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি তিন বিভাগের জন্যই ২০০ নম্বরের পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে। শুরুতে স্কুল-কলেজে এবং কারিগরিতে ১০০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ১০০ নম্বর জেনারেল এবং মাদ্রাসারা জন্য ১৪০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ৬০ নম্বর জেনারেল করা প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে বৈষম্য এড়াতে তিন বিভাগের জন্য নম্বর প্যাটার্ন একই রকম রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    জানা গেছে, এর আগে এনটিআরসিএর নিবন্ধন পরীক্ষায় কখনোই প্রার্থীদের ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হয়নি। এবারই প্রথম চূড়ান্ত ফলাফলে ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো ১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে বয়স গণনা করা হবে।

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা বিধিমালা ২০২৫ দেখুন। 

    শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন

    NTRCA preliminary exam preparation শুরু করার আগে পরীক্ষার মানবন্টন জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মোট ১০০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক বণ্টন নিচে দেখানো হলো—

    বিষয়নম্বর
    বাংলা২৫
    ইংরেজি২৫
    গণিত২৫
    সাধারণ জ্ঞান২৫
    মোট ১০০

    ✍️ প্রিলিমিনারি পরীক্ষাটি হয়ে থাকে MCQ পদ্ধতিতে। 

    👉 পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা এবং প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ১ নম্বর।

    ⚠️ ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। 

    📌 এই পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য উত্তর দাগানোর সময় নেগেটিভ মার্কিংয়ের বিষয়টি অবশ্যই স্মরণে রাখতে হবে। এ কারণেই প্রস্তুতির সময় নিয়মিত পরীক্ষা ও NTRCA model test রুটিন অনুসরণ করা জরুরি।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সিলেবাস

    যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মতো NTRCA syllabus সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে ভালো ফলাফল করা কঠিন। স্কুল পর্যায়, স্কুল পর্যায়-২ এবং কলেজ পর্যায়—এই তিন পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস প্রায় একই।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

    আসুন তাহলে একে একে দেখে নিই— কোন কোন বিষয়ের কী কী টপিক আছে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সিলেবাসে।

    বাংলা সিলেবাস | শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হলে বাংলা অংশে ভালো নম্বর পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত বাংলা অংশ থেকে ২৫ নম্বর প্রশ্ন আসে এবং প্রশ্নগুলো মূলত ভাষা, সাহিত্য ও ব্যাকরণভিত্তিক হয়।

    গুরুত্বপূর্ণ টপিক [১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন]

    • ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার
    • ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ
    • বাগধারা ও বাগবিধি
    • যথার্থ অনুবাদ, সন্ধি বিচ্ছেদ
    • কারক ও বিভক্তি
    • সমাস ও প্রত্যয়
    • সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ
    • বাক্য সংকোচন
    • লিঙ্গ পরিবর্তন
    • সন্ধি বিচ্ছেদ

    যারা NTRCA preliminary exam preparation নিচ্ছেন, তারা নিয়মিত শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান অনুশীলন এবং পরীক্ষাভিত্তিক প্রস্তুতি রুটিন অনুসরণ করলে এই অংশে ভালো স্কোর করতে পারবেন।

    🔗 এই লিংকে দেখুন“শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান”

    ইংরেজি সিলেবাস | NTRCA English Preparation Strategy 

    NTRCA syllabus অনুযায়ী ইংরেজি অংশ থেকেও মোট ২৫ নম্বর প্রশ্ন থাকে। অনেক পরীক্ষার্থী এই অংশে সমস্যায় পড়েন, তাই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ইংরেজি অংশে নিয়মিত অনুশীলন জরুরি।

    গুরুত্বপূর্ণ টপিক 

    • Sentences
    • Change of Parts of Speech
    • Transformation of sentences
    • Right forms of verb
    • Synonyms & Antonyms
    • Idioms & Phrases
    • Fill in the blanks with appropriate word
    • Translation from Bengali to English

    কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য উপরের টপিকসমূহের সাথে Identify appropriate title from story or article, Errors in composition, appropriate preposition এবং Uses of article টপিকসমূহও পড়তে হবে।

    নিয়মিত পরীক্ষা, মডেল টেস্ট ও জব সল্যুশন প্র্যাকটিস করলে ইংরেজি অংশে ভালো ফল করা সম্ভব।
    এছাড়া ইংরেজি গ্রামারে যাদের দুর্বলতা রয়েছে, তারা বিস্তারিতভাবে পড়াশোনা করার জন্য Live Publications-এর Live MCQ English Wizard Grammar বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।

    গণিত সিলেবাস | NTRCA Math Preparation

    গণিত অংশটি অনেক পরীক্ষার্থীর জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে থাকে। কিন্তু সঠিক কৌশলে প্রস্তুতি নিলে শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে এই অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব।

    গুরুত্বপূর্ণ টপিক

    • পাটিগণিত: গড়, একক নিয়ম, লসাগু., গসাগু, সুদ, লাভ-ক্ষতি, শতাংশ ও অনুপাত
    • বীজগণিত: বাস্তব সংখ্যা, জেনারেটর, সূত্র ও বর্গাকার এবং ঘনক, সূত্র ও সূচক, সূচক ও লগারিদমের প্রয়োগসমূহ সমাধান করার জন্য বীজগণিতীয় সূত্রসমূহের গঠন ও প্রয়োগ
    • জ্যামিতি: রেখা, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, কোণ, নিয়ম ও প্রয়োগ, ক্ষেত্রফল ও বৃত্তের সাধারণ ধারণা

    NTRCA গণিত অংশে দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত MCQ practice করা খুবই কার্যকর।

    সাধারণ জ্ঞান | NTRCA General Knowledge Preparation

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গেলে সাধারণ জ্ঞান অংশটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশে সাধারণত যেসব টপিক থেকে প্রশ্ন আসে তা হলো—

    বাংলাদেশ বিষয়াবলি

    ইতিহাস, ভূগোল ও জলবায়ু, শিক্ষা, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনীতি, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, বিখ্যাত স্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিভিন্ন সম্পদ (কৃষি, বন, শিল্প, পানি), জাতীয় দিবস ইত্যাদি।

    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, বিভিন্ন দেশের পরিচিতি, মুদ্রা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দুর্যোগ, আন্তর্জাতিক দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, খেলাধুলা ইত্যাদি

    সাম্প্রতিক ঘটনা

    এছাড়া দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন এবং জীববিদ্যা), স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি, তথ্য, সাধারণ রোগ, পরিবেশ বিজ্ঞান ভালোভাবে পড়তে হবে।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে শুরু করবেন

    যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল লাভ করবার একমাত্র পূর্ব শর্ত হচ্ছে হাতে সময় নিয়ে রুটিন মাফিক ভালোভাবে প্রস্তুতি নেয়া। স্বাভাবিকভাবেই MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হওয়া NTRCA-এর শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষাও এর ব্যতিক্রম নয়। 

    আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক— কীভাবে প্রস্তুতি শুরু করলে ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন তার কিছু কৌশল।

    • আপনি সত্যিই একজন শিক্ষক হয়ে দেশ ও জাতির সেবার মাধ্যমে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতে চান কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিন। কারণ, এই সেক্টরে প্রচুর আয়ের খুব একটা সুযোগ নেই। তবে অনেক অনেক সম্মান ও মানুষের ভালোবাসা পাবেন।
    • সিদ্ধান্ত নেয়া হলে আপনি যে একজন শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হবেনই এই বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন। কোন বাঁধাই আপনার এই প্রতিজ্ঞাকে টলাতে পারবে না— এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনা শুরু করুন।
    • যথাযথভাবে পড়াশোনা করবার জন্য একটা প্ল্যান করে ফেলা খুবই দরকার। কবে কোন বিষয়ের কোন টপিকটা পড়বেন, কতো সময় ধরে পড়বেন তার একটা স্টাডিপ্ল্যান ও পরীক্ষার রুটিন থাকলে পড়াশোনা করাটা বেশ অনেকটা সহজ হবে।
    • প্রশ্নপত্র বিষয়ে পরিস্কার ধারণা থাকা যেকোনো পরীক্ষাতে অংশ নেবার সব থেকে জরুরি পূর্ব শর্ত। তাই জব সল্যুশন বা বিগত পরীক্ষার প্রশ্নসমূহ সমাধান সবার আগে করুন। এতে করে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কোন কোন টপিক থেকে কী ধরনের প্রশ্ন আসে সে বিষয়ে আপনার স্বচ্ছ ধারণা গড়ে উঠবে এবং অনেক প্রশ্ন এই বই থেকেই কমন পাবেন।
    • যখন যেই বিষয়ের যেই টপিকট পড়বেন সেটা খুব মনোযোগ দিয়ে গভীরভাবে পড়ার চেষ্টা করবেন। ওই টপিক সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পড়ে ফেলার চেষ্টা করবেন। যেমন ধরুন, আপনি আন্তর্জাতিক কোন সংস্থা বিষয়ে পড়ছেন। এবার ওই সংস্থার যাবতীয় সব তথ্য যেমন পড়বেন ঠিক তেমনি ভাবে ওই সংস্থার কোন সহযোগী সংস্থা থেকে থাকলে সেটার সকল তথ্যও পড়বার চেষ্টা করবেন।
    • পড়ার সময় শব্দ করে পড়বেন, যেন আপনার নিজের পড়া আপনি নিজেই শুনতে পান। মনে রাখবেন, পড়াশোনাতে পড়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনিভাবে শোনার গুরুত্বও কিন্তু অসীম।
    • প্রতিদিন যা পড়ছেন তা যদি পড়ার পাশাপাশি লিখে শর্ট নোট তৈরি করুন। এটি দ্রুত রিভিশনে কাজে আসবে। 

    শিক্ষক নিবন্ধন বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি – NTRCA Preparation

    এবার তাহলে দেখে নিন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য কী করলে আপনার প্রস্তুতি যথাযথ হবে।

    বাংলা

    বিগত বছরের প্রশ্নসমূহ লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, বাংলা বিভাগে ব্যাকরণ থেকেই বেশি এবং সাহিত্য অংশ থেকে তুলনামূলকভাবে কম প্রশ্ন থাকে। তবে ভালো ফলাফল পেতে হলে দুটি অংশই মনোযোগ দিয়ে চর্চা করতে হবে। ব্যাকরণের সব টপিক গুরুত্ব সহকারে পড়তে হবে। অন্যদিকে, সাহিত্য অংশে ভালো প্রস্তুতি নিতে প্রাচীন ও মধ্যযুগ বিষয়ক জব সল্যুশন প্রশ্ন, আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম, সাহিত্যিকদের বিভিন্ন ছদ্মনাম, উপাধি এবং পত্রিকা ও সাময়িকী সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।

    বাংলা বিষয়ে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে Live MCQ অ্যাপে নিয়মিত পরীক্ষার পাশাপাশি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই ও একটি মানসম্মত ব্যাকরণ বই পড়লে ভালো ফল পাবেন।

    ইংরেজি 

    ইংরেজি বিষয়ে ভালো করতে হলে আপনাকে প্রতিদিনই সিলেবাসে থাকা টপিকসমূহ চর্চা করতে হবে। এর পাশাপাশি ভোকাবুলারি চর্চা বাড়াতে হবে। অর্থাৎ নিয়মিত নতুন নতুন ইংরেজি শব্দ, সেসব শব্দের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, শব্দের ব্যবহার শিখুন।

    কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আলাদাভাবে Identify appropriate title from story or article, Errors in composition, appropriate preposition এবং Uses of article ইত্যাদি টপিকও পড়তে হবে।

    এক্ষেত্রে ৫ম থেকে ১০ শ্রেণির বোর্ড বই থেকে প্রস্তুতি নিলে আপনার জন্য সুবিধা হবে।

    গণিত

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ভালো করতে হলে গণিত বিষয়ে নিয়মিত চর্চা করে গণিতের সমস্যা সমাধানের গতি এবং নিজের আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়িয়ে নেবেন। এক্ষেত্রে ইউটিউবের গণিত বিষয়ক ভালো কিছু চ্যানেলের ভিডিও দেখে কিছু কৌশল শিখতে পারলে বিশেষ উপকার পাবেন।

    অন্যান্য বিষয়ের মতোই গণিত বিষয়েও বিগত বছরসমূহের প্রশ্ন আগে সমাধান করবেন। শতকরা, সুদকষা, লসাগু, গসাগু, লাভ-ক্ষতি, ঐকিক নিয়ম, গড়, সূচক, অনুপাত-সমানুপাত, বাস্তব সংখ্যা, লগারিদম, উৎপাদকে বিশ্লেষণ, বর্গ ও ঘনের মান নির্ণয়, সমীকরণ, পরিমিতি, ত্রিকোণমিতি এবং জ্যামিতির মৌলিক টপিকসমূহ বিশেষ মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

    গণিত চর্চার জন্য ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির গণিত বোর্ড বই আপনার জন্য সহায়ক হবে।

    সাধারণ জ্ঞান

    চূড়ান্ত পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশ থেকে বাংলাদেশ বিষয়ক প্রশ্নের মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, রাষ্ট্রব্যবস্থা, জাতীয় দিবস, অর্থনীতি, ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, শিক্ষা, বিখ্যাত স্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিভিন্ন ধরনের সম্পদ যেমন– কৃষি, শিল্প, বন, পানি– ইত্যাদি টপিক থেকে প্রশ্ন থাকে।

    আন্তর্জাতিক বিষয়ের ক্ষেত্রে সিলেবাসে থাকা সব টপিক থেকেই কম-বেশি প্রশ্ন আসতে দেখা যায়। তাই আন্তর্জাতিক বিষয়ের ক্ষেত্রে কোন টপিককেই আসলে অবহেলা করার কোন জায়গা নেই। তবে আন্তর্জাতিক চলমান বহুল আলোচিত বিষয় এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট দেশ, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির উপর বেশি মনোযোগ দেয়া জরুরি।

    সাধারণ জ্ঞান বিভাগে দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সাধারণ রোগব্যাধি ও তার চিকিৎসা, খাদ্য ও পুষ্টি, আবিষ্কার ও আবিষ্কারক এবং জলবায়ু ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয় থেকেও প্রশ্ন এসে থাকে। এই টপকিসমূহে প্রস্তুতির জন্য বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জব সল্যুশন করলে আপনার প্রস্তুতি যথাযথ হয়ে উঠবে।

    পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির জন্য Live MCQ

    একটা বিষয় মনে রাখবেন, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য যতো বেশি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট দিতে পারবেন ততোই চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য আপনার প্রস্তুতি নিঁখুত হবে।

    আপনার এই প্রস্তুতিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবার জন্য সব সময় প্রস্তুত আছে Live MCQ অ্যাপ। অ্যাপের একোনো একটি প্রিমিয়াম প্যাকেজে NTRCA শিক্ষক নিবন্ধনসহ যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারবেন Live MCQ-এ।

    প্লে-স্টোর বা অ্যাপ-স্টোর থেকে Live MCQ অ্যাপটি ডাউনলোড করবার পর আপনার Gmail অথবা Facebook একাউন্টের মাধ্যমে লগ-ইন করুন। তাহলেই Live MCQ অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় পাবেন। এরপর সুবিধাজনক প্যাকেজ নিয়ে ঘরে বসেই NTRCA-এর শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি নিতে পারবেন খুবই সহজে।

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বইয়ের তালিকা

    বাংলা ভাষা

    ৯ম-১০ম শ্রেণির ব্যাকরণ বোর্ড বই

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    বাংলা সাহিত্য

    নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্র বোর্ড বই

    লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী- হুমায়ুন আজাদ

    শীকর গ্রন্থ সমালোচনা- মোহসিনা নাজিলা

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    ইংরেজি

    Cliff’s TOEFL বইয়ের গ্রামার পার্ট

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    Live MCQ English Wizard Grammar – Saleh Ahmed

    Live MCQ English Wizard (Grammar) বইটিতে যা যা থাকছে জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

    এছাড়া সাহিত্য বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য পড়ুন Live MCQ English Essence (Literature)

    গণিত

    ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির বোর্ড বই

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    সাধারণ জ্ঞান

    শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান বিভাগে বাংলাদেশ বিষয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বিজ্ঞান এবং কম্পিউটার বিষয়ক প্রশ্ন এসে থাকে। তাই এসব বিষয়ের জন্য ভালো মানের বই বেছে নিবেন।

    তবে সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য Live MCQ অ্যাপের Daily NewsPicker, Weekly Bulletin এবং Dynamic Info Panel ব্যবহার করলেই হবে।

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ভাইভা পরীক্ষায় ভালো করার উপায় – ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন

    একজন শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হবার পথে মৌখিক পরীক্ষাও (ভাইভা) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মৌখিক পরীক্ষাতে মোট নম্বর হচ্ছে ২০। এর মধ্যে আপনার একাডেমিক ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ১২ নম্বর এবং ভাইভার মাধ্যমে বাকি ৮ নম্বর পাবেন। স্কুল পর্যায়, স্কুল পর্যায়- ২ এবং কলেজ পর্যায়- তিনটি লেভেলেই মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর হচ্ছে ৪০ শতাংশ। 

    চলুন দেখে নিই— ভাইভাতে কৃতকার্য হবার জন্য কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 

    কাগজপত্র

    আবেদন করার সময় আপনি যেসকল তথ্য দেবেন ভাইভাতে দেখানো আপনার কাগজপত্রের সাথে যেন তার কোন অমিল বা ভুল বা মিথ্যা তথ্য না থাকে।

    ভাইভাতে যেসকল কাগজপত্র চাইতে পারে, সেগুলো হলো— 

    1. মৌখিক পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র
    2. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদের মূল কপি
    3. স্নাতক পর্যায়ের মূল মার্কশিট
    4. সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আবেদনে উল্লেখিত ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য স্নাতক পর্যায়ের এডমিট কার্ড
    5. কোনো প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকলে তার সনদের মূল কপি
    6. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
    7. এছাড়া কর্তৃপক্ষের চাওয়া যেকোনো সনদের মূল কপি

    ১৯তম NTRCA ভাইভা বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

    শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভায় প্রশ্ন সাধারণত আসে—আপনার ঐচ্ছিক বিষয়, লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস এবং বিষয়ভিত্তিক মৌলিক ধারণা থেকে। তাই বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। 

    এক্ষত্রে স্নাতক পর্যায়ের মূল বিষয়গুলো পুনরায় রিভিশন করুন এবং যে পর্যায়ে শিক্ষক হতে চান, সেই পর্যায়-সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তুর উপর দৃঢ় দখল রাখুন। আপনি যে বিষয় পড়াবেন, সেই বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে ভাইভায় সফল হওয়া কঠিন।

    ভালো ফলাফলের জন্য নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন—

    • নিজের পরিচয়, জেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও অনার্স বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত ধারণা রাখুন—প্রাথমিক প্রশ্ন সাধারণত এখান থেকেই শুরু হয়।
    • বাংলাদেশ বিষয়াবলি ভালোভাবে জানুন: ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, অর্থনীতি, ভৌগোলিক অবস্থান, কৃষি, শিক্ষানীতি, শিক্ষাসংক্রান্ত সূচক, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জাতীয় স্থাপনা।
    • সমসাময়িক রাষ্ট্রীয় অগ্রগতি সম্পর্কে আপডেট থাকুন: চলমান মেগা প্রকল্প, উন্নয়ন সূচক, রূপকল্প-২০৪১, SDG, GDP ইত্যাদি।
    • সাম্প্রতিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা নিয়মিত অনুসরণ করুন।

    ভাইভার দিন ও ভাইভা চলাকালে করণীয় 

    1. আত্মবিশ্বাসী ও বিনয়ী হতে হবে, তবে ওভার কনফিডেন্ট মনোভাব প্রকাশ করবেন না।
    2. বোর্ড সদস্যরা জ্ঞান যাচাইয়ের পাশাপাশি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং উপস্থাপনা দক্ষতা পর্যবেক্ষণ করেন—স্মার্ট ও প্রফেশনাল থাকুন।
    3. আবেদনে দেয়া মোবাইল ফোনে মেসেজের মাধ্যমে ভাইভার তারিখ ও বোর্ড নম্বর জানানো হবে। ভাইভা শুরুর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বোর্ডের সামনে উপস্থিত হবার চেষ্টা করবেন। 
    4. উপস্থিতির স্বাক্ষর করবার সময় আপনি আবেদন ফরমে যে স্বাক্ষর দিয়েছিলেন হুবহু সেটাই দেবেন।
    5. ভাইভা রুমে প্রবেশের আগে ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করবার সময় শান্ত ও ভদ্রভাবে অপেক্ষা করবেন। ভাইভা শুরু হবার অনেক আগে থেকেই আপনাকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
    6. ভাইবা বোর্ডের মুখোমুখি হবার জন্য আপনার সিরিয়াল আসলে দরজা থেকেই অনুমতি নিয়ে রুমে ঢুকবেন, আত্মবিশ্বাসী পদক্ষেপে এগিয়ে গিয়ে টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে আপনার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সালাম, আদাব ইত্যাদি বলবেন। 
    7. অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত বসবেন না, কোন কারণে বোর্ডের সদস্যরা বসার কথা বলতে দেরি করলে বিনয়ের সাথে বসবার জন্য তাদের অনুমতি চাইবেন, তারা অনুমতি দিলে তারপর বসবেন। বসার পর ভাইবা বোর্ডের সকলের সাথে হাসিমুখে আই কন্ট্রাক্ট করবার চেষ্টা করবেন।
    8. ভাইবা চলাকালীন পুরোটা সময় মুখে স্মিত হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করবেন।
    9. ভাষায় আঞ্চলিকতা পরিহার করতে পারলে ভালো হয়।
    10. যেকোনো প্রশ্ন মন দিয়ে পুরোটা শুনে তারপর খুব সামান্য সময় ভেবে নিয়ে উত্তর দিতে শুরু করবেন। প্রশ্নকর্তার প্রশ্নের মাঝেই কথা বলবেন না। হড়বড় করে কথা বলবেন না।
    11. সব প্রশ্নের উত্তর দিতেই হবে এমন মনোভাব নিয়ে ভুল বা অনুমান নির্ভর কথা বলবেন না। কোন প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা না থাকলে সেটি বিনয়ের সাথে স্বীকার করে নেবেন।
    12. বেশি পাণ্ডিত্য দেখাতে যাবেন না। সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে প্রশ্নের উত্তর দিতে খুব বেশি দেরিও করবেন না। টেনশন ফ্রি থাকার চেষ্টা করবেন।
    13. নিজের রাজনৈতিক দর্শন প্রকাশ করবেন না।
    14. কোনভাবেই ভাইবা বোর্ডে থাকা কারো সাথে তর্কে জড়াবেন না। তারা আপনাকে কোন বিষয়ে ভুল প্রতিপন্ন করলে সেই বিষয়ে আপডেট তথ্যটি আপনার জানা নেই এবং আপনি জেনে নেবেন বলে তাদের কথাই মেনে নেবেন।
    15. ইংরেজিতে প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দেবেন। বাংলায় প্রশ্ন করে ইংরেজিতে উত্তর দিতে বললে সেটিই করবেন, বাংলায় উত্তর দেবার অনুমতি চাইবেন না।
    16. ভাইবা বোর্ডে থাকা একজনের প্রশ্নের উত্তর করবার মাঝেই আরেকজন কোন প্রশ্ন করেলে প্রথমজনের অনুমতি নিয়ে দ্বিতীয়জনের প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
    17. কোন প্রশ্ন ঠিক মতো শুনতে না পেলে বিনীতভাবে সেটি জানাবেন।
    18. আপনার একাডেমিক পড়াশোনার রেজাল্ট কোন কারণে ভালো হয়ে না থাকলে সে বিষয়ে একটা গ্রহণযোগ্য কারণ তৈরি করে রাখবেন।
    19. আপনার কোন মুদ্রাদোষ থেকে থাকলে সেই বিষয়ে সচেতন হবার চেষ্টা করুন।
    20. যত পারেন মক বা মডেল ভাইবা দিয়ে প্র্যাকটিস করুন।

    ভাইভা বোর্ড

    সাধারণত তিনজনের বেশি সদস্যের সমন্বয়ে ভাইভা বোর্ড গঠিত হয়। এই সদস্যদের মধ্যে NTRCA চেয়ারম্যানের বোর্ড ছাড়া বাকি সব বোর্ডে উপসচিব বা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এবং NTRCA কর্মকর্তারা থাকেন। এছাড়া একজন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রতিটি বোর্ডে থাকেন।

    চূড়ান্ত ফলাফল

    ভাইভা শেষে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ও সনদ নম্বর যোগ করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। উত্তীর্ণ প্রার্থীরা জাতীয় মেধাতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন এবং NTRCA-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রোল নম্বর দিয়ে মেধাক্রম দেখা যায়। এরপর উত্তীর্ণদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয়, যার মাধ্যমে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক পদে আবেদন করা যায়।

    Live MCQ NTRCA প্রিলিমিনারি জব সল্যুশন (টপিকভিত্তিক) বইটি কেন পড়বেন? 

    বইটির বৈশিষ্ট্য

    • ১ম-৫ম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নসমূহের নমুনা উত্তর।
    • ৬ষ্ঠ-১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন টপিকভিত্তিক অথেনটিক রেফারেন্স থেকে ব্যাখ্যাসহ সমাধান।
    • ১৯তম NTRCA-এর ১০০ নম্বরের আবশ্যিক পার্টের প্রস্তুতির জন্য একটি রিলায়েবল সোর্স।
    • আসন্ন ৮ম NTRCA নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী) বিষয়সমূহের কভারেজ।
    • NTRCA ছাড়াও BCS, Bank, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি চাকরি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি সহায়ক।

    🧠 বইটি কেন অনন্য?

    প্রতিটি টপিকের শেষে রয়েছে ইউনিক QR কোড, যা স্ক্যান করলে Live MCQ অ্যাপে বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট টপিকভিত্তিক ১১,০০০+ MCQ ব্যাখ্যাসহ অনুশীলন ও কুইজে অংশগ্রহণ করার সুযোগ।

    শেষ কথা

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সফলতা নির্ভর করে আপনার নিজের প্রস্তুতির উপর। প্রিলি, লিখিত ও ভাইভা—তিন ধাপেই সর্বোচ্চ নম্বর তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। তাই দেরি না করে বাংলাদেশের বৃহৎ অনলাইন এক্সাম প্রিপারেশন প্ল্যাটফর্ম Live MCQ-এ আজই প্রস্তুতি শুরু করুন।

    শুভকামনায়— 

    Live Publications

    FAQs

    প্রশ্ন: শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কী?

    উত্তর: বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা নিম্ন-মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হিসাবে চাকরি করতে চাইলে আপনাকে যে পরীক্ষায় পাশের মাধ্যমে আপনার নাম শিক্ষক হিসাবে তালিকাভুক্ত করতে হবে সেটাই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা।

    আমাদের দেশে এনটিআরসিএ (NTRCA) শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পরিচালনার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য যোগ্য শিক্ষক খুঁজে বের করে।

    প্রশ্ন: শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কত বছর বয়স পর্যন্ত দেওয়া যায়?

    উত্তর: NTRCA কর্তৃক শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হবার বয়স সীমা সর্বনিম্ন ২১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর পর্যন্ত।

    প্রশ্ন: নিবন্ধন স্কুল পর্যায় ২/ইবতেদায়ী শিক্ষক কি?

    উত্তর: শিক্ষক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে স্কুল পর্যায়-২ বলতে মাধ্যমিক কারিগরি ও ভোকেশনাল স্কুল, এবতেদায়ী ও ভোকেশনাল মাদ্রাসা, বিএম ইনস্টিটিউট এবং ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটসমূহকে বোঝানো হয়।

    ইবতেদায়ী শিক্ষক বলতে ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসমূহে কর্মরত শিক্ষকদেরকে বোঝানো হয়। ইবতেদায়ী শিক্ষকেরা ছাত্র/ছাত্রীদেরকে পবিত্র কুরআন শরিফ পড়ানো ও মুখস্থ করানোর উপর জোর দিয়ে থাকেন। এছাড়া ইসলামের মৌলিক বিষয়, আরবি, বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল ও সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়েও ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসমূহে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে।

    বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসমূহের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে।

    প্রশ্ন: ইবতেদায়ী শিক্ষকদের বেতন কত?

    উত্তর: ইবতেদায়ী শিক্ষক, মৌলভি ও ক্কারীগণ ১৬তম বেতন গ্রেড এবং ৯৩০০ টাকা বেতন স্কেলে বেতন পেয়ে থাকেন।

    প্রশ্ন: শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পাস মার্ক কত?

    উত্তর: পাস করতে হলে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি ও ২০ নম্বরের ভাইভা– দুই পরীক্ষাতেই আলাদাভাবে অন্তত ৪০% নম্বর পেতে হবে। 

    প্রশ্ন: ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী কবে?

    উত্তর: ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী এখনো প্রকাশ হয়নি, ২০২৬ সালের মার্চের শেষ বা এপ্রিলের শুরুতেই (ঈদুল ফিতরের পর) প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • ১৪তম থেকে ২০তম  গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি ও পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি ও পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

    সামাজিক মর্যাদা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কারণে বর্তমানে ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরি অনেক চাকরিপ্রত্যাশীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যারিয়ার লক্ষ্য হয়ে উঠেছে।। এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রতি বছর লাখো প্রার্থী ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে অনেকেই পিছিয়ে পড়েন।

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিগুলো মূলত তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদ হিসেবে পরিচিত। অফিস সহকারী, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, এমএলএসএস সহ বিভিন্ন পদে প্রতি বছর হাজার হাজার নিয়োগ দেওয়া হয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা তুলনামূলক কম হওয়ায় এই পদগুলোতে প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি। তাই শুধু পরিশ্রম নয়, সঠিক পরিকল্পনা ও গোছানো প্রস্তুতিই পারে আপনাকে এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখতে। 

    এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিগুলো কী কী, আবেদনের যোগ্যতা, সিলেবাস, পরীক্ষার পদ্ধতি, প্রস্তুতির কৌশল এবং বেতন কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত।

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিগুলো কী কী?

    বর্তমান বাংলাদেশের চাকরির বাজারে ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি পদগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো, প্রভিডেন্ট ফান্ড, আবাসন সুবিধা, চাকরির নিরাপত্তা এবং অবসরোত্তর পেনশন সুবিধার কারণে এই গ্রেডের চাকরিগুলো দিন দিন বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    ১৪তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

    ১৪তম গ্রেডের সরকারি চাকরিগুলো মূলত তৃতীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এই গ্রেডের উল্লেখযোগ্য পদগুলো হলো সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, হাউস কিপার এবং ক্যাশিয়ার। বেতন স্কেল ১০,২০০ থেকে ২৪,৬৮০ টাকা।

    ১৫তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

    এই গ্রেডে এভি অপারেটর, ইলেকট্রিশিয়ান, লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট, ট্রেসার এবং বিভিন্ন কারিগরি পদ রয়েছে। বেতন স্কেল ৯,৭০০ থেকে ২৩,৪৯০ টাকা।

    ১৬তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

    ১৬তম গ্রেডে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক নিয়োগ হয়। উল্লেখযোগ্য পদগুলো হলো ক্যাশিয়ার, লিফটম্যান এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটর। বেতন স্কেল ৯,৩০০ থেকে ২২,৪৯০ টাকা।

    ১৭তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

    এই গ্রেডে বাইন্ডার, নিরাপত্তা প্রহরী এবং অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। বেতন স্কেল ৯,০০০ থেকে ২১,৮০০ টাকা।

    ১৮তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

    মেশিন অপারেটর, সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট, মৎস্য সহকারী এবং মেকানিক সমমানের পদ এই গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। বেতন স্কেল ৮,৮০০ থেকে ২১,৩১০ টাকা।

    ১৯তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

    অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, মালি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, কুক বা বাবুর্চি এই গ্রেডের উল্লেখযোগ্য পদ। বেতন স্কেল ৮,৫০০ থেকে ২০,৫৭০ টাকা।

    ২০তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

    ২০তম গ্রেড বাংলাদেশ সরকারি চাকরির বেতন কাঠামোর সর্বনিম্ন অর্থাৎ চতুর্থ শ্রেণির পদ। হেল্পার বা পোর্টার, অফিস রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা প্রহরী, মালি এবং এমএলএসএস পদ এই গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। বেতন স্কেল ৮,২৫০ থেকে ২০,০১০ টাকা।

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির আবেদনের যোগ্যতা

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরির জন্য সাধারণত এইচএসসি থেকে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন হয়। তবে পদভেদে যোগ্যতার ভিন্নতা রয়েছে।

    • সাধারণ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে এইচএসসি বা সমমান পাস হলেই আবেদন করা যায়।
    • সহকারী পদে সাধারণত স্নাতক ডিগ্রি প্রয়োজন হয়।
    • ২০তম গ্রেডের অধিকাংশ পদে এসএসসি বা সমমান পাস যোগ্যতা যথেষ্ট।
    • পদভেদে কম্পিউটার দক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষা দিতে হতে পারে।

    এছাড়াও অন্যান্য সরকারি চাকরির মতো এই পদগুলোতেও মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব বোনাস সহ নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়।

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির সিলেবাস

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির পরীক্ষায় মূলত চারটি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানভেদে মানবণ্টন কিছুটা ভিন্ন হলেও মূল কাঠামো মোটামুটি একই।

    প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবণ্টন

    বিষয়মানবণ্টন
    বাংলা২০–২৫
    ইংরেজি২০–২৫
    গণিত২০–২৫
    সাধারণ জ্ঞান২০–২৫
    মোট৮০–১০০

    বাংলা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক

    ব্যাকরণ: বানান শুদ্ধি, বাক্য শুদ্ধি, এক কথায় প্রকাশ, বাগধারা ও প্রবাদ, সমাস, সন্ধি, উপসর্গ, কারক-বিভক্তি, সমার্থক ও বিপরীত শব্দ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, ক্রিয়াপদ, বিরাম চিহ্ন।

    বাংলা সাহিত্য: গ্রন্থ ও রচয়িতা, কবি-সাহিত্যিকদের জন্ম-মৃত্যু, পত্র-পত্রিকা, প্রাচীন ও মধ্যযুগ।

    ইংরেজি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক

    Subject-Verb Agreement, Right form of verb, Preposition, Parts of Speech, Tense, Voice, Narration, Transformation of Sentence, Phrases & Idioms, Correct Spelling, Analogy।

    গণিত বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক

    পাটিগণিত: সংখ্যার ধারণা, অনুপাত-সমানুপাত, সুদকষা, শতকরা, লাভ-ক্ষতি, ল.সা.গু ও গ.সা.গু, গড়, সময়-দূরত্ব-গতিবেগ।

    বীজগণিত: মান নির্ণয়, সরল সমীকরণ, উৎপাদক, সমাবেশ।

    জ্যামিতি: ত্রিভুজ, কোণ, বর্গক্ষেত্র, আয়তক্ষেত্র, বৃত্ত।

    সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক

    বাংলাদেশ বিষয়াবলি: মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস, সংবিধান, ভৌগোলিক অবস্থা, জাতীয় বিষয়াবলি, সাম্প্রতিক ঘটনা।

    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: জাতিসংঘ ও অঙ্গসংগঠন, আন্তর্জাতিক সংস্থা, রাজধানী, মুদ্রা, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক ঘটনা।

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: দৈনন্দিন বিজ্ঞান, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ইন্টারনেট।

    লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবণ্টন

    বিষয়নম্বরপাস নম্বরসময়
    বাংলা২৫৫০%৯০ মিনিট
    ইংরেজি২৫৫০%৯০ মিনিট
    গণিত ও পদ সংশ্লিষ্ট৩০৫০%৯০ মিনিট
    সাধারণ জ্ঞান২০৫০%৯০ মিনিট
    মৌখিক পরীক্ষা১০
    মোট১১০

    লিখিত পরীক্ষায় বাংলা অংশে সারাংশ, পত্র লিখন, বঙ্গানুবাদ ও রচনা থেকে প্রশ্ন আসে। ইংরেজিতে Grammar, Essay, Letter এবং Comprehension থেকে প্রশ্ন করা হয়।

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির পরীক্ষার পদ্ধতি

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির পরীক্ষা পদ্ধতি দপ্তর বা অধিদপ্তরভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সাধারণত নিম্নোক্ত ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রিলিমিনারি/MCQ পরীক্ষা: অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে MCQ পরীক্ষা নেওয়া হয়। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে সাধারণত ৮০ থেকে ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকে।

    লিখিত পরীক্ষা: কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রিলিমিনারির পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও নেওয়া হয়। এতে ৭০ থেকে ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকে।

    স্কিল টেস্ট: কম্পিউটার অপারেটর বা টাইপিস্ট পদের জন্য কম্পিউটার টাইপিং ও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা হয়।

    মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা): সব প্রক্রিয়ায় ভাইভা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। প্রিলিমিনারি বা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই কেবল ভাইভায় অংশ নিতে পারেন।

    উল্লেখ্য যে, একই গ্রেডে ভিন্ন পদের জন্য পরীক্ষার পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে। তাই যে পদের জন্য আবেদন করবেন, সেই পদের বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে নেওয়া জরুরি।

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি

    এই গ্রেডের চাকরির পরীক্ষাগুলো এখন অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। একটি পদের বিপরীতে কয়েকগুণ প্রার্থী থাকেন। তাই শুধু পড়লেই হবে না, জানতে হবে কী পড়তে হবে, কতটুকু পড়তে হবে এবং কীভাবে পড়তে হবে।

    বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি কৌশল

    বাংলার জন্য: ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা বোর্ড বই ভালোভাবে পড়ুন। ব্যাকরণের নিয়মগুলো উদাহরণসহ আয়ত্ত করুন।

    ইংরেজির জন্য: Grammar এর মৌলিক বিষয়গুলো শক্তভাবে তৈরি করুন। বিশেষ করে Tense, Voice ও Narration ভালো করে পড়ুন।

    গণিতের জন্য: পাটিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতির (অষ্টম-দশম শ্রেণির বোর্ড বই) মৌলিক বিষয়গুলোতে জোর দিন। নিয়মিত অনুশীলন করলে গণিতে ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব।

    সাধারণ জ্ঞানের জন্য: বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করুন এবং সাম্প্রতিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়মিত পড়ুন।

    যেকোন পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালো করার জন্য প্রয়োজন রুটিন অনুযায়ী নিয়মিত পড়াশোনা করা। আর এই ক্ষেত্রে পরামর্শ থাকবে Live MCQ অ্যাপ ডাউনলোড করে ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি সেকশন থেকে নিয়মিত পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে যাচাই করা।   

    পরীক্ষায় ভালো করার কৌশল

    যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হলে শুধু পড়াশোনা করলেই হয় না, প্রয়োজন সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনা। নিচে কিছু কার্যকর কৌশল তুলে ধরা হলো, যেগুলো অনুসরণ করলে পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ হতে পারে।

    • সিলেবাস বিশ্লেষণ করে কোন অংশে বেশি নম্বর সেই অংশে বেশি সময় দিন।
    • বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করুন। পূর্বের প্রশ্ন থেকে ৬০% এর বেশি প্রশ্ন পুনরায় আসে।
    • নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন এবং ভুলগুলো নোট করে রাখুন।
    • বারবার রিভিশনের মাধ্যমে শেখা বিষয়গুলো স্থায়ী করুন।
    • পরীক্ষার জন্য সময় ব্যবস্থাপনার অনুশীলন করুন।
    • MCQ পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকে (সাধারণত ০.২৫ বা ০.৫০), তাই নিশ্চিত না হলে উত্তর এড়িয়ে যান।

    ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি

    ভাইভা পরীক্ষা যেকোনো নিয়োগ প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যেখানে প্রার্থীর জ্ঞান, ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস এবং উপস্থাপনা দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। তাই লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি ভাইভার জন্যও পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

    • যে পদের জন্য ভাইভা দিচ্ছেন, সেই পদের দায়িত্ব ও কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখুন।
    • নিজের জেলা ও উপজেলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন।
    • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাম্প্রতিক বিষয়গুলো আপডেট রাখুন।
    • পরিষ্কার পোশাক, আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনা এবং ভদ্র আচরণ বজায় রাখুন।
    • না জানলে সৎভাবে স্বীকার করুন, অনুমানে উত্তর দেবেন না।

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির বেতন

    সরকারি বেতন কাঠামো অনুযায়ী ১৪ থেকে ২০ গ্রেডের চাকরির বেতন স্কেল নিচে দেওয়া হলো:

    গ্রেডবেতন স্কেল
    ১৪তম গ্রেড১০,২০০ – ২৪,৬৮০ টাকা
    ১৫তম গ্রেড৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা
    ১৬তম গ্রেড৯,৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা
    ১৭তম গ্রেড৯,০০০ – ২১,৮০০ টাকা
    ১৮তম গ্রেড৮,৮০০ – ২১,৩১০ টাকা
    ১৯তম গ্রেড৮,৫০০ – ২০,৫৭০ টাকা
    ২০তম গ্রেড৮,২৫০ – ২০,০১০ টাকা

    মূল বেতনের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়ি ভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং অবসরোত্তর পেনশন সুবিধা পেয়ে থাকেন। এই সুবিধাগুলো বিবেচনায় নিলে প্রকৃত আয় বেতন স্কেলের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

    বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর 

    প্রশ্ন: ৩য় শ্রেণির চাকরি কোনগুলো? 

    ১৪ থেকে ১৯তম গ্রেডের পদগুলো সাধারণত তৃতীয় শ্রেণির চাকরি হিসেবে পরিচিত। অফিস সহকারী, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, ক্যাশিয়ার, লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট, নিরাপত্তা প্রহরী প্রভৃতি এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

    প্রশ্ন: অফিস সহকারী চাকরির বেতন কত?

    পদ ও গ্রেডভেদে অফিস সহকারীর বেতন ভিন্ন হয়। সাধারণত ১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারী পদে বেতন স্কেল ৯,৩০০ থেকে ২২,৪৯০ টাকা। মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব বোনাস পাওয়া যায়।

    ১৪ থেকে ২০ গ্রেডের চাকরির জন্য সর্বনিম্ন যোগ্যতা কী? 

    সর্বনিম্ন যোগ্যতা এসএসসি পাস, তবে কিছু পদে এইচএসসি বা সমমান প্রয়োজন।

    প্রশ্ন: প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং আছে কি? 

    হ্যাঁ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নেগেটিভ মার্কিং থাকে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য সাধারণত ০.২৫ বা ০.৫০ নম্বর কাটা যায়।

    প্রশ্ন: কতদিন প্রস্তুতি নিলে ভালো করা সম্ভব? 

    নিয়মিত ৮ থেকে ১২ মাস অধ্যবসায় করলে ভালো ফলাফল করা সম্ভব।

    প্রশ্ন: আগের বছরের প্রশ্ন সমাধান কি কাজে লাগে? 

    অবশ্যই। পূর্বের প্রশ্ন থেকে ৬০% এর বেশি প্রশ্ন পুনরায় আসে বলে জানা যায়। তাই বিগত সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    উপসংহার

    ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরি এখন আর শুধু “বিকল্প পথ” নয়, এটি একটি সচেতন ক্যারিয়ার পরিকল্পনার অংশ। স্থিতিশীল আয়, সামাজিক মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রতি বছর লাখো তরুণ এই পথ বেছে নিচ্ছেন।

    সাফল্য কখনোই হঠাৎ আসে না। ধারাবাহিক, সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিত প্রস্তুতিই পারে আপনাকে এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখতে। তাই নিয়মিত সিলেবাসভিত্তিক পড়াশোনা করুন, বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করুন এবং মডেল টেস্টের মাধ্যমে নিজের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে উন্নতি করতে থাকুন।

    বিশ্বাস রাখুন — পরিকল্পিত প্রস্তুতি, নিয়মিত অনুশীলন এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে সফলতা আপনার নাগালেই।

  • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) পরীক্ষা প্রস্তুতির নতুন রুটিন [জেনারেল পার্ট]

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) পরীক্ষা প্রস্তুতির নতুন রুটিন [জেনারেল পার্ট]

    প্রিয় চাকরিপ্রার্থীবৃন্দ,

    আপনারা জানেন, ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতেই হবে বলে জানা গেছে। দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। যারা ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য প্রস্তুতির সার্বিক পরিকল্পনা, পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা এবং নিয়মিত অনুশীলন অত্যন্ত জরুরি।

    বর্তমানে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ে লক্ষাধিক শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে— এবং এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে NTRCA–এর ১৯তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই প্রকাশিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। কিছু প্রক্রিয়াগত বিষয় চূড়ান্ত না হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হলেও প্রস্তুতির জন্য এখনই সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    শিক্ষক নিবন্ধন দেশের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর একটি। অধিকাংশ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হন মূলত দুই কারণে—

    ১. সিলেবাস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাব

    ২. নিয়মিত ও পরীক্ষানির্ভর পড়াশোনার ঘাটতি

    এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষাভিত্তিক, রুটিনকেন্দ্রিক একটি পূর্ণাঙ্গ স্টাডি প্ল্যান চালু করেছে Live MCQ।

    Live MCQ ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতির রুটিনে যা থাকছে

    📝 পরীক্ষার কাঠামো

    ❐ মোট পরীক্ষার সংখ্যা: ৬০টি

    ➝ বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা: ৪৪টি

    ➝ রিভিশন পরীক্ষা: ১১টি

    ➝ সাবজেক্ট ফাইনাল: ৫টি

    ❐ রুটিন চলাকালীন ফুল মডেল টেস্ট: ১৯টি

    # প্রতি মাসের ১০, ২০ ও ৩০ তারিখ NTRCA ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। 

    🎓 স্টাডি সাপোর্ট

    ❐ NTRCA ভিডিয়ো লেকচার: ৩৮টি [Recorded]

    ❐ আর্কাইভের প্রশ্ন: ২২,০০০ (প্রায়) [অথেনটিক রেফারেন্স থেকে ব্যাখ্যাসহ]

    ❐ NTRCA জব সল্যুশন: ৩,৬০০ (প্রায়)

    # এছাড়াও লেকচার PDF ও সহায়ক স্টাডি ম্যাটেরিয়াল সরবরাহ করা হবে। 

    রুটিনের PDF ডাউনলোড করুন

    রুটিন ডাউনলোড করতে—

    Live MCQ অ্যাপ বা ওয়েবসাইট হোমপেজ → PDF Section → ‘রুটিন, সিলেবাস ও কারিকুলাম’ বাটন দেখুন।

    ডাউনলোড করে প্রিন্ট বা সংরক্ষণ করে রাখুন, যাতে দৈনিক প্রস্তুতি পরিকল্পিতভাবে অনুসরণ করা যায়।

     🧪 পরীক্ষা সুবিধা

    • রুটিনের সকল পরীক্ষা OMR ফরম্যাটে দেওয়া যাবে। 
    • Live MCQ–এর যেকোনো পরীক্ষায় একই সুবিধা প্রযোজ্য। 
    • সারাবছর চক্রাকারে লাইভ পরীক্ষা চলমান থাকে। 
    • যেকোনো দিন শুরু করলেও পূর্ণ সিলেবাস সম্পন্ন করা সম্ভব। 

    প্যাকেজ মূল্য

    🔳 নিবন্ধন প্যাকেজ মূল্য

    ⭕️ সকল ক্লাসসহ: ৭৫০/- টাকা

    ⭕️ ক্লাস ছাড়া এক্সাম ব্যাচ: ৪৯৮/- টাকা

    🔋 মেয়াদ: ১ বছর

    ➝ পরবর্তীতে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন বিষয়ভিত্তিক (সাবজেক্টিভ পার্ট) রুটিন দেওয়া হলে তা আলাদা প্যাকেজে অন্তর্ভূক্ত হবে।

    কেন এই রুটিন গুরুত্বপূর্ণ

    NTRCA–এর নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল–কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি— তিন বিভাগেই ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হবে। Live MCQ-এর এই নতুন রুটিনর NTRCA-এর নতুন নম্বর বণ্টন ও সিলেবাস অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। ফলে এতে থাকছে—

    * বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা

    * নির্ধারিত স্টাডি সিকোয়েন্স

    * ভিডিয়ো ক্লাস

    * লেকচার PDF এবং 

    * নিয়মিত মডেল টেস্ট

    — সব মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ, পরীক্ষানির্ভর শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

    NTRCA শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন—

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা প্রস্তুতি ২০২৬ | সিলেবাস, প্রস্তুতি কৌশল ও ভাইভা টিপস

    শেষ কথা

    প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতা নির্ভর করে ধারাবাহিক অনুশীলন ও নিয়মিত মূল্যায়নের উপর। হাজারো পরীক্ষার্থীর সঙ্গে লাইভ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আজ থেকেই নিজের প্রস্তুতি যাচাই শুরু করুন ঘরে বসেই।

    আমাদের বিশ্বাস, এই স্টাডি প্ল্যান আপনাকে এলোমেলো পড়াশোনা থেকে বের করে এনে কাঠামোবদ্ধ প্রস্তুতিতে সহায়তা করবে।

    নতুন উদ্যমে প্রস্তুতি শুরু হোক!

    শুভকামনায়,

    Live MCQ — Since 2017

  • বিসিএস ক্যাডার তালিকা ২০২৬ – BCS Cadre List 2026

    বিসিএস ক্যাডার তালিকা ২০২৬ – BCS Cadre List 2026

    বাংলাদেশের প্রতিটি মেধাবী শিক্ষার্থীর কাছে বিসিএস (Bangladesh Civil Service) একটি স্বপ্নের নাম। কিন্তু এই স্বপ্নের পথে হাঁটার আগে প্রথম ও প্রধান কাজ হলো বিসিএস ক্যাডার তালিকা – BCS Cadre List সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখা। 

    বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে অনেকেই জানতে চান, বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডার কতটি? জেনারেল এবং টেকনিক্যাল ক্যাডারের মধ্যে পার্থক্য কী? কিংবা পছন্দের তালিকায় কোন ক্যাডারকে শীর্ষে রাখা উচিত? 

    আজকের বিস্তারিত আর্টিকেলে আমরা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সর্বশেষ ক্যাডার তালিকা এবং প্রতিটি ক্যাডারের সম্পর্কে সকল বিষয় তুলে ধরব, যা আপনাকে সঠিক ক্যাডার চয়েজ লিস্ট তৈরিতে সাহায্য করবে।

    বিসিএস (BCS) কী?

    বিসিএস (BCS) এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Civil Service। এটি মূলত ব্রিটিশ আমলের ‘ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস’ থেকে উদ্ভূত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রশাসনিক ব্যবস্থা। 

    বিসিএস (BCS) বা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান অসামরিক বা বেসামরিক প্রশাসনিক কাঠামো। এটি একটি বিশেষায়িত পেশাদার দল, যারা দেশের প্রশাসন পরিচালনা এবং সরকারি সেবা বাস্তবায়নে সরাসরি কাজ করেন। 

    বিসিএস ক্যাডার কী?

    ক্যাডার শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল বিশেষ কাজের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দল। বিসিএস (BCS) ক্যাডার হলো বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস-এর এমন একটি গ্রুপ বা শ্রেণী যেখানে কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিযুক্ত হন। 

    সহজ ভাষায় বললে, বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর যে নির্দিষ্ট বিভাগে একজন কর্মকর্তা নিয়োগ পান, সেটিই তার ক্যাডার।  

    বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা কতটি? 

    বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে মোট ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি। কাজের ধরন ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে এই ক্যাডারগুলোকে প্রধানত ২টি ভাগে বিভক্ত করা হয়। এগুলা হল— 

    • সাধারণ ক্যাডার – ১৪টি 
    • কারিগরি / পেশাগত ক্যাডার – ১২টি।  

    সাধারণ ক্যাডার (General Cadre)

    সাধারণ ক্যাডারগুলোতে সাধারণত যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই আবেদন করা যায় (নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে)। এই ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রশাসন পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নীতিনির্ধারণ ও মাঠ পর্যায়ে সরকারি কার্যক্রম বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

    কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার (Professional/Technical Cadre)

    কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারগুলোতে আবেদন করতে নির্দিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি থাকতে হয়। যেমন—চিকিৎসা, প্রকৌশল, কৃষি, শিক্ষা ইত্যাদি। এসব ক্যাডারের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিশেষায়িত বিষয়ে সরকারি সেবা প্রদান করেন। 

    বিসিএস ক্যাডার তালিকা- BCS Cadre List

    বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের নিয়োগ বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস ক্যাডার তালিকা- BCS Cadre List নিম্নে টেবিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:

    ক্রমিক ক্যাডার নাম ক্যাডার ধরণ 
    ০১ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)  সাধারণ ক্যাডার
    ০২ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ০৩ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার)সাধারণ ক্যাডার
    ০৪বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব)সাধারণ ক্যাডার
    ০৫ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়)সাধারণ ক্যাডার
    ০৬ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি)সাধারণ ক্যাডার
    ০৭ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা)সাধারণ ক্যাডার
    ০৮ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ০৯ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ১০ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র)সাধারণ ক্যাডার
    ১১ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ১২ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ১৩ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ১৪ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ১৫ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ১৬ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ)         সাধারণ ক্যাডার
    ১৭ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক)সাধারণ ক্যাডার
    ১৮ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ১৯ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ২০ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ২১ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ২২ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ২৩  বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ২৪ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর)সাধারণ ক্যাডার
    ২৫ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
    ২৬ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার

    বিসিএস ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতা

    বিসিএস ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রার্থীর কিছু নির্দিষ্ট শিক্ষাগত, বয়সসীমা এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। সাধারণভাবে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতার মূল বিষয়গুলো হলো—

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    ১। প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
    ২। কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিষয়ের ডিগ্রি থাকতে হবে। যেমন: চিকিৎসা ক্যাডারের জন্য এমবিবিএস, প্রকৌশল ক্যাডারের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ইত্যাদি।

    বয়সসীমা

    ১। সাধারণত প্রার্থীর বয়স ২১–৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।
    ২। নির্দিষ্ট ক্যাডারের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়স সীমা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
    ৩। সরকারি ভর্তির ক্ষেত্রে বিধি অনুযায়ী বিশেষ ছাড় (যেমন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, নারী প্রার্থী) থাকলে বয়সসীমা বাড়ানো যায়।

    অন্যান্য শর্ত

    ১। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব থাকা আবশ্যক।
    ২। স্বাস্থ্য ও শারীরিক সক্ষমতা: কিছু ক্যাডারের জন্য নির্দিষ্ট শারীরিক যোগ্যতা প্রয়োজন হতে পারে, যেমন পুলিশ বা আনসার ক্যাডার।
    ৩। ভিন্ন ক্যাডারের জন্য ভাষাগত দক্ষতা বা অন্যান্য যোগ্যতা থাকতে হতে পারে।

    বিসিএস ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া মানে শুধু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া নয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, স্বাস্থ্য এবং বিশেষ শর্তের পূরণ নিশ্চিত করা জরুরি।

    সবচেয়ে জনপ্রিয় বিসিএস ক্যাডার কোনগুলো?

    বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হলেও কিছু ক্যাডার দীর্ঘদিন ধরে প্রার্থীদের প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। দায়িত্বের ধরন, কর্মক্ষেত্রের বৈচিত্র্য, পদোন্নতির সুযোগ, ক্ষমতার পরিধি এবং সামাজিক মর্যাদা—এসব দিক বিবেচনায় নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্যাডার তুলনামূলকভাবে বেশি জনপ্রিয়। 

    নিচে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিসিএস ক্যাডারগুলোর তালিকা দেওয়া হলো—

    • প্রশাসন ক্যাডার
    • পুলিশ ক্যাডার
    • পররাষ্ট্র ক্যাডার
    • কর (ট্যাক্স) ক্যাডার
    • কাস্টমস ও এক্সাইজ ক্যাডার
    • নিরীক্ষা ও হিসাব (অডিট ও অ্যাকাউন্টস) ক্যাডার
    • শিক্ষা ক্যাডার (সাধারণ শিক্ষা)
    • স্বাস্থ্য ক্যাডার

    বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ  

    BCS ক্যাডার কত প্রকার ?

    বর্তমানে বাংলাদেশে ২৬ টি বিসিএস ক্যাডার রয়েছে। এই ক্যাডারগুলোকে আবার ২টি ভাগে বিভক্ত করা হয়। ১৪টি সাধারণ ক্যাডার এবং ১২টি কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডার।  

    বিসিএস কোন ক্যাডারে কত পদ?

    প্রতিটি  বিসিএসের ক্ষেত্রে পদ সংখ্যা ভিন্ন হয়ে থাকে। সর্বশেষ ৫০তম বিসিএস-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মোট ১৭৫৫টি শূন্য ক্যাডার পদের মধ্যে স্বাস্থ্য ক্যাডার: ৬৫০টি, প্রশাসন ক্যাডার: ২০০টি, শিক্ষা ক্যাডার: ১৮১টি (সাধারণ শিক্ষা), কৃষি ক্যাডার: ১২০ – ১৫৮টি, পুলিশ ক্যাডার: ৫০ – ১১৭টি, পরিবার পরিকল্পনা: ৩৬টি, সড়ক ও জনপথ: ৩২টি, পররাষ্ট্র: ১৫টি, কর (Tax): ৫৭টি, মৎস্য: ৫৫টি, আনসার: ১৩টি, তথ্য: ১৪টি এবং নন-ক্যাডার পদ: ৩৯৫টি পদ রয়েছে।

    BCS এর পূর্ণ রূপ কী? 

    BCS-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Civil Service (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস)

    উপসংহার

    বিসিএস ক্যাডার হওয়া শুধু একটি চাকরি পাওয়া নয়, বরং এটি দেশ ও জনসেবার এক অনন্য সুযোগ। ২৬টি ক্যাডারের প্রতিটিই নিজ নিজ স্থান থেকে রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর ভিত্তি করে সঠিক ক্যাডার চয়েজ লিস্ট তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

    আশা করি, আজকের এই বিসিএস ক্যাডার তালিকা ২০২৬ সম্পর্কিত ব্লগটি আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। বিসিএস প্রস্তুতি ও অন্যান্য চাকরির প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে Live MCQ অ্যাপ ডাউনলোড করুন। চাকরির বিজ্ঞপ্তি, ক্যারিয়ার টিপস এবং চাকরির প্রস্তুতি বিষয়ক আরও তথ্যের জন্য আমাদের ব্লগের সাথেই থাকুন। আপনার জন্য শুভকামনা!

  • ৯ম–১৩তম গ্রেডের নন-ক্যাডার চাকরির প্রস্তুতি শুরু করুন | 9th-13th Grade Job Preparation

    ৯ম–১৩তম গ্রেডের নন-ক্যাডার চাকরির প্রস্তুতি শুরু করুন | 9th-13th Grade Job Preparation

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ৯ম–১৩তম গ্রেডের নন-ক্যাডার পদে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়।

    এসব নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করতে হলে প্রয়োজন গোছানো সিলেবাসভিত্তিক প্রস্তুতি ও নিয়মিত মডেল টেস্ট অনুশীলন।

    এই লক্ষ্যেই Live MCQ অ্যাপে ৯ম–১৩তম গ্রেডের নন-ক্যাডার চাকরির পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির নতুন রুটিন চালু হয়েছে।

    🚀 Live MCQ প্রিমিয়াম প্যাকেজে ডিসকাউন্ট অফার চলমান — শেষ সময় ৭ এপ্রিল ২০২৬।

    🎯 কেন ৯ম–১৩তম গ্রেডের চাকরি গুরুত্বপূর্ণ? 9th-13th Grade Exam

    বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কয়েক লাখ পদ শূন্য রয়েছে, যার একটি বড় অংশ হলো ৯ম–১৩তম গ্রেডের পদ

    এই গ্রেডের জনপ্রিয় কিছু পদ হলো —

    • আইন কর্মকর্তা
    • সিনিয়র অফিসার
    • সহকারী সচিব
    • বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
    • মেডিকেল অফিসার
    • হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা
    • সহকারী প্রকৌশলী
    • সহকারী শিক্ষক
    • উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা
    • উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার
    • উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

    এই পদগুলোর প্রশ্নপত্র সাধারণত বিসিএস ধাঁচের হওয়ায় প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি।

    📚 Live MCQ-তে ৯ম–১৩তম গ্রেড প্রস্তুতির সুবিধা

    Live MCQ অ্যাপের প্রিমিয়াম প্যাকেজে থাকছে —

    ✅ সকল রুটিনের পরীক্ষা OMR ফরম্যাটে দেওয়ার সুযোগ
    ✅ Live MCQ-এর যেকোনো প্রিমিয়াম প্যাকেজেই এই রুটিনের পরীক্ষা ফ্রি
    ✅ Join Anytime — সারাবছর পরীক্ষার সুযোগ
    ✅ লাইভ পরীক্ষা মিস হলে আর্কাইভ থেকে যেকোনো সময় পরীক্ষা দেওয়া যাবে

    📝 পরীক্ষার রুটিন (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড)

    🕘 লাইভ পরীক্ষা চলমান রয়েছে

    মোট লাইভ পরীক্ষা: ৬৫টি

    পরীক্ষার ধরন

    • 📘 বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা: ৪৪টি
    • 📊 ফুল মডেল টেস্ট: ১০টি
    • 🔁 রিভিশন পরীক্ষা: ১১টি

    এই পরীক্ষাগুলো ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করলে পুরো সিলেবাস কভার হয়ে যাবে।

    📖 পরীক্ষার কাঠামো

    এই রুটিনে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য একটি কার্যকর স্ট্রাকচার অনুসরণ করা হয়েছে —

    ✔ প্রথমে ৫টি বিষয়ভিত্তিক ছোট পরীক্ষা
    ✔ এরপর ১টি রিভিশন পরীক্ষা
    ✔ প্রতি ৬টি পরীক্ষার পর ১টি ফুল মডেল টেস্ট

    এভাবে মোট ৬৫টি পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সিলেবাস সম্পন্ন হবে।

    🚀 প্রিমিয়াম প্যাকেজে অতিরিক্ত সুবিধা

    Live MCQ প্রিমিয়াম প্যাকেজে থাকছে আরও অনেক স্মার্ট ফিচার —

    ✨ ৯ম–১৩তম গ্রেডের জব সল্যুশন
    ✨ Smart Search
    ✨ Topic Guru
    ✨ Dynamic Panel
    ✨ Quiz Master
    ✨ তথ্যকল্পদ্রুম
    ✨ 24/7 Career Consultancy

    এই ফিচারগুলো প্রস্তুতিকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

    📥 রুটিন PDF ডাউনলোড

    রুটিন ও সিলেবাস দেখতে —

    ➡️ Live MCQ App / Website
    ➡️ Homepage → PDF Section
    ➡️ রুটিন, সিলেবাস ও কারিকুলাম

    🎯 কেন Live MCQ?

    Live MCQ ২০১৭ সাল থেকে হাজারো পরীক্ষার্থীকে সাহায্য করছে —

    ✔ লাইভ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা
    ✔ রিয়েল এক্সাম এনভায়রনমেন্ট
    ✔ বিশাল প্রশ্নব্যাংক
    ✔ স্মার্ট অ্যানালাইসিস

    👥 ঘরে বসেই হাজারো প্রতিযোগীর সাথে প্রতিযোগিতা করে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করা সম্ভব।

    🔔 এখনই শুরু করুন আপনার প্রস্তুতির লড়াই

    🔥 ডিসকাউন্ট অফার শেষ: ৭ এপ্রিল ২০২৬

    এই অফারের মধ্যে প্রিমিয়াম প্যাকেজ নিয়ে এখনই শুরু করুন ৯ম–১৩তম গ্রেডের চাকরির পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি।

  • স্পেশাল বিসিএস কী? যোগ্যতা, সিলেবাস ও প্রস্তুতির সম্পূর্ণ গাইডলাইন

    স্পেশাল বিসিএস কী? যোগ্যতা, সিলেবাস ও প্রস্তুতির সম্পূর্ণ গাইডলাইন

    বাংলাদেশে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) অন্যতম সম্মানজনক ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষা। স্বাভাবিকভাবেই, বিসিএস নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের আগ্রহ অনেক বেশি। আবার নতুন পরীক্ষার্থীদের অনেকেই জানতে চান স্পেশাল বিসিএস সম্পর্কে– স্পেশাল বিসিএস কী, কেমন যোগ্যতা লাগে কিংবা Special BCS সিলেবাস ও প্রস্তুতির ধরন সম্পর্কে। 

    প্রতি বছর হাজার হাজার প্রার্থী প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্যাডারে যোগদানের স্বপ্ন নিয়ে BCS পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তবে অনেক সময় নির্দিষ্ট কোনো ক্যাডারে জনবল সংকট দেখা দিলে সরকার বিশেষ উদ্যোগে আয়োজন করে স্পেশাল বিসিএস (Special BCS)।

    স্পেশাল বিসিএস সাধারণ বিসিএসের মতো নিয়মিত নয়; এটি বিশেষ প্রয়োজনভিত্তিক একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া। তাই এ নিয়ে প্রার্থীদের মাঝে প্রায়ই বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়— স্পেশাল বিসিএস কী, এর যোগ্যতা কী, সিলেবাস কেমন, কত বছর পর পর হয় এবং প্রস্তুতি কীভাবে নিতে হবে?

    এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা Special BCS Preparation সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য তুলে ধরব, যাতে আপনি সহজেই বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    স্পেশাল বিসিএস কী?  

    স্পেশাল বিসিএস হলো বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট কোনো ক্যাডারে জরুরি ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য আয়োজন করা বিশেষ ধরনের বিসিএস পরীক্ষা। এটি নিয়মিত বিসিএসের মতো নির্দিষ্ট সময়সূচিভিত্তিক নয়; বরং বিশেষ পরিস্থিতি ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে আয়োজন করা হয়।

    সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট খাতে যেমন; স্বাস্থ্য বা শিক্ষা দ্রুত জনবল ঘাটতি পূরণের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (PSC) বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্পেশাল বিসিএসের আয়োজন করে। এ ক্ষেত্রে সব ক্যাডারের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয় না; শুধু সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারেন।

    উদাহরণ হিসেবে, ২০২৫  সালে অনুষ্ঠিত ৪৮তম ও ৪৯তম  বিসিএস (স্পেশাল) যথাক্রমে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্যাডারে চিকিৎসক ও শিক্ষক নিয়োগের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল। এই ধরনের পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট সেক্টরে দ্রুত ও কার্যকরভাবে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া।

    সংক্ষেপে বলা যায়, স্পেশাল বিসিএস হলো— বিশেষ প্রয়োজনভিত্তিক ক্যাডার নিয়োগের জন্য বিশেষভাবে আয়োজিত বিসিএস পরীক্ষা।

    স্পেশাল বিসিএস ও সাধারণ বিসিএসের প্রার্থক্য

    স্পেশাল বিসিএস এবং সাধারণ বিসিএস এর মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, যা নিচে একটি সারণীর মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:

    বিষয়সাধারণ বিসিএসস্পেশাল বিসিএস
    আয়োজনের ধরননিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ীবিশেষ প্রয়োজনভিত্তিক
    পরীক্ষার ধাপপ্রিলিমিনারি (২০০ নম্বর), লিখিত (৯০০ নম্বর), মৌখিক (২০০ নম্বর)প্রিলিমিনারি/এমসিকিউ (সাধারণত ২০০ নম্বর), মৌখিক (১০০ বা ২০০ নম্বর)
    ক্যাডারের সংখ্যাএকাধিক ক্যাডার (প্রশাসন, পুলিশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি)নির্দিষ্ট এক বা কয়েকটি ক্যাডার
    উদ্দেশ্যসামগ্রিক ক্যাডার নিয়োগনির্দিষ্ট খাতে জনবল সংকট পূরণ
    সিলেবাসপূর্ণাঙ্গ ও নির্ধারিত কাঠামোসাধারণ বিষয়সমূহ নিয়ে General Part ও সংশ্লিষ্ট ক্যাডারভিত্তিক বিষয়ের সমন্বয়ে 
    প্রতিযোগিতাসকল বিষয়ের প্রার্থীদের জন্য উন্মুক্তসংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রার্থীদের জন্য সীমিত
    আয়োজনের সময়প্রায় নিয়মিত (বছরভিত্তিক/চক্রভিত্তিক)নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই

    স্পেশাল বিসিএস সিলেবাস 

    স্পেশাল বিসিএসের সিলেবাস সাধারণ বিসিএস থেকে কিছুটা ভিন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ, ডাক্তারদের জন্য আয়োজিত ৪৮তম স্পেশাল বিসিএস-এর সিলেবাস ও মান বণ্টন নিচে দেওয়া হলো:

    স্পেশাল বিসিএসের সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন 

    ৪৮তম স্পেশাল বিসিএস-এর মোট নম্বর ছিল: ২০০ (এমসিকিউ) + ১০০ (মৌখিক)

    স্পেশাল বিসিএস পরীক্ষায় বর্ণনামূলক লিখিত পরীক্ষা থাকে না, শুধু MCQ-নির্ভর প্রিলিমিনারি ও মৌখিক পরীক্ষা হয়ে থাকে। প্রিলিমিনারি অংশটা আবার দুইটা ভাগে বিভক্ত থাকে সাধারণ বিষয় এবং মেডিকেল বিজ্ঞান। নিচে স্পেশাল বিসিএসের এমসিকিউ সিলেবাস ও নম্বর বণ্টন (পূর্ণমান: ২০০) টেবিলের মাধ্যমে দেখানো হল; 

    সাধারণ বিষয় (মোট ১০০ নম্বর)

    ক্র. নংবিষয়নম্বর
    বাংলা ভাষা১৫
    বাংলা সাহিত্য
    English Grammar১৫
    English Literature
    বাংলাদেশ বিষয়াবলি২০
    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি২০
    গাণিতিক যুক্তি১০
    মানসিক দক্ষতা১০
    মোট১০০

    মেডিকেল বিজ্ঞান (মোট ১০০ নম্বর)

    মেডিকেল বিজ্ঞান অংশটি দুইটি পার্টে বিভিক্ত থাকে। পার্ট-১ Pre & Para Clinical (৫০ নম্বর) এবং  পার্ট-২ Clinical (৫০ নম্বর)। 

    পার্ট ১: Pre & Para Clinical (৫০ নম্বর)

    ক্র. নংবিষয়নম্বর
    Anatomy১২
    Physiology
    Bio-Chemistry
    Pharmacology
    Forensic Medicine & Toxicology
    Community Medicine & Public Health
    Pathology
    Microbiology
    মোট৫০

    পার্ট – ২: Clinical (৫০ নম্বর)

    ক্র. নংবিষয়নম্বর
    Medicine১৭
    Surgery১৭
    Obstetrics and Gynaecology১৬
    মোট৫০

    স্পেশাল বিসিএস সিলেবাস PDF

    পিএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই স্পেশাল বিসিএসের PDF ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে স্পেশাল বিসিএসের সিলেবাসটির  PDF টি ডাউনলোড করতে নীচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। 

    স্পেশাল বিসিএস যোগ্যতা

    স্পেশাল বিসিএসে আবেদন করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো: 

    • সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। [স্বাস্থ্য ক্যাডারের ক্ষেত্রে এমবিবিএস (MBBS) বা সমমানের ডিগ্রি আবশ্যক।]
    • আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। 
    • সাধারণ বয়সীমা ২১ থেকে ৩০ বছর হতে হবে। 
    • এসএসসি, এইচএসসি এবং স্নাতক/স্নাতকোত্তর পর্যায়ে যে কোনো একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএ/গ্রেড গ্রহণযোগ্য নয়। 

    স্পেশাল বিসিএস প্রস্তুতি কৌশল:

    স্পেশাল বিসিএস প্রস্তুতি সাধারণ বিসিএস থেকে কিছুটা ভিন্ন। তবে এ নিয়ে দুঃশ্চিন্তার কারণ নেই। কিছু মৌলিক কৌশল অনুসরণ করলে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। চলুন দেখে নিই, স্পেশাল বিসিএসের জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে—   

    বিজ্ঞপ্তি ও সিলেবাস বিশ্লেষণ

    প্রস্তুতির শুরুতেই সিলেবাস বিশ্লেষণ করলে সময় অপচয় কম হয়। তাই—  

    • পিএসসির অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি থেকে সিলেবাস ভালোভাবে বিস্তারিত পড়ুন।
    • নম্বর বণ্টন অনুযায়ী টপিকের অগ্রাধিকার ঠিক করুন।
    • কোন অংশে বেশি নম্বর, সেই অংশে বেশি সময় দিন।

    সিলেবাস সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকলে পড়াশোনা গোছানো হয় এবং প্রস্তুতি ফলপ্রসূ হয়।  

    বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান 

    যেহেতু স্পেশাল বিসিএস নির্দিষ্ট ক্যাডারের জন্য হয়, তাই অ্যাকাডেমিক বা মূল বিষয়ের উপর গভীর জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি। ১০০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক অংশের জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রস্তুতি নিন। 

    যেমন স্বাস্থ্য ক্যাডারের ক্ষেত্রে মেডিকেলে পঠিত সাবজেক্ট বা শিক্ষা ক্যাডারে অনার্সে পঠিত (যে বিষয়ের শিক্ষক হতে চান) বিষয়ে শক্ত ভিত্তি তৈরি করুন। সেক্ষেত্রে— 

    • মূল টেক্সটবুক ও স্ট্যান্ডার্ড রেফারেন্স অনুসরণ করুন।
    • মূল বই থেকে পড়ার সময় সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলোর শর্ট নোট তৈরি করুন।

    স্পেশাল বিসিএসে সাধারণত সংশ্লিষ্ট পেশাগত বিষয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    সাধারণ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া

    যদিও এটি বিশেষ বিসিএস, তবুও বাংলা, গণিত, বিজ্ঞান, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে ভালো নম্বর তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    • সাম্প্রতিক ঘটনা (Current Affairs) নিয়মিত পড়ুন।
    • বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করুন।
    • প্রতিদিন অন্তত ১–২ ঘণ্টা সাধারণ বিষয়ের জন্য বরাদ্দ রাখুন।

    সময় ব্যবস্থাপনা ও রুটিন তৈরি 

    • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পড়াশোনার অভ্যাস গড়ে তুলুন। 
    • কঠিন বিষয় সকালে পড়ুন। 
    • সাপ্তাহিক রিভিশন রাখুন। 

    পূর্বের প্রশ্ন বিশ্লেষণ 

    পূর্বের স্পেশাল বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ প্রস্তুতিতে আপনাকে অনেক এগিয়ে রাখবে। কারণ এটি আপনাকে প্রশ্নের ধরণ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেবে। ফলে প্রস্তুতির শুরুতেই বুঝে নিতে পারবেন— 

    • কোন টপিক থেকে বেশি আসতে পারে 
    • প্রশ্নের ধরন (BCS Question Pattern) কেমন হতে পারে 
    • কোন টপিকে কেমন গুরুত্ব ও সময় দেওয়া উচিৎ 
    • পরীক্ষায় সময় ব্যবস্থাপনা কেমন হওয়া উচিত

    বিসিএস প্রিলিমিনিরি পরীক্ষার পূর্ববর্তী প্রশ্নসমূহের টপিকভিত্তিক ব্যাখ্যাসহ সমাধানের জন্য Live Publications এর Live MCQ বিসিএস প্রিলিমিনারি জব সল্যুশন বইটির সঙ্গে স্পেশাল বিসিএসসহ যেকোনো বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন। 

    নিয়মিত মডেল টেস্ট 

    মডেল টেস্ট দেয়ার মাধ্যমে দুর্বলতা খুঁজে পাওয়া যায়। তাই স্পেশাল বিসিএসে ভালো করার জন্য অবশ্যই নিয়মিত মডেল টেস্ট দিতে হবে। Live MCQ অ্যাপে নিয়মিত লাইভ এবং আর্কাইভ পরীক্ষা দেয়ার মাধ্যমে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারেন।

    স্পেশাল বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতি 

    স্পেশাল বিসিএস পরীক্ষার সর্বশেষ ধাপ হল মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইবা। ভাইবা বোর্ডে সাধারণত ব্যক্তিত্ব, পেশাগত জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করা হয়। তাই স্পেশাল বিসিএস ভাইভার জন্য–

    • নিজের পেশাগত বিষয়ের জ্ঞানের ওপরে শক্ত ভিত্তি তৈরি করুন।
    • সাধারণ জ্ঞান ও সাম্প্রতিক বিষয়াবলি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখুন। 
    • ব্যক্তিত্ব ও উপস্থাপনা দক্ষতার ওপরে গুরুত্ব আরোপ করুন। 
    • নিয়মিত মক ভাইবা প্র্যাকটিস করুন।    

    সঠিক প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস এবং বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান থাকলে স্পেশাল বিসিএস ভাইভাতেও ভালো ফল করা সম্ভব। 

    বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ (Special BCS FAQ)

    স্পেশাল বিসিএস কত বছর পর পর হয়? 

    স্পেশাল বিসিএস (Special BCS) কোনো নির্দিষ্ট সময় পর পর হয় না, এটি মূলত নির্দিষ্ট কোনো ক্যাডারে জনবল সংকট দূর করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ক্যাডার নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। 

    কোন কোন বিসিএস স্পেশাল ছিল?

    ১২তম , ১৬তম , ১৯তম , ২৩তম, ২৬তম, ৩২তম, ৩৯তম, ৪২তম, ৪৮তম এবং ৪৯তম বিসিএস স্পেশাল বিসিএস ছিল। 

    স্পেশাল বিসিএস মানে কি?

    স্পেশাল বিসিএস (Special BCS) হলো এমন একটি বিসিএস নিয়োগ পরীক্ষা যা বিসিএসের ২৬টি ক্যাডারের সবগুলোর জন্য না হয়ে, নির্দিষ্ট কোনো একটি বা কয়েকটি ক্যাডারের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের জন্য নেওয়া হয়।

    উপসংহার 

    যারা নির্দিষ্ট পেশাগত ক্ষেত্রে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য স্পেশাল বিসিএস বাংলাদেশের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। সঠিক পরিকল্পনা, কঠোর পরিশ্রম এবং সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতির মাধ্যমে এই পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। 

    আশা করি, এই গাইডলাইনটি আপনাকে স্পেশাল বিসিএস সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে এবং আপনার প্রস্তুতিতে সহায়তা করতে পারবে।

    এ ধরণের যেকোনো চাকরির প্রস্তুতি বিষয়ক পরামর্শের জন্য Live MCQ ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ ফলো করতে পারেন বা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।

  • মুসলিম সাহিত্য সমাজ | Live MCQ তথ্য সমাহার Muslim Sahitya-Samaj

    মুসলিম সাহিত্য সমাজ | Live MCQ তথ্য সমাহার Muslim Sahitya-Samaj

    📌 Live MCQ তথ্য সমাহার — চাকরির পরীক্ষার জন্য আমাদের তথ্যভিত্তিক নিয়মিত আয়োজন। আজ আমরা জানব মুসলিম সাহিত্য সমাজ – Muslim Sahitya-Samaj

    চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিতে নির্ভুল তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই প্রয়োজনকে সামনে রেখে Live MCQ নিয়ে এসেছে নিয়মিত তথ্যভিত্তিক আয়োজন “Live MCQ তথ্য সমাহার” যেখানে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

    এই সিরিজে প্রতিটি তথ্য যাচাই করে উপস্থাপন করা হয়, যাতে পরীক্ষার্থীরা দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে পারে।

    📥 PDF আকারে পেতে, Live MCQ অ্যাপের PDF Section থেকে
    👉 “Live MCQ তথ্য সমাহার” বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন

    মুসলিম সাহিত্য সমাজ | Muslim Sahitya-Samaj Infography PDF

  • ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত

    ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত

    ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত সংবাদ — নন-ক্যাডার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারের ফলাফলে মোট ২৯৩৯ জন প্রার্থী বিভিন্ন নন-ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

    সুপারিশপ্রাপ্ত সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন। দীর্ঘ প্রস্তুতি, ধৈর্য ও পরিশ্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হলো।

    ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার চূড়ান্ত ফলাফল দেখুন

    📌 ফলাফলের সারসংক্ষেপ

    • ✅ পরীক্ষার নাম: ৪৪তম বিসিএস
    • ✅ ক্যাটাগরি: নন-ক্যাডার চূড়ান্ত ফলাফল
    • ✅ মোট সুপারিশপ্রাপ্ত: ২৯৩৯ জন
    • ✅ ফলাফল প্রকাশকারী: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC)

    🎯 নন-ক্যাডার সুপারিশ — কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

    অনেক পরীক্ষার্থীর কাছে নন-ক্যাডার ফলাফল শুধুমাত্র একটি বিকল্প নয়, বরং একটি স্থিতিশীল ও সম্মানজনক ক্যারিয়ার পথ।

    নন-ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়া মানে:

    ✔ সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ
    ✔ নির্দিষ্ট ক্যারিয়ার কাঠামো
    ✔ পেশাগত নিরাপত্তা
    ✔ ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা

    📋 ফলাফল সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

    চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর সাধারণত যে বিষয়গুলো প্রযোজ্য হয়:

    ✅ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন
    ✅ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় / বিভাগে যোগদানের প্রক্রিয়া
    ✅ মেডিকেল / পুলিশ ভেরিফিকেশন (যদি প্রযোজ্য হয়)

    সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের উচিত কমিশনের নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করা।

    📥 ফলাফল কোথায় দেখবেন?

    নন-ক্যাডার চূড়ান্ত ফলাফল সাধারণত পাওয়া যায়:

    ✔ PSC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
    ✔ টেলিটক ওয়েবসাইট
    ✔ PDF ফলাফল শিট

    👉 দ্রুত রেফারেন্স ও পরীক্ষার্থী আপডেটের জন্য Live MCQ প্ল্যাটফর্ম অনুসরণ করতে পারেন।

    🚀 যারা সুপারিশপ্রাপ্ত হননি — এখন কী করবেন?

    ফলাফল সবসময় সবার প্রত্যাশামতো হয় না। কিন্তু বিসিএস জার্নিতে এটি একেবারেই স্বাভাবিক।

    আপনার জন্য বাস্তবসম্মত করণীয়:

    ✔ প্রস্তুতি বিশ্লেষণ করুন
    ✔ লিখিত / MCQ দুর্বলতা শনাক্ত করুন
    ✔ পরবর্তী বিসিএস বা অন্যান্য চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন
    ✔ নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন

    📚 বিসিএস প্রস্তুতিতে Live MCQ কেন কার্যকর?

    BCS প্রস্তুতিতে ধারাবাহিকতা ও অনুশীলনই সবচেয়ে বড় শক্তি।

    Live MCQ অ্যাপে থাকছে:

    ✅ বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা
    ✅ ফুল মডেল টেস্ট
    ✅ প্রশ্নব্যাংক + ব্যাখ্যা
    ✅ লাইভ প্রতিযোগিতা
    ✅ নতুন সিলেবাসভিত্তিক কন্টেন্ট

    🎉 শেষকথা

    ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার চূড়ান্ত ফলাফল বহু পরীক্ষার্থীর জন্য একটি বড় মাইলস্টোন। সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য নতুন অধ্যায়ের সূচনা, আর অন্যদের জন্য নতুন লক্ষ্য নির্ধারণের সময়।

    💪 বিসিএস জার্নিতে ধারাবাহিক থাকাই সবচেয়ে বড় সাফল্য

    শুভকামনায়,
    Live MCQ — Since 2017
    ঘরে বসেই হাজারো প্রতিযোগীর সাথে প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তুতি

  • ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি

    ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি

    প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আগামী ৯ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়। এবং পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার পরবর্তীতে জানানো হবে।

    সর্বশেষ প্রাপ্ত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে।

    ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি দেখুন

  • ২০২৩ সালভিত্তিক অফিসার (ক্যাশ) প্রিলি ফলাফল | মোট উত্তীর্ণ ১২,২৩৫ জন

    ২০২৩ সালভিত্তিক অফিসার (ক্যাশ) প্রিলি ফলাফল | মোট উত্তীর্ণ ১২,২৩৫ জন

    প্রিয় চাকরিপ্রত্যাশীগণ, আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, ২০২৩ সালভিত্তিক অফিসার (ক্যাশ) প্রিলি ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি’র অন্তর্ভুক্ত ০৬ টি ব্যাংক ‘অফিসার (ক্যাশ)’ Job ID-10222 এর ১২৬২টি শূন্য পদে প্রিলি পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ ১২,২৩৫ জন। উল্লেখ, প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে।

    বিজ্ঞপ্তি অনুসারে গত ২০ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নং ০৪/২০২৫ এর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সেইসাথে সমন্বিত ৬ ব্যাংক অফিসার ক্যাশ পদের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

    ✅ এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    📌 পরীক্ষা: অফিসার (ক্যাশ)
    📌 পরীক্ষার ধরণ: প্রিলিমিনারি (MCQ)
    📌 মোট উত্তীর্ণ: ১২,২৩৫ জন
    📌 লিখিত পরীক্ষার তারিখ: ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

    📥 ফলাফলের PDF ডাউনলোড

    প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সম্পূর্ণ ফলাফল দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

    🎯 এখন আপনার করণীয় কী?

    প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া মানেই চূড়ান্ত সাফল্য নয়। প্রকৃত প্রতিযোগিতা শুরু হয় লিখিত পরীক্ষায়।

    লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার জন্য প্রয়োজন —

    ✔ বিষয়ভিত্তিক লিখিত প্রস্তুতি
    ✔ সময় ব্যবস্থাপনা অনুশীলন
    ✔ মডেল টেস্ট
    ✔ খাতা মূল্যায়ন ও ফিডব্যাক

    Live Written অ্যাপে লিখিত প্রস্তুতির জন্য পরীক্ষা চলমান রয়েছে।
    🗓️ সম্পূর্ণ রুটিন ও বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন —
    🔗 https://www.facebook.com/share/p/1CFQwdHfqH/

    ✍️ লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ

    📌 ১. টার্গেটেড রাইটিং প্র্যাকটিস

    শুধু পড়াশোনা নয় — নিয়মিত লিখে অনুশীলন করাই লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার মূল চাবিকাঠি।

    📌 ২. স্ট্যান্ডার্ড উত্তরপত্র বিশ্লেষণ

    উত্তরের গঠন, ভাষা, উপস্থাপন ও বিশ্লেষণ — এগুলো নম্বর নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।

    📌 ৩. সময় ব্যবস্থাপনা দক্ষতা

    লিখিত পরীক্ষায় সময় নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভালো প্রস্তুতিও কাজে আসে না।

    📌 ৪. খাতা মূল্যায়ন (Game Changer)

    নিজের ভুল বোঝা এবং উন্নতির দিক নির্ধারণের জন্য খাতা মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ✅ শেষকথা

    প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল প্রার্থীকে অভিনন্দন।
    এখনই সময় গুছানোভাবে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করার।

    লিখিত পরীক্ষায় ধারাবাহিক অনুশীলন ও সঠিক গাইডলাইনই আপনার সাফল্যের প্রধান ভিত্তি।