Author: Live MCQ™

  • ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF | 41 BCS Written Question PDF

    ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF | 41 BCS Written Question PDF

    প্রিয় চাকরি প্রত্যাশীগণ ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সংক্রান্ত আলোচনায় আপনাদের স্বাগতম। আপনারা জানেন যে বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার জন্য বিগত সালের বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সম্পর্কে জানা কতটা জরুরী। কারন বিগত সালে অনুষ্ঠিত হওয়া বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নগুলো পর্যালোচনা করলে বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নের প্যাটার্ন সম্পর্কে একটি গভীর ধারনা তৈরি হয় যা পরবর্তিতে বিসিএস প্রস্তুতি আরও সহজ করে দেয়।

    আপনাদের বিসিএস প্রস্তুতিকে আরও সহজ করতে বিগত সালের বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে আমরা একটি সিরিজ নিয়ে এসেছি যেখানে বিগত সালে অনুষ্ঠিত হওয়া বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধানের PDF এবং লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের PDF তুলে ধরা হয়েছে। যা আপনি সহজেই যেকোন ডিভাইসে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন এবং প্রিন্ট করেও পড়তে পারবেন। এর ধারাবাহিকতায় আজকে আপনাদের কাছে উপস্থাপন করা হল ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন।

    আরও দেখুনঃ ৩৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF
    আরও দেখুনঃ ৩৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF
    আরও দেখুনঃ ৩৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF
    আরও দেখুনঃ ৩৮তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF
    আরও দেখুনঃ ৪০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF
    আরও দেখুন: ৪৩তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF
    আরও দেখুন: ৪৪তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF
    আরও দেখুন: ৪৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF

    ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন PDF ডাউনলোড করুন / 41 BCS Written Question PDF Download

    ৪১তম বিসিএস লিখিত বাংলা প্রশ্ন (41 BCS Bangla Written Question):

    ৪১তম বিসিএস লিখিত বাংলা প্রশ্ন PDF ফরমেটে ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

    ৪১তম বিসিএস লিখিত ইংরেজি প্রশ্ন (41 BCS English Written Question):

    ৪১তম বিসিএস লিখিত ইংরেজি প্রশ্ন PDF ফরমেটে ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

    ৪১তম বিসিএস লিখিত গণিত প্রশ্ন (41 BCS Math Written Question):

    ৪১তম বিসিএস লিখিত গাণিতিক যুক্তি প্রশ্ন PDF ফরমেটে ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

    ৪১তম বিসিএস লিখিত সাধারণ বিজ্ঞান প্রশ্ন (41 BCS General Science Written Question):

    ৪১তম বিসিএস লিখিত সাধারণ বিজ্ঞান প্রশ্ন PDF ফরমেটে ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

    ৪১তম বিসিএস লিখিত বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রশ্ন (41 BCS Bangladesh Affairs Written Question):

    ৪১তম বিসিএস লিখিত বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রশ্ন PDF ফরমেটে ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

    ৪১তম বিসিএস লিখিত আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি প্রশ্ন (41 BCS International Affairs Written Question):

    ৪১তম বিসিএস লিখিত আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি প্রশ্ন PDF ফরমেটে ডাউনলোড করতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

    ৪১তম বিসিএস পরীক্ষা সংক্রান্ত কিছু তথ্যঃ

    ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএস এ বিভিন্ন পদে ২ হাজার ১৩৫ জন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছিলেন ৪ লাখের অধিক প্রার্থী। করোনা কালীন সময়ে অনিশ্চিত হয়ে যাওয়া ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ২০২১ সালের ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়।

    পররবর্তীতে ১ আগস্ট ২০২১ তারিখে ৪১তম বিসিএস বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় যেখানে সর্বমোট ২১ হাজার ৫৬ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ২৯ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১০ নভেম্বর ২০২২ তারিখে ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় যেখানে সর্বমোট ১৩ হাজার জন্য প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য বিবেচিত হন।

  • ডাক অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর অব পোস্ট অফিসেস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি, আসন বিন্যাস ও এডমিট কার্ড

    ডাক অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর অব পোস্ট অফিসেস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি, আসন বিন্যাস ও এডমিট কার্ড

    প্রিয় চাকরি প্রত্যাশীগণ ডাক অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর অব পোষ্ট অফিসেস লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। আজ ২৭ মে ২০২৪ তারিখে ডাক বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উক্ত পরীক্ষার তারিখ, আসন বিন্যাস ও পরীক্ষার বিবরণ প্রকাশ করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় গত ১৭মে ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়া ডাক বিভাগের ইন্সপেক্টর অব পোষ্ট অফিসেস / সমমান পদের বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ১৬০৬ জন প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা আগামী ৭ জুন ২০২৪ তারিখ শুক্রবার সকাল ১০:০০ টা হইতে বেলা ১১:৩০ পর্যন্ত মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ ঠিকানার পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

    এই লিখিত পরীক্ষায় বাংলায় ২০ নম্বর, ইংরেজিতে ২০ নম্বর, গণইতে ১৫ নম্বর, সাধারণ জ্ঞানে ১৫ নম্বর সহ সর্বমোট ৭০ নম্বর থাকবে এবং প্রশ্নর ধরন হবে লিখিত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর ধরনের যেখানে সর্বনিম্ন পাশ নম্বর ধরা হয়েছে ৫০ শতাংশ।

    ডাক বিভাগের ইন্সপেক্টর অব পোস্ট অফিসেস লিখিত পরীক্ষার এডমিট কার্ড:

    ডাক বিভাগের ইন্সপেক্টর অব পোস্ট অফিসেস প্রিলিমিনারি / বাছাই পরীক্ষায় ব্যাবহৃত এডমিট কার্ড টি এই লিখিত পরীক্ষার প্রবেশ পত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। এবং বাছাই পর্বের পরীক্ষায় প্রবেশপত্রে উল্লেখিত নির্দেশাবলী এই লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

    এক নজরে ডাক বিভাগের ইন্সপেক্টর অব পোষ্ট অফিসেস পদের লিখিত পরীক্ষা সময়সূচি ও আসন বিন্যাস দেখে নিন

    উল্লেখ্য যে ডাক অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর অব পোষ্ট অফিসেস পদ টি সরকারি বেতন স্কেল ১২তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। গত ১৭মে ২০২৪ তারিখে এই পদের এমসিকিউ টাইপ প্রিলিমিনারি বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবং এর ঠিক পর দিন গত ১৮ মে ২০২৪ তারিখে ডাক অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর অব পোষ্ট অফিসেস এর প্রিলিমিনারি বাছাই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় যেখানে সর্বমোট ১৬০৬ জন প্রার্থী উক্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

  • ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার তারিখ | 18th NTRCA Written Exam Date

    ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার তারিখ | 18th NTRCA Written Exam Date

    ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ NTRCA। আজ ২৭মে ২০২৪ তারিখে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করে সংস্থাটি। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী ১২ জুলাই শুক্রবার সকাল ৯:০০ টা থেকে দুপুর ১২ঃ০০ টা পর্যন্ত স্কুল এবং স্কুল পর্যায়-২ এর লিখিত পরীক্ষা এবং ১৩ জুলাই সকাল ৯:০০ টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা পর্যন্ত কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার সময়সূচী নিয়ে বিস্তারিত থাকছে এই পোস্টের বিজ্ঞপ্তিতে।

    আরও দেখুন: ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির রুটিন – স্কুল পর্যায় ও কলেজ পর্যায়
    আরও দেখুন: ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন ব্যাখ্যা সহ প্রশ্ন সমাধান
    আরও দেখুন: ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায়ের ব্যাখ্যা সহ প্রশ্ন সমাধান

    এক নজরে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষার তারিখ দেখুন

    18th NTRCA Written Exam Date

    এর আগে গত ১৫মার্চ ২০২৪ তারিখে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই দিনে সকালে স্কুল এবং স্কুল পর্যায়-২ এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং বিকালে কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৫মে ২০২৪ তারিখে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। যেখানে স্কুল পর্যায়ে ২ লাখ ২১ হাজার ৬৫২ জন, স্কুল পর্যায়-২ এ ২৯ হাজার ৫১৬ জন এবং কলেজ পর্যায়ের ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১৩ জন মিলিয়ে সর্বমোট ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

    আরও দেখুন: শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে শুরু করবেন
    আরও দেখুন: ১০তম থেকে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান

    উল্লেখ্য যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৯ জন পরীক্ষার্থী। যার মধ্য থেকে ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৩৩ জন পরীক্ষার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্বিক পাশের গড় হার ছিল ৩৫.৮ শতাংশ।

  • স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অডিট সুপার পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অডিট সুপার পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অডিট ইউনিটের অডিট সুপার পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ১০ম গ্রেডের এই নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বমোট ৪৭ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। লিখিত প্রার্থীদের আগামী ২৮ মে ২০২৪ তারিখ থেকে ১২ জুন ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত সরকারি ছুটির দিন ব্যাতিত সকাল ১০:০০ টা থেকে দুপুর ৩:০০ টা পর্যন্ত পরিচালক ইউনিট–৭ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় আগারগাও, শেরেবালা নগর, ঢাকা ১২০৭ বরাবর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে হাতে অথবা ডাকযোগে জমা দিতে হবে।

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অডিট ইউনিটের অডিট সুপার পদের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং প্রয়োজনীয় কাগজের তালিকা নিম্নরূপঃ

  • সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪

    সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২৪

    প্রিয় চাকরি প্রত্যাশীগণ সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন সংক্রান্ত আলোচনায় আপনাদের স্বাগতম। আপনারা জানেন যে আজ ২৪ মে ২০২৪ তারিখে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটিকর্পোরেশনের আওতাধীন মোট ৫৪টি কেন্দ্রে সকাল ১০:০০ ঘটিকা থেকে ১১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পূর্ণমান ছিল ১০০ নম্বর। যার মধ্যে ইংরেজি, বাংলা, সাধারণ গণিত সাধারণ জ্ঞাণ এবং বেসিক কম্পিউটার থেকে প্রশ্ন আসে।

    আজ রাত ১২ টা থেকে পরদিন রাত ১১:৫৯ ঘটিকা পর্যন্ত Live MCQ অ্যাাপে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্নের উপর ফ্রী লাইভ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    এক নজরে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন দেখুন

    Live MCQ টিম সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করার জন্য কাজ করছে। খুব শীঘ্রই আমাদের অ্যাাপ, ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেইজে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সমাধান প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশের প্রথম চাকরির লিখিত প্রস্তুতির অ্যাপ Live Written এ সমন্বিত ৭ ব্যাংক ক্যাশ অফিসার টেলর সহ সকল চাকরির লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অ্যাাপ টি ইন্সটল করুন। ৩৬ ঘণ্টায় লিখিত খাতা মূল্যায়ন সহ Live Written অ্যাাপে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৮ মে ২০২৪ তারিখ থেকে।

    উল্লেখ্য যে গত ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে ২০২১ সাল ভিত্তিক সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যার Job ID 10183। যেখানে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল সর্বমোট ২৪১৬টি যার মধ্যে সোনালি ব্যাংক লিঃ ১২২৯টি, জনতা ব্যাংক লিঃ ৪৪৫টি, অগ্রণী ব্যাংক লিঃ ৪৫৫টি, রূপালী ব্যাংক লিঃ ২০টি, বাংলাদেশ ডেভলাপমেন্ট ব্যাংক লিঃ ৪৪টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ২২২ টি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ১ টি পদ উল্লেখ করা হয়। এরপর প্রায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর গত ২৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়। এবং গত ২০মে ২০২৪ তারিখে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়।

  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বায়োকেমিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ২০২৪

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বায়োকেমিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ২০২৪

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়য়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বায়ো-কেমিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এই ২ টি পদই সরকারি বেতন স্কেল ৯ম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। যার মধ্যে বায়ো কেমিস্ট পদে ৬২ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। একই সাথে ফার্মাসিস্ট পদের লিখিত পরীক্ষায় ৭১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের Applicant Copy সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগামী ২৬ মে ২০২৪ তারিখ থেকে ১০ জুন ২০২৪ তারিখের মধ্যে সরকারি ছুটির দিন ব্যাতিত প্রতিদিন সকাল ১০:০০ মিনিট থেকে দুপুর ৩:০০ মিনিট এর মধ্যে সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা ১২০৭ বরাবর হাতে হাতে বা ডাকযোগে জমা প্রদান করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    এক নজরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বায়োকেমিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল দেখে নিন

  • বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা কি জেনে নিন

    বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা কি জেনে নিন

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অন্যতম মর্জাদাপূর্ণ একটি চাকরির নাম বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস)। একজন বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করার জন্য একজন প্রার্থীকে প্রতিযোগিতা করতে হয় হাজারো প্রার্থীর সাথে। তবুও এমন হতে দেখা গেছে একজন প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষার সবগুলো ধাপ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিসিএস ক্যাডার হতে পারেন নি। যার কারন হচ্ছে বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা সম্পর্কে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে না জানা।

    বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা বলতে আমরা শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা বুঝলেও শারীরিক যোগ্যতা, প্রার্থীর বয়স, নাগরিকত্ব ইত্যাদি যোগ্যতা রয়েছে। যেসবের একটিতেও যদি কোন প্রার্থী অযোগ্য বলে বিবেচিত হন তাহলে তাঁর বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যেতে পারে।

    বিসিএস ক্যাডার চয়েস লিস্ট তৈরি করার আগেই বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা সম্পর্কে জানা একজন প্রার্থীর জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই আর্টিকেল টি পড়ার পর বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা সম্পর্কে সকল কিছু জানতে পারবেন।

    বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা

    বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা কি কি ?

    বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা খুব বেশি জটিল কিছু নয়। খুব বড় ধরনের কোন সমস্যা না থাকলে বেশিরভাগ বিসিএস ক্যাডার পদগুলোর জন্য শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতার মাপকাঠি দিয়েই বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্যতা অর্জন করা যায়। তবে বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার জন্য যে যোগ্যতাগুলো একদম না থাকলেই নয় তা নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হল। এই যোগ্যতা ৫ টির মধ্যে রয়েছে –

    ১। শিক্ষাগত যোগ্যতা
    ২। শারীরিক যোগ্যতা
    ৩। বয়সসীমা
    ৪। নাগরিকত্ব
    ৫। স্বাস্থ্যগত যোগ্যতা

    নিম্নে এই যোগ্যতাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

    ১। বিসিএস পরীক্ষার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা:

    বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা টেকনিক্যাল / প্রফেশনাল ক্যাডার ভেদে ভিন্ন রকম হলেও শিক্ষার স্তর টি মূলত সবগুলোতে একইরকম। এক্ষেত্রে প্রার্থীকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি তে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক।

    • বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী (অনার্স) বা এইচ.এস.সি পরীক্ষার পর ৪ বছর মেয়াদী সমমানের ডিগ্রী অর্জন করতে হবে। যদি কোন প্রার্থী এইচ.এস.সি পরীক্ষা পাশের পর ৩ বছর মেয়াদী ডিগ্রী বা সমমানের কোর্স করেন তাহলে তাকে ডিগ্রী পাশের পর স্নাতকোত্তর পাশ (মাস্টার্স পাশ) করতে হবে। এবং এর পরেই এই প্রার্থীরা বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।
    • প্রার্থীর শিক্ষা জীবনের কোন স্তরেই একাধিক ৩য় বিভাগ / ৩য় শ্রেণি সমমানের জিপিএ থাকলে তিনি বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অর্থাৎ এস.এস.সি, এইচ.এস.সি এবং অনার্স বা সমমানের এই ৩ টি পরীক্ষা মিলিয়ে ১ টির বেশি ৩য় বিভাগ / ৩য় শ্রেণির নম্বর থাকলে সেই প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না।

    বর্তমানে জি.পি.এ সিস্টেম চালু হওয়ায় ১ম, ২য়, ৩য় (বিভাগ) এবং (শ্রেণি) নিয়ে অনেক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিসিএস পরীক্ষার জন্য কত পয়েন্ট লাগে এ নিয়ে একটি কনফিউশন তৈরি হতে পারে। বিষয় টি আরও সহজ ভাবে নিচের টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হল।

    এস.এস.সি / এইচ.এস.সি এর জন্য জিপিএ বের করার পদ্ধতি

    শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ
    প্রথম শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ ৩.০০ বা তদূর্ধ
    দ্বিতীয় শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ ২.০০ থেকে ২.৯৯ পর্যন্ত
    তৃতীয় শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ ১.০০ থেকে ১.৯৯ পর্যন্ত

    অনার্স বা সমমানের পরীক্ষার ক্ষেত্রে জিপিএ বের করার পদ্ধতি

    শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ
    প্রথম শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ ৩.০০ বা তদূর্ধ
    দ্বিতীয় শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ ২.২৫ থেকে ২.৯৯ পর্যন্ত
    তৃতীয় শ্রেণি / বিভাগজি.পি.এ ১.৬৫ থেকে ২.২৫ পর্যন্ত

    ২। বিসিএস পরীক্ষার জন্য শারীরিক যোগ্যতা:

    বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিকেল বোর্ডের সম্মুখে হাজির করা হয়। মেডিকেল বোর্ডে শারীরিক যোগ্যতার মাপকাঠিতে একজন প্রার্থী উত্তীর্ণ না হলে তিনি বিসিএস ক্যাডার হতে পারেন না। তাই বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীর শারীরিক যোগ্যতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণত পুরুষ ও মহিলা প্রার্থীদের জন্য শারীরিক যোগ্যতা ভিন্ন হয়ে থাকে। আবার পুলিশ ও আনসার ক্যাডার এবং অন্যান্য ক্যাডারদের জন্যও শারীরিক যোগ্যতা ভিন্ন হয়ে থাকে। শারীরিক যোগ্যতার প্রমাণের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষায় প্রার্থীদের ওজন-উচ্চতা, বক্ষ পরিমাপ, দৃষ্টিশক্তি, মূত্র পরীক্ষা ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়।

    বিভিন্ন ক্যাডার পদে পুরুষ ও নারী প্রার্থীদের ওজন, উচ্চতা ও বক্ষের পরিমাপের যোগ্যতা:

    পুরুষ প্রার্থীদের জন্য নূন্যতম উচ্চতা ও ওজন

    ক্যাডারনূন্যতম উচ্চতানূন্যতম ওজন
    বিসিএস পুলিশ / আনসার ক্যাডার১৬২.৫৬ সে.মি৫৪.৫৪ কেজি
    অন্যান্য ক্যাডার১৫২.৪০ সে.মি৪৫ কেজি

    নারী প্রার্থীদের জন্য নূন্যতম উচ্চতা ও ওজন

    ক্যাডারনূন্যতম উচ্চতানূন্যতম ওজন
    বিসিএস পুলিশ / আনসার ক্যাডার১৫২.৪০ সে.মি৪৫.৪৫ কেজি
    অন্যান্য ক্যাডার১৪৭.৩২ সে.মি৪০.৪০ কেজি

    প্রার্থীর বক্ষের পরিমাপের যোগ্যতা

    জুতা সহ উচ্চতা (সেঃ মিঃ)পূর্ণ প্রসারণের মাধ্যমে বক্ষ
    পরিমাপ (সেঃ মিঃ)
    সর্বোচ্চ প্রসারণের মাত্রা (সেঃ মিঃ)
    ১৫২.৪০ হইতে ১৬৫.১০ সেঃ মিঃ এর নিম্নে৭৬.২০৫.০৮
    ১৬৫.১০ হইতে ১৭২.৭২ সেঃ মিঃ এর নিম্নে৭৮.৭৪৫.০৮
    ১৭২.৭২ হইতে ১৭৭.৮০ সেঃ মিঃ এর নিম্নে৮১.২৮৫.০৮
    ১৭৭.৮০ হইতে ১৮২.৮৮ সেঃ মিঃ এর নিম্নে৮৩.৮২৫.০৮
    ১৮২.৮৮ সেঃ মিঃ হইতে তদুর্ধ্ব৮৬.৩৬৫.০৮

    উল্লেখিত উচ্চতা না থাকলে কোন প্রার্থী নিয়োগের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। তবে কোন প্রার্থীর বর্ণিত ওজন না থাকলে তিনি সাময়িক ভাবে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। এক্ষেত্রে ওজন কম হলে বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে Body Mass Index (BMI) এর মান আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উল্লেখ্য যে শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিধান সমূহ সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসরণ পূর্বক সম্পন্ন করা হবে।

    প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তির যোগ্যতা:

    বিসিএস পরীক্ষার শারীরিক যোগ্যতার মধ্যে প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তি জনিত যোগ্যতা অন্যতম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা একটি প্রচলিত সমস্যা। তাই প্রার্থীদের সচরাচর একটি জিজ্ঞাসা থাকে যে চশমা ব্যাবহার করেন এমন প্রার্থীরা দৃষ্টিশক্তির সমস্যা নিয়ে বিসিএস ক্যাডার হওয়া যাবে কিনা। বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দৃষ্টিশক্তির যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য ৩ টি মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। নিম্নে এই মানদণ্ড টি তুলে ধরা হল –

    মানদণ্ড ১

    দৃষ্টির ধরণডান চোখবাম চোখ
    দূর দৃষ্টি৬/৬৬/৬
    নিকট দৃষ্টি পঠন০.৬/টিআই/এন৫পঠন-০.৬/জেআই/এন৫

    মানদণ্ড ২

    দৃষ্টির ধরণডান চোখবাম চোখ
    দূর দৃষ্টি৬/৬গ্লাস/চশমা ছাড়া ৬/৬০ এর নিম্নে নহে সংশোধিত হওয়ার পর চশমা সহ ৬/১২ এর নিম্নে নহে
    নিকট দৃষ্টি পঠন০.৬/টিআই/এন৫পঠন-১/টি ২/এন৬

    মানদণ্ড ৩

    দৃষ্টির ধরণডান চোখবাম চোখ
    দূর দৃষ্টিচশমা ছাড়া ৬/৬০ এর নিম্নে নহেচশমা/গ্লাস ছাড়া ৬/৬০ এর নিম্নে নহে এবং সংশোধিত হওয়ার পর চশমা সহ ৬/১২ এর নিম্নে নহে
    নিকট দৃষ্টি পঠন০.৬/টিআই/এন৫পঠন-১/টি৪/এন৮

    দৃষ্টিশক্তি জনিত যোগ্যতা কোন ভাবেই শিথিলযোগ্য নয়। তবে গ্লাস বা চশমা ব্যাবহারের পরে যদি প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তি ঠিক থাকে তবে প্রার্থী দৃষ্টিশিক্তি জনিত যোগ্যতায় উত্তীর্ণ হবেন। তবে প্রার্থী যদি বর্ণান্ধ হন অর্থাৎ যদি কোন রঙ সঠিক ভাবে ধরতে না পারেন তবুও তিনি দৃষ্টিশক্তির বিবেচনায় যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে সেক্ষেত্রে এই তথ্য উনার রিপোর্টে উল্লেখ থাকতে হবে।

    ৩। বিসিএস পরীক্ষার জন্য বয়সসীমা:

    বিসিএস প্রস্তুতির শুরুতেই অনেক প্রার্থী বয়স নিয়ে চিন্তিত থাকেন। সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের নতুন বয়সসীমা এবং এবং বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা নিয়ে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক:

    • সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য সাধারণ প্রার্থীদের বয়সসীমা ২১ থেকে ৩০ বছর।
    • মুক্তিযোদ্ধা কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, স্বাস্থ্য ক্যাডার প্রার্থীদের জন্য এই বয়সসীমা এখন পর্যন্ত ৩২ বছর রাখা হয়েছে।
    • এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি) যে মাসে বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সে মাসের ১ তারিখ থেকে প্রার্থীর বয়স গণনা করা হয়।
    • স্বাস্থ্য ও কারিগরি শিক্ষা ক্যাডারের জন্য প্রার্থীদের বয়সসীমা আগেও ৩২ বছর ছিল এবং বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ীও এটি বহাল রয়েছে।
    • এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদপত্রে থাকা জন্মতারিখই প্রার্থীর আসল জন্মতারিখ এর প্রমাণ, হলফনামার মাধ্যমে বয়স প্রমাণের সুযোগ আর নেই।
    • বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চাকরির বয়স থাকাকালীন অবস্থায় একজন প্রার্থী যতবার ইচ্ছা বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

    ৪। বিসিএস পরীক্ষার জন্য নাগরিকত্বের যোগ্যতা:

    বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। অর্থাৎ বাংলাদেশের নাগরিক নয় এমন কোন ব্যাক্তি বিসিএস পরীক্ষায় অংশহগ্রহন করতে পারবেন না। শুধু তাই নয় সরকারের পুর্বানুমতি ব্যাতিরেকে কোন প্রার্থী কোন বিদেশি নাগরিক কে বিবাহ করলে বা বিবাহ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হইলে তিনি বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

    ৫। বিসিএস পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্যগত যোগ্যতা:

    বিসিএস প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও একজন প্রার্থী বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন থেকে ছিটকে পরতে পারে যদি তিনি স্বাস্থ্যগত ভাবে ফিট না হন। তাই বিসিএস প্রস্তুতি শুরু করার পূর্বেই এই বিষয় টি জেনে নেওয়া খুবই প্রয়োজন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পরবর্তীতে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই সহ বিভিন্ন মেডিকেল টেস্ট করার মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়ে থেকে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার এই ধাপগুলো নিম্নে দেওয়া হল:

    (ক) শারীরিক যোগ্যতা যাচাই: এ পর্যায়ে পর্যায়েই প্রার্থীর উজন, উচ্চতা এবং বুকের মাপ পরিমাপ করা হয়।
    (খ) দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা: এ পর্যায়ে উপরে উল্লেখিত দৃষ্টিশক্তি পরিমাপের মানদন্ড অনুসরণ করে প্রার্থীর চোখের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করে দেখা হয়।
    (গ) এক্স রে পরীক্ষা: এ পর্যায়ে সামনে এবং পিছন থেকে এক্স রে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থীর ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।
    (ঘ) ডোপ টেস্ট: এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী কোন প্রকার মাদক সেবনের সাথে জড়িত কিনা এটি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।
    (ঙ) রক্ত পরীক্ষা: স্বাস্থ্য পরীক্ষার এই পর্যায়ে প্রার্থীর রক্তে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থীর শরীরে বিভিন্ন রোগ যেমন হেপাটাইটিস বি ও সি, এবং এইচআইভি এর উপস্থিতি আছে কিনা পরীক্ষা করে দেখা হয়।

    (চ) রক্তচাপ পরীক্ষা: এ পর্যায়ে প্রার্থীর রক্তচাপ বা ব্লাডপ্রেশার পরীক্ষা করে দেখা হয় তার উচ্চরক্তচাপ বা নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা আছে কিনা।

    আরও দেখুন: বিসিএস প্রস্তুতি যেভাবে শুরু করবেন

    শেষকথা:

    বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতার মাপকাঠিতে নিজেকে যোগ্য হিসেবে প্রমাণ করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার একমাত্র লক্ষ্য যদি হয় বিসিএস ক্যাডার হওয়া, তবে বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতার সকল স্তরে নিজেকে যোগ্য হিসেবে প্রমান করার জন্য কাজ করতে হবে। আশাকরি এই আর্টিক্যাল টি পড়ার পর বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা নিয়ে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন।

    বিসিএস পরীক্ষার যোগ্যতা নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাস করা কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর:

    প্রশ্ন: বিসিএস স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কি কি টেস্ট করানো হয়?

    উত্তর:  বিসিএস স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সাধারণত প্রার্থীর ওজন, উচ্চতা, বক্ষের মাপ, দৃষ্টিশক্তির পরীক্ষা, মূত্র পরীক্ষা ইত্যাদি করানো হয়। যার মধ্যে কিছু রুটিন টেস্ট থাকে যেখানে সাধারণত প্রার্থীর রক্তচাপ, হেপাটাইটিস, এইচআইভি টেস্ট করানো হয় ।

    প্রশ্ন: বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার যোগ্যতা কি?

    উত্তর: বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সাধারণত যেসকল যোগ্যতা প্রয়োজন যেমন শিক্ষাগত যোগ্যতা, শারীরিক যোগ্যতা, বয়সসীমা, নাগরিকত্ব এই সকল যোগ্যতাই শিক্ষা ক্যাডার হওয়ার যোগ্যতার জন্য প্রযোজ্য। তবে যেহেতু শিক্ষা ক্যাডার একটি প্রফেশনাল ক্যাডার এবং প্রার্থীর স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নকৃত বিষয়ের উপর এটি নির্ভর করে সেহেতু প্রার্থী কোন বিষয়ে তার স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী অর্জন করেছেন সেটিও একটি যোগ্যতা। কারন সকল বিষয়ের জন্য শিক্ষা ক্যাডার পদ টি থাকে না।

    প্রশ্ন: বিসিএস পরীক্ষা দিতে কত পয়েন্ট লাগে?

    উত্তর: বিসিএস পরীক্ষা দিতে কোন নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা জিপিএ প্রয়োজন পরে না। প্রার্থীর এস.এস.সি, এইচ.এস.সি এবং অনার্স এই ৩ টি পর্যায়ে একাধিক তৃতীয় বিভাগ বা তৃতীয় শ্রেণির ফলাফল না থাকলেই একজন প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করবেন। এই আর্টিক্যালের শিক্ষাগত যোগ্যতা অংশে এটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 

    প্রশ্ন: বিসিএস পরীক্ষা কতবার দেওয়া যায়?

    উত্তর: একজন প্রার্থী তার চাকরির বয়স থাকা পর্যন্ত অর্থাৎ সাধারণ প্রার্থীদের জন্য বিসিএস পরীক্ষার বয়সীমা ২১ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত যতবার চান বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে কোটায় আবেদন করা প্রার্থীদের জন্য এই বয়স সীমা ৩২ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে।

  • সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কেন্দ্রর তালিকা প্রকাশ

    সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কেন্দ্রর তালিকা প্রকাশ

    সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আগামী ২৪ মে ২০২৪ তারিখে সকাল ১০.০০ ঘটিকা থেকে ১১.০০ ঘটিকা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী ১০০ নম্বরের এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে ইংরেজিতে ২৫, বাংলায় ২৫, সাধারণ গণিতে ২০, সাধারণ জ্ঞানে ২০ এবং বেসিক কম্পিউটার স্কিলে ২০ নম্বর রয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৫৪ টি কেন্দ্রে এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হবে। এই নিয়োগ পরীক্ষায় মোট শূন্য পদের সংখ্যা ২৪১৬ টি। ৫৪ টি কেন্দ্র তালিকা ও রোল নম্বর নিম্নে প্রকাশ করা হল।

    এর আগে গত ১২ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে ২০২১ সাল ভিত্তিক এই সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এবং পরবর্তীতে ২৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে সমন্বিত ৭ ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার টেলর পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। এই বিজ্ঞপ্তির Job ID 10183 এবং সরকারি বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত।

  • ডাক বিভাগের উপজেলা পোস্টমাস্টার পরীক্ষার তারিখ ও আসন বিন্যাস ২০২৪

    ডাক বিভাগের উপজেলা পোস্টমাস্টার পরীক্ষার তারিখ ও আসন বিন্যাস ২০২৪

    ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পরীক্ষার তারিখ ও আসন বিন্যাস এবং প্রবেশ পত্র ডাউনলোড সংক্রান্ত আলোচনায় আপনাদের স্বাগতম। সম্পুর্ণ তথ্য জানতে সম্পুর্ণ আর্টিকেল টি পড়ুন। ১১ জুলাই ২০২১ সালে ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্ট মাস্টারপদের নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি টি প্রকাশ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। সর্বমোট ২১ টি ক্যাটাগরিতে শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৬ নম্বর ক্যাটাগরিতে উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের জন্য শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ৯৬ টি।

    নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের পরীক্ষার তারিখ সংক্রান্ত কোন তথ্য জানা যায় নি। পরবর্তীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দীর্ঘদিন পরে ২০২৩ সালে ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোড সংক্রান্ত নির্দেশনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজবের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি ডাক বিভাগের নজরে আসলে গত ১৬মে ২০২৩ তারিখে ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের নিয়োগ পরীক্ষা সংক্রান্ত গুজবের প্রেক্ষিতে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংস্থাটি। এরূপ গুজব ছড়ানো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ উল্লেখ করে অনতিবিলম্বে ইলেক্ট্রনিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অপসারণের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ডাক বিভাগ।

    এরও প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলে গতকাল ১৯ মে ২০২০ তারিখে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচী, পরীক্ষার আসন বিন্যাস এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোড সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংস্থাটি।

    ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের বাছাই পরীক্ষার তারিখ:

    ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্ট মাস্টার পদের নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বপ্রথম ধাপটি বাছাই পরীক্ষা। এই পরীক্ষাটি আগামী ৩১মে শুক্রবার ২০২৪ তারিখে নির্ধারন করেছে সংস্থাটি। ঐদিন সকাল ১০:০০ ঘটিকা থেকে ১১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের লিখিত বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য যে এই পদের বাছাই পরীক্ষার জন্য সর্বমোট ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৯ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন।

    ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের বাছাই পরীক্ষার আসন বিন্যাস:

    একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য ২ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৭৯ জন প্রার্থীর ডাক বিভাগের পোষ্টমাসটার পদের বাছাই পরীক্ষার সিট প্লান / আসন বিন্যাস PDF ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন।

    ডাক অধিদপ্তরের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের বাছাই পরীক্ষার সময়সূচি, আসন বিন্যাস ও প্রবেশ পত্রের ডাউনলোড সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

    ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের বাছাই পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড লিংক:

    ইতোমধ্যে ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পদের এডিমিট কার্ড ডাউনলোড শুরু হয়ে গেছে। পরীক্ষা যেহেতু কহব সন্নিকটে দ্রুত আপনাদের প্রবেশপত্র টি ডাউনলোড করে নিন। প্রবেশপত্র ডাউনলোডের জন্য সর্বপ্রথম নিচের প্রদত্ত লিংকে প্রবেশ করুন। এবং নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে প্রবেশ পত্রটি ডাউনলোড করুন।

    ডাক বিভাগের উপজেলা পোষ্টমাস্টার পরীক্ষার এডমিট কার্ড ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট
    • এডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে সর্বপ্রথম নিচের এডমিট কার্ড ডাউনলোড লিংকে প্রবেশ করুন।
    • আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। (ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে Recover User ID অপশন থেকে আপনার নাম, আপনার বাবার নাম এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে আপনার ইউজার আইডি টি রিকোভার করুন।)
    • এরপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করে প্রবেশপত্রটি ডাউনলোড করুন। যেখানে আপনার পরীক্ষার কেন্দ্র এবং সময়সূচীও দেওয়া থাকবে।
  • বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নিয়োগ ২০২৪

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নিয়োগ ২০২৪

    প্রিয় চাকরি প্রত্যাশীগণ আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত আলোচনায় আপনাদের স্বাগতম। গত ১৬ মে ২০২৪ তারিখে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানি অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মোট ৬ ক্যাটাগরিতে ৭৪ টি শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংস্থাটি। যার মাধ্যমে সাঁটলিপিকার কাম কমিউটার অপারেটর (পিএ) ১ জন, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর ১ জন, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর ৪ জন, উচ্চমান সহকারী ৬ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ২১ জন, এবং অফিস সহায়ক ৪১ জন নিয়োগ প্রদান করা হবে।

    আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ এর বিস্তারিত

    • আবেদন শুরুর তারিখঃ ২০ মে ২০২৪ তারিখ
    • আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখঃ ৩১ জুলাই ২০২৪
    • অনলাইনে আবেদনের লিংকঃ http://ccie.teletalk.com.bd
    • আবেদনের বয়সসীমাঃ ১৮ থেকে ৩০ বছর
    • শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ স্নাতক
    • আবেদন ফীঃ ১১২ – ২২৩ টাকা

    এক নজরে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ দেখুন