প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF সংক্রান্ত ব্লগে আপনাদের স্বাগতম। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি বিভাগ। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অভিবাসন ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নিয়োগ, অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সংরক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে অধিকতর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে হাজারো চাকরির প্রার্থীগণ অংশগ্রহন করে থাকেন। নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করতে প্রয়োজন গোছানো প্রস্তুতি। এক্ষেত্রে আমরা বরাবরই উক্ত চাকরির বিগত সালগুলোতে আসা প্রশ্নসমূহ সমাধানের পরামর্শ দিয়ে থাকি। বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানের মাধ্যমে মূল পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তর ধারণা লাভ করা যায়। যা পরবর্তী পরীক্ষা প্রস্তুতিকে অনেকটাই সহজ করে তোলে।
প্রশ্নব্যাংকের গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা শুরু করেছি বিভিন্ন চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান সংক্রান্ত বিশেষ সিরিজ। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের ব্লগে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF ফরমেটে প্রকাশ করা হলো। পিডিএফটি আপনারা ডাউনলোড করে কিংবা প্রিন্ট করেও পড়তে পারবেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF ডাউনলোড করুন
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF
কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন
প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এর পূর্বে কাজী নজরুল ইসলাম সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃত হলেও তাঁকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা করে সরকারিভাবে কোনো গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক গেজেট প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এটি সবার অবগতির জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রজ্ঞাপিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ২৪ মে ১৯৭২ সালে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনা হয় এবং বসবাসের জন্য ধানমন্ডি ২৮ নম্বর পুরাতন সড়কের ৩৩০-বি বাড়িটি বরাদ্দ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে কাজী নজরুল ইসলাম-কে ১৯৭৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় এবং একই বছর তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মানসূচক পদক হিসেবে বিবেচিত।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট কবির মৃত্যুবরণের পর তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার ইচ্ছেনুযায়ি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়। পরবর্তীতে কাজী নজরুল ইসলাম-কে জাতীয় কবি হিসেবে সম্বোধন করে ‘কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৮’ জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, অবিভক্ত ভারতের কলকাতার এলবার্ট হলে সমগ্র বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু, বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, এস. ওয়াজেদ আলী, দীনেশ চন্দ্র দাশসহ অন্যান্য বরণ্যে ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে ১৯২৯ সালের ১০ ডিসেম্বর কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কাণ্ডারী’ এবং ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশে কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে দেয়া বাণীতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী/প্রধান উপদেষ্টাগণ কবিকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
যেহেতু বাংলাদেশের জনগণ কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রত্যাশা করে সেহেতু তাঁকে ঢাকায় আগমনের তারিখ ২৪ মে ১৯৭২ থেকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের প্রস্তাব উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদিত হওয়া সাপেক্ষে কাজী নজরুল ইসলাম-কে জাতীয় কবি স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এক নজরে কাজী নজরুল ইসলাম-কে জাতীয় কবি স্বীকৃতি দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন
৪৭তম বিসিএস ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা — নতুন রুটিন
প্রিয় ব্যবহারকারীগণ, আশা করি ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং পড়াশোনার সাথেই আছেন। পিএসসির ঘোষণা অনুসারে, আগামী নভেম্বরে ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। বিগত ১০ বিসিএসে এবারেই প্রথম পদ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৩৫০০) বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সুতরাং, এখন থেকেই বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির উপর জোর দেওয়া উচিত।
পিএসসি প্রদত্ত বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো ‘ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা’ এবং এই অংশ থেকে ১০ নম্বর থাকে। নিয়মিত পড়াশোনা ও চর্চার মধ্যে থাকলে এই অংশে সহজেই ৮/৯ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
আপনার প্রস্তুতির সুবিধার্থে Live MCQ অ্যাপে Subject Care বাটনে বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য সারাবছর চক্রাকারে পরীক্ষা চলমান থাকে। ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অংশের জন্যও রয়েছে বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির ব্যবস্থা।
৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই পার্টের জন্য নতুনভাবে রুটিন প্রদান করা হচ্ছে। বিসিএসের সিলেবাসকে ছোট ছোট ভাগ করে ১১টি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে; সাথে রয়েছে ক্লাস ও লেকচার PDF।
রুটিনে থাকছে
মোট লাইভ পরীক্ষা: ১৯টি
ভূগোল অংশের পরীক্ষা: ১১টি
নৈতিকতা অংশের পরীক্ষা: ৮টি
ভিডিয়ো ক্লাস ও লেকচার PDF: ২৫টি
সেন্ট্রাল আর্কাইভ এবং টপিকগুরু প্রশ্নসংখ্যা: ১৪,৫০০+ (অথেনটিক রেফারেন্স থেকে ব্যাখ্যাসহ)
লাইভ পরীক্ষা শুরু: ৫ জানুয়ারি, ২০২৫
টপিকগুরু ও Random Quiz থেকে যত খুশি কুইজ দেওয়ার সুযোগ
তাছাড়া Live MCQ অ্যাপে রুটিন অনুসারে সারাবছর চক্রাকারে পরীক্ষা চলমান থাকে। তাই, নিশ্চিন্তে যেকোনো সময়ে জয়েন করুন। নির্দিষ্ট সময়ে আপনার সিলেবাস কাভার হয়ে যাবে।
প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়া প্রার্থীদের পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদনের সুযোগ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ৪৩তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়া ২২৭ জন পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া পুনর্বিবেচনার আবেদন করার সুযোগ সকলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে বলেও জানানো হয়।
প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF সংক্রান্ত ব্লগে আপনাদের স্বাগতম। পল্লী উন্নয়ন এবং কৃষি সমবায় সংগঠনসমূহ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ একটি সরকারি সংস্থা। এই সংস্থাটি পল্লী কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প পরিচালনা করে থাকে। এই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীন জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা হয়।
আপনারা জানেন সকল প্রকার সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতেই চাকরির প্রার্থীগণ বিভিন্ন পদে চাকরির আবেদন করছেন। সেই সাথে নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর জন্য নিয়মিত প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যেকোন নিয়োগ পরীক্ষা প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আমরা বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। কেননা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিগত সাল থেকে প্রশ্ন কমন পড়ার পাশাপাশি এর মাধ্যমে মূল পরীক্ষার প্রশ্ন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারাণা পাওয়া যায় যা পরবর্তী প্রস্তুতিকে অনেকটাই সহজ করে তোলে।
বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান এর গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা শুরু করেছি বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক সমাধান সংক্রান্ত বিশেষ সিরিজ। এরই প্রেক্ষিতে আজকের ব্লগে অথেনটিক রেফারেন্স এবং ব্যাখ্যাসহ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF ফরমেটে প্রকাশ করা হলো। পিডিএফটি আপনারা ডাউনলোড করে কিংবা প্রিন্ট করেও পড়তে পারবেন।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF ডাউনলোড করুন
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF
প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF সংক্রান্ত ব্লগে আপনাদের স্বাগতম। পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দারিদ্র বিমোচন এর লক্ষ্যে গঠিত একটি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান। বেশিরভাগ চাকরি প্রত্যাশীদের মূল লক্ষ্যই থাকে সরকারি বিভিন্ন খাতে নিয়োগ পাওয়া। ফলে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষাগুলো অধিক প্রতিযোগীতাপূর্ণ হয়ে উঠছে।
আপনারা জানেন যেকোন প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষায় কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন গোছানো এবং কার্যকর প্রস্তুতি। এক্ষেত্রে আপনি যতোটা গুছিয়ে প্রস্তুতি নিবেন আপনার প্রস্তুতি ততটাই কার্যকর হবে। যা আপনার কাঙ্খিত ফলাফল অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আমরা শুরুতেই বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানের পরামর্শ দিয়ে থাকি। বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানের মাধ্যমে প্রস্তুতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
প্রশ্নব্যাংকের গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা শুরু করেছি বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান সংক্রান্ত বিশেষ সিরিজ। এরই প্রেক্ষিতে আজকের ব্লগে অথেনটিক রেফারেন্স এবং ব্যাখ্যাসহ পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF ফরমেটে প্রকাশ করা হলো। পিডিএফটি আপনারা ডাউনলোড করে কিংবা প্রিন্ট করেও পড়তে পারবেন।
প্রিয় চাকরির প্রত্যাশীগণ দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF সংক্রান্ত ব্লগে আপনাদের স্বাগতম। দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, ও দুর্নীতি প্রতিরোধে গঠিত একটি কমিশন। বর্তমানে দুদকের বিভিন্ন পদের চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে অনেক প্রার্থীগণই অংশগ্রহন করছেন। আপনারা জানেন যেকোন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রেই প্রয়োজন গোছানো প্রস্তুতি।
আপনার প্রস্তুতি যতোটা গোছানো হবে ততটাই আত্মবিশ্বাসের সাথে মূল পরীক্ষায় কাঙ্খিত ফলাফল অর্জনের দিকে এগোতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিয়োগ পরীক্ষাগুলোর প্রস্তুতির শুরুতেই আমরা বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানের পরামর্শ দিয়ে থাকি। বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানের মাধ্যমে মূল পরীক্ষার প্রশ্নের ধরণ, মান-বন্টন এবং সে অনুসারে কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে এ বিষয়গুলো আপনার কাছে স্পষ্ট হবে।
প্রশ্নব্যাংকের গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা শুরু করেছি বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান সংক্রান্ত বিশেষ সিরিজ। এরই প্রেক্ষিতে আজকের ব্লগে দুর্নীতি দমন কমিশন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF ফরমেটে প্রকাশ করা হলো। পিডিএফটি আপনারা ডাউনলোড করে কিংবা প্রিন্ট করেও সংরক্ষণ করতে পারবেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান PDF
প্রিয় চাকরি প্রত্যাশীগণ, আপনাদের জন্য সুসংবাদ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক পরিচালিত বিসিএস ব্যাতীত নন-ক্যাডার পদ এবং সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত / আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, স্ব-শাসিত, সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন কর্পোরেশনের বিভিন্ন গ্রেডভুক্ত পদের নিয়োগ পরীক্ষার ফি পুনঃনির্ধারন করা হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে তথ্যটি নিশ্চিত করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে থাকা অর্থ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নতুন পরীক্ষা ফি
পদের গ্রেড
পরীক্ষা ফি হার (টাকা)
৯ম গ্রেড বা তদুর্ধ (নন ক্যাডার)
২০০/- (দুইশত টাকা)
১০ম গ্রেড
২০০/- (দুইশত টাকা)
১১তম থেকে ১২তম গ্রেড
১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা)
১৩তম গ্রেড
১০০/- (একশত টাকা)
১৭তম – ২০তম গ্রেড
৫০/- (পঞ্চাশ টাকা)
সকল গ্রেড (অনগ্রসর নাগরিক)
৫০/- (পঞ্চাশ টাকা)
এক নজরে প্রজ্ঞাপন (DFlip)
[dflip id=”17960″][/dflip]
পুনঃনির্ধারিত ফি সংক্রান্ত শর্তাবলি
ক) টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন ও পরীক্ষা ফি গ্রহণ করা যাবে। সেক্ষেত্রে পরীক্ষা ফি বাবদ সংগৃহীত অর্থের সর্বোচ্চ ১০% কমিশন হিসেবে টেলিটককে প্রদান করা যাবে এবং কমিশনের ১৫% ভ্যাট দিতে হবে। উদাহরণ: ১৩–১৬ গ্রেডে নির্ধারিত ১০০ টাকার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ টাকা কমিশন এবং ১.৫ টাকা ভ্যাট—সর্বোচ্চ আদায়যোগ্য মোট = ১০০ + ১০ + ১.৫ = ১১২ টাকা।
খ) টেলিটক কর্তৃক ফি গ্রহণের পরবর্তী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে জমা প্রদান করবে; প্রতিষ্ঠানটি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করবে (স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে নিজস্ব হিসাবে জমা করতে পারবে)।
গ) অনলাইন আবেদন গ্রহণ না করা হলে পরীক্ষা ফি চালানের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে; স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডারে গ্রহণ করতে পারবে।
ঘ) পরীক্ষা ফি বাবদ আদায়কৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ১৩-ডিজিট প্রাতিষ্ঠানিক কোড ও নতুন ৭-ডিজিট অর্থনৈতিক কোড 1422326 এ অটোমেটেড চালানে সরকারি কোষাগারে জমা করতে হবে।
ঙ) কোনো প্রতিষ্ঠান ম্যানুয়াল চালান (টিআর ফরম) ব্যবহার করলে “প্রাতিষ্ঠানিক কোড (৪ অঙ্ক) – পরিচালনা কোড (৪ অঙ্ক) – অর্থনৈতিক কোড (২০৩১)” স্কিমে জমা করতে হবে।
প্রিয় চাকরির প্রার্থীগণ ৪৩তম বিসিএস নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকারী কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নতুন প্রজ্ঞাপন অনুসারে বাদ পড়েছেন ১৬৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৬ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৩ জন এবং পুলিশ ক্যাডারে ৮ জন প্রার্থী বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। ৪৩তম বিসিএস নতুন প্রজ্ঞাপন অনুসারে চূড়ান্ত নিয়োগ পেয়েছেন মোট ১,৮৯৬ জন প্রার্থী। গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে পিএসসি কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
[dflip id=”17947″][/dflip]
এর পূর্বে ৪৩ বিসিএস থেকে ২,১৬৩ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল পিএসসি। পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ২,০৬৪ জন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন ক্যাডারে ৯৯ জন প্রার্থীর সুপারিশ বাতিল করা হয়। সব মিলিয়ে ৪৩তম বিসিএস থেকে মোট বাদ পড়েছেন ২৬৭ জন প্রার্থী।
প্রিয় চাকরি প্রার্থীগন ১৭তম বিজেএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। আজ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয় টি স্পষ্ট করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের প্রবেশ পদ (সহকারী জজ) পদের এই নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ধাপে সর্বমোট ৪১৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
একই বিজ্ঞপ্তিতে বিজেএস পরীক্ষার লিখিত অংশে উত্তীর্ণ ৪১৫ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে আগামী ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত ধাপে ধাপে নির্দিষ্ট রোল নম্বরধারী প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকল প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষাই কমিশন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
১৭তম বিজেএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি