বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৯৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণের হার মোট পরীক্ষার্থীর ৩১ শতাংশ।
📊 এক নজরে ফলাফলের তথ্য
✅ মোট উত্তীর্ণ: ১৪,৯৪২ জন
📈 পাশের হার: ৩১%
👥 মোট আবেদনকারী: ৫৩,০৬৯ জন
🪑 শূন্যপদ: ১১,১৫১টি
🗓️ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত: ১৮ এপ্রিল ২০২৬
📢 ফল প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার)
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) পরীক্ষা-২০২৬ এর এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় মোট ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী অনলাইনে আবেদন করেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৮ হাজার ১৪৬ জন। এ এমসিকিউ পরীক্ষার ফল ২২ এপ্রিল অপরাহ্নে প্রকাশ করা হয়। পদভিত্তিক উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বরগুলো (মেধাক্রম অনুযায়ী নয়) এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে (https://ntrca.gov.bd) প্রকাশ করা হলো।
সম্পূর্ণ ফলাফল দেখুন:
উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের টেলিটক থেকে এসএমএস’র মাধ্যমে ফল জানানো হবে। এছাড়া প্রার্থীরা NTRCA-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের রোল নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল দেখতে পারবেন।
বাংলাদেশের সরকারি প্রশাসন ব্যবস্থায় অফিস সহকারী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ। দেশের সকল সরকারি দফতর, মন্ত্রণালয়, অধিদফতর এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে এই পদধারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশাসনিক কার্যক্রমকে সুচারু রাখতে অফিস সহকারীর ভূমিকা অপরিহার্য।
যারা সরকারি চাকরির প্রতি আগ্রহী, তাদের জন্য অফিস সহকারী পদ সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান থাকা জরুরি। আজকের আর্টিকেলে অফিস সহকারী পদের পরিচয়, কাজের ধরন, পার্থক্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
অফিস সহকারী কি?
অফিস সহকারী হলো বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বাজেটভুক্ত একটি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি পদ। জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম থেকে ১৬তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। এটি মূলত একটি ক্লেরিক্যাল বা কেরানি-সংশ্লিষ্ট পদ, যেখানে কম্পিউটার অপারেটিং, টাইপিং, ফাইল ব্যবস্থাপনা ও দাফতরিক সহায়তামূলক কাজ সম্পাদন করা হয়।
বিভিন্ন সরকারি অফিসে এই পদের নামকরণ একটু ভিন্ন হতে পারে- যেমন “অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক” বা “অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর”। তৃতীয় শ্রেণির চাকরিগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি ব্লগটি দেখুন।
বিষয়
বিবরণ
পদমর্যাদা
তৃতীয় শ্রেণি
গ্রেড
১৩তম – ১৬তম
নিয়োগকর্তা
বাংলাদেশ সরকার
শিক্ষাগত যোগ্যতা
এইচএসসি বা সমমান
অফিস সহকারীর কাজ কি?
অফিস সহকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য বহুমুখী। প্রতিটি সরকারি অফিসে দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পাদনে তারা সরাসরি ভূমিকা পালন করেন। তাদের প্রধান কাজগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
কম্পিউটারে বাংলা ও ইংরেজিতে চিঠি, নোটিশ, প্রতিবেদন টাইপ এবং মুদ্রণ করা।
অফিসের নথিপত্র, ফাইল ও রেকর্ড সংগঠিত করা এবং সংরক্ষণ করা।
ডাক, ই-মেইল ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ পরিচালনা করা।
অফিস আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, স্মারকলিপি তৈরি ও বিতরণ করা।
তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংকলন ও ডেটা এন্ট্রি করা এবং হালনাগাদ রাখা।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অনুযায়ী দাফতরিক সহায়তা প্রদান করা।
বিভিন্ন মিটিং বা সভার কার্যবিবরণী (Minutes) প্রস্তুত করা।
দর্শনার্থীদের সাথে প্রাথমিক যোগাযোগ রক্ষা করা এবং তাদের সহায়তা করা।
সরকারি হিসাবপত্র ও বাজেট-সংক্রান্ত কাজে সহায়তা করা।
অফিসের যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করা।
অফিস সহকারী ও অফিস সহায়কের পার্থক্য
অনেকেই “অফিস সহকারী” ও “অফিস সহায়ক” পদ দুটি নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন। কিন্তু এই দুটি পদ সম্পূর্ণ আলাদা- পদমর্যাদা, কাজের ধরন ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সবদিক থেকেই পার্থক্য রয়েছে।
বিষয়
অফিস সহকারী
অফিস সহায়ক
পদমর্যাদা
তৃতীয় শ্রেণি
চতুর্থ শ্রেণি
গ্রেড
১৩তম – ১৬তম
১৭তম – ২০তম
কাজের ধরন
ক্লেরিক্যাল / কম্পিউটার কাজ
শারীরিক / সহায়তামূলক কাজ
শিক্ষাগত যোগ্যতা
এইচএসসি বা সমমান
অষ্টম বা এসএসসি
দায়িত্ব
টাইপিং, ফাইলিং, ডেটা এন্ট্রি
ডাক বিতরণ, অফিস পরিষ্কার
পূর্বতন নাম
ক্লার্ক / কেরানি
পিয়ন / এমএলএসএস
অফিস সহকারী থেকে পদোন্নতি
অফিস সহকারী পদ থেকে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে, তবে তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দফতরের নীতিমালা, পদ শূন্যতা ও কর্মীর কর্মদক্ষতার উপর। সাধারণ পদোন্নতির ধারাক্রম নিচে দেওয়া হলো:
ধাপ
পদের নাম
গ্রেড / মন্তব্য
১ম
অফিস সহকারী
গ্রেড ১৩–১৬ | তৃতীয় শ্রেণি | প্রারম্ভিক পদ
২য়
উচ্চমান সহকারী / সিনিয়র সহকারী
গ্রেড ১১–১২ | বিভাগীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে
৩য়
অফিস সুপারিনটেন্ডেন্ট
গ্রেড ৯–১০ | দ্বিতীয় শ্রেণি
৪র্থ
প্রশাসনিক কর্মকর্তা
গ্রেড ৭–৮ | দীর্ঘমেয়াদি অভিজ্ঞতায়
পদোন্নতির জন্য বিভাগীয় পরীক্ষা পাস করা, নির্ধারিত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা এবং বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) সন্তোষজনক থাকা আবশ্যক।
বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
নিম্নে অফিস সহকারী পদ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলো এবং উত্তর দেওয়া হলো
অফিস সহকারী কত তম গ্রেড?
অফিস সহকারী ১৬ তম গ্রেড।
অফিস সহকারী মানে কি?
“অফিস সহকারী” বলতে এমন একজন কর্মীকে বোঝায়, যিনি একটি অফিসের দৈনন্দিন কাজকর্মে সাহায্য করেন।
অফিস সহকারী এর কাজ কি?
অফিস সহকারী ফাইল সাজানো ও সংরক্ষণ, ডকুমেন্ট টাইপ বা কপি করা এবং চিঠিপত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে। পাশাপাশি অফিস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ও কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে।
উপসংহার
অফিস সহকারী পদটি বাংলাদেশের সরকারি প্রশাসনের একটি মেরুদণ্ডস্বরূপ। এই পদের মাধ্যমে সরকারি সেবা সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা, কম্পিউটার জ্ঞান এবং নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে এই পদ থেকে উচ্চতর পদে পদোন্নতির সুযোগ উন্মুক্ত হয়।
সুতরাং যারা সরকারি চাকরিতে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য অফিস সহকারী পদ একটি সম্মানজনক ও সুরক্ষিত সূচনাবিন্দু হতে পারে। সঠিক প্রস্তুতি, পরিশ্রম ও দক্ষতার মাধ্যমে এই পদ থেকে ধাপে ধাপে উপরে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
আশা করি, অফিস সহকারী পদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এবার, অহিস সহকারী চাকরির প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে Live MCQ™ অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
যেকোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সব কিছু এই মন্ত্রণালয় করে থাকে। তবে অনেকেই এই মন্ত্রণালয়ের কাজ, কাঠামো এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিকভাবে জানেন না। আপনি যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে চাকরি করতে চান, তাহলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
আজকের এই ব্লগে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কী, এটি কীভাবে কাজ করে এবং সকল বিষয়গুলো ধাপে ধাপে আলোচনা করব। আশা করি, সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য এই লেখাটি একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড হিসেবে কাজ করবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচিতি
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Ministry of Home Affairs) দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সর্বোচ্চ সরকারি প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই এই মন্ত্রণালয়টি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোর মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে।
মন্ত্রণালয়টি ঢাকার সচিবালয়ে অবস্থিত এবং একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। মন্ত্রীর অধীনে একজন সিনিয়র সচিব বা সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তর ও বিভাগ। বাংলাদেশের সকল মন্ত্রণালয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়সমূহব্লগটি দেখতে পারেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রধান প্রতিষ্ঠানসমূহ
বাংলাদেশ পুলিশ — দেশের প্রধান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB) — অপরাধ দমনে বিশেষায়িত বাহিনী
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি) — গ্রামীণ নিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী
কারা অধিদপ্তর — দেশের কারাগার ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স — অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর — বিদেশ গমন ও পাসপোর্ট সেবা
এই প্রতিষ্ঠানগুলো একসাথে কাজ করে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মূলত দুটি বিভাগে বিভক্ত- জননিরাপত্তা বিভাগ এবং সুরক্ষা সেবা বিভাগ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ কী
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। শুধু পুলিশ পরিচালনা নয়, এই মন্ত্রণালয় দেশের সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বহন করে। নিচে মন্ত্রণালয়ের প্রধান কার্যক্রমগুলো তুলে ধরা হলো:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা
দেশের প্রতিটি এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা মন্ত্রণালয়ের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব। পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এ কাজটি পরিচালিত হয়। বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কার্যক্রম দমনে মন্ত্রণালয় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
সীমান্ত নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো হলো- বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণ করা, পাসপোর্ট ও ভিসা প্রদান এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা । অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং মানব পাচার প্রতিরোধেও মন্ত্রণালয় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
কারা ব্যবস্থাপনা
আদালত কর্তৃক দণ্ডিত ব্যক্তিদের কারাগারে রাখা এবং তাদের সংশোধনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। কারা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন কারাগার পরিচালনা, কয়েদিদের পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
দুর্যোগ ও অগ্নিনির্বাপণ
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মাধ্যমে আগুন লাগা, ভূমিকম্প বা যেকোনো দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলা করা হয়। এছাড়াও নাগরিকদের দুর্যোগকালীন সচেতনতা বৃদ্ধিতেও মন্ত্রণালয় কাজ করে।
স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী পরিচালনা
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি) পরিচালনার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। এই বাহিনী গ্রামাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহায়তা করে এবং বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা প্রদান করে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান পদসমূহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নানা ধরনের পদে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। পদগুলো মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত — কর্মকর্তা পদ (১ম ও ২য় শ্রেণি) এবং কর্মচারী পদ (৩য় ও ৪র্থ শ্রেণি)।
পদের নাম
শ্রেণি
নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ
সচিব / সিনিয়র সচিব
১ম শ্রেণি
রাষ্ট্রপতি / মন্ত্রিপরিষদ
অতিরিক্ত সচিব
১ম শ্রেণি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
যুগ্ম সচিব
১ম শ্রেণি
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
উপসচিব
১ম শ্রেণি
পিএসসি / বিসিএস ক্যাডার
সিনিয়র সহকারী সচিব
২য় শ্রেণি
পিএসসি
সহকারী সচিব
২য় শ্রেণি
পিএসসি
সাঁটলিপিকার (স্টেনোগ্রাফার)
৩য় শ্রেণি
মন্ত্রণালয়
অফিস সহকারী / কম্পিউটার অপারেটর
৩য় শ্রেণি
মন্ত্রণালয়
অফিস সহায়ক / এমএলএসএস
৪র্থ শ্রেণি
মন্ত্রণালয়
এছাড়াও অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলো- যেমন পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিস- তাদের নিজস্ব পদক্রমে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দেয়। পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল থেকে শুরু করে ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) পর্যন্ত বিভিন্ন পদ রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়োগ প্রক্রিয়া
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া বেশ কয়েকটি ধাপে পরিচালিত হয়। পদের শ্রেণিভেদে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ভিন্ন হয়ে থাকে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সাধারণত জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.mha.gov.bd) প্রকাশিত হয়।
ধাপ ১: বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জাতীয় পত্রিকা ও অনলাইনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পদের নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা ও আবেদনের তারিখ উল্লেখ থাকে।
ধাপ ২: অনলাইনে আবেদন
প্রার্থীরা সাধারণত অনলাইনে আবেদন করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টেলিটক সিমের মাধ্যমে বা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হয় এবং পরীক্ষার ফি জমা দিতে হয়।
ধাপ ৩: লিখিত পরীক্ষা
আবেদন বাছাইয়ের পর প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। ১ম শ্রেণির পদের জন্য বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়।
ধাপ ৪: শারীরিক পরীক্ষা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের মতো বাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। উচ্চতা, বুকের মাপ, দৌড় ও শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে পরবর্তী ধাপে অংশ নেওয়া যায় না।
ধাপ ৫: মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা)
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়। এখানে প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, মনোভাব, দেশ সম্পর্কে জ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করা হয়।
ধাপ ৬: পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং চিকিৎসকের দ্বারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সব ধাপে উত্তীর্ণ হলে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এর মাধ্যমে হয়।
বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ কী কী?
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ হলো দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, পুলিশ ও আনসার বাহিনী পরিচালনা করা, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট সেবা প্রদান করা, কারাগার ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করা, ফায়ার সার্ভিস পরিচালনা করা এবং দেশের নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ পদ কোনটি?
উত্তর: প্রশাসনিক দিক থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ সরকারি কর্মকর্তার পদ হলো সিনিয়র সচিব বা সচিব। তবে রাজনৈতিকভাবে মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, যিনি সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উপসংহার
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাপক কার্যক্রমধর্মী মন্ত্রণালয়গুলোর একটি। এই মন্ত্রণালয় শুধু পুলিশ পরিচালনা নয়, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোয় পরিচালনা করে।
যারা এই মন্ত্রণালয় বা এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি করতে আগ্রহী, তাদের উচিত নিয়মিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করা, নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখা এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া।
মনে রাখবেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি মানে শুধু একটি পেশা নয়- এটি দেশের নাগরিকদের সেবা করার এবং জাতীয় নিরাপত্তায় অবদান রাখার একটি মহৎ সুযোগ। সঠিক প্রস্তুতি ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে যেকোনো যোগ্য প্রার্থী এই মন্ত্রণালয়ে তার কাঙ্ক্ষিত পদে নিযুক্ত হতে পারেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে সকল সরকারী চাকরি প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে Live MCQ™ অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একাধিক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত আছে। প্রতিটি মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে। দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে কৃষি, যোগাযোগ ও পররাষ্ট্র নীতি পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আজকের আর্টিকেলে– আমরা বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়সমূহের পরিচয়, তাদের কার্যাবলি, এবং মন্ত্রণালয়ে চাকরির সুযোগ ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। আশা করি যারা সরকারি চাকরিতে আগ্রহী বা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চান তাদের অনেক বেশি উপকারে আসবে।
মন্ত্রণালয় সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
মন্ত্রণালয় হলো সরকারের একটি প্রশাসনিক বিভাগ, যা একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে পরিচালিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে কাজ করে।
প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের একজন মন্ত্রী থাকেন, যিনি মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী। মন্ত্রীকে সহায়তা করেন সচিব ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। মন্ত্রণালয় নীতি প্রণয়ন করে এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাগুলো সেই নীতি বাস্তবায়ন করে।
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়সমূহের তালিকা
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ৪৩টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। নিচে সেগুলোর সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হলো:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
অর্থ মন্ত্রণালয়
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
কৃষি মন্ত্রণালয়
খাদ্য মন্ত্রণালয়
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
শিল্প মন্ত্রণালয়
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
রেলপথ মন্ত্রণালয়
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
ভূমি মন্ত্রণালয়
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
চিনি ও খাদ্য শিল্প বিভাগ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
সংসদ বিষয়ক বিভাগ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়ের কাজ
প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট কার্যপরিধি রয়েছে। নিচে প্রধান কিছু মন্ত্রণালয়ের কাজের বিবরণ দেওয়া হলো:
অর্থ মন্ত্রণালয়
জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন
রাজস্ব নীতি নির্ধারণ
সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা
ব্যাংকিং ও বীমা খাত নিয়ন্ত্রণ
বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান ব্যবস্থাপনা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা নীতি প্রণয়ন
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনা
শিক্ষা কারিকুলাম উন্নয়ন
শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ
বৃত্তি ও শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
জনস্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন
হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনা
ওষুধ নিয়ন্ত্রণ ও মান নিশ্চিতকরণ
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনা
মহামারী নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও পুলিশ বাহিনী পরিচালনা
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) তদারকি
পাসপোর্ট ও ভিসা ব্যবস্থাপনা
কারা পরিদপ্তর পরিচালনা
জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবস্থাপনা
কৃষি মন্ত্রণালয়
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির নীতি প্রণয়ন
কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণ
সার ও কীটনাশক ব্যবস্থাপনা
কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও ঋণ সহায়তা
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি পরিচালনা
বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস পরিচালনা
বৈদেশিক চুক্তি ও সন্ধি সম্পাদন
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সেবা
আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব
মন্ত্রণালয়ের চাকরি প্রক্রিয়া
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়গুলোতে চাকরির সুযোগ বেশ ব্যাপক। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রার্থীরা মন্ত্রণালয়ে চাকরি পেতে পারেন।মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য চাকরির প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে- আমাদের শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি ব্লগটি দেখতে পারেন।
নিয়োগ পদ্ধতি
মন্ত্রণালয়ে দুই ধরনের নিয়োগ হয়ে থাকে:
বিসিএস (BCS) পরীক্ষার মাধ্যমে- প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদে
সরাসরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে- তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে
এছাড়াও পদোন্নতির মাধ্যমে- নিম্নপদ থেকে উচ্চপদে এবং চুক্তিভিত্তিক- বিশেষ প্রকল্পের জন্য মাধ্যমে নিয়োগ হয়ে থাকে।
আবেদন প্রক্রিয়া
মন্ত্রণালয়ে চাকরির আবেদন করতে হলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়:
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd), (alljobs.teletalk.com.bd) বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করে যোগ্যতা যাচাই করুন
অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করুন
নির্ধারিত ফি টেলিটক/অন্যান্য মাধ্যমে পরিশোধ করুন
প্রবেশপত্র ডাউনলোড করুন এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করুন
পরীক্ষার ধাপসমূহ
মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা সাধারণত নিচের ধাপে অনুষ্ঠিত হয়:
ধাপ ১: প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (MCQ) পদ এবং গ্রেডের উপড়ে ভিত্তি করে মন্ত্রণালয়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষাগুলোর সিলেবাস এবং মান নির্ধারণ হয়ে থাকে। সাধারণ বেশিরভাগ প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পূর্ণমান ১০০ হয়ে থাকে। পাশ মার্ক ৫০% হয়ে থাকে। বিসিএস প্রিলিমিনারি ২০০ নম্বরের হয়ে থাকে।
ধাপ ২: লিখিত পরীক্ষা পদের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়গুলোর লিখিত পরীক্ষার মান ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে, বেশিরভাগ মন্ত্রণালয়ের লিখিত পরীক্ষা ১০০ নম্বরের হয়ে থাকে। বিসিএস সাধারণ / প্রফেশনাল লিখিত পরীক্ষা ৯০০ নম্বরের হয়ে এবং উভয় বিসিএস লিখিত পরীক্ষা ১২০০ নম্বরের হয়ে থাকে।
ধাপ ৩: মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা। এখানে প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, বিষয়জ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞান যাচাই করা হয়। চূড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরিতে এই নম্বর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ধাপ ৪: স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ যাচাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হয়। এরপর নিয়োগপত্র প্রদান করা হয় এবং প্রার্থীরা নির্ধারিত মন্ত্রণালয়ে যোগদান করতে পারেন।
বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয় কয়টি? বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ৪৩টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ রয়েছে। তবে সরকার পরিবর্তন বা পুনর্গঠনের ফলে এই সংখ্যা সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে।
মন্ত্রণালয় কী? মন্ত্রণালয় হলো সরকারের একটি প্রশাসনিক ইউনিট যা একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এটি নির্দিষ্ট খাতের নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে। মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর ও সংস্থা থাকে যারা মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মন্ত্রণালয় কোনটি? জনবল ও কার্যপরিধির দিক থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশের বৃহত্তম মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে গণ্য করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে লক্ষাধিক শিক্ষক কর্মরত আছেন, যা এটিকে কর্মীসংখ্যার দিক থেকে বৃহত্তম মন্ত্রণালয়ে পরিণত করেছে।
উপসংহার
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়সমূহ দেশের প্রশাসনিক কাঠামোর মূল ভিত্তি। প্রতিটি মন্ত্রণালয় তার নির্দিষ্ট খাতে নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক কল্যাণ ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়গুলো একযোগে কাজ করছে।
আশা করি, এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন। যদি বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়সমূহ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকে সেটা কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।
সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত পড়াশোনা এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে চাকরির স্বপ্ন পূরণ করা সম্পূর্ণ সম্ভব। মন্ত্রণালয়সহ দেশের সকল সরকারী চাকরির প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে Live MCQ™ অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
প্রিয় চাকরি প্রার্থীগণ, বিসিএস পরীক্ষার জন্য আবেদন ফি ৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০ টাকা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আজ ১১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে একটি গেজেট প্রকাশ করে এই তথ্যটি নিশ্চিত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই গেজেটের মাধ্যমে পূর্বের বেশকিছু বিষয় সংশোধনপূর্বক বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের জন্য ফি ৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবেদন শুরুর মাত্র ১ দিন পূর্বে ৪৭তম বিসিএস আবেদন কার্যক্রম স্থগিত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আবেদন স্থগিতের প্রসঙ্গে পিএসসির এক কর্মকর্তা দেশের প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিককে জানান যে, অনিবার্য কারণবশত ৪৭তম বিসিএস আবেদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান—মূলত সরকারি চাকরিতে আবেদন ফি কমানোর ঘোষণা আসলেও তখনো প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় ৪৭তম বিসিএসে আবেদন পেছানো হয়। প্রক্রিয়া চলমান থাকাকালীন ফি কমানোর প্রজ্ঞাপন জারি হলে টাকা ফেরত সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হতে পারে, তাই প্রজ্ঞাপন জারির পরই দ্রুত আবেদন কার্যক্রম শুরু করা হবে। আজ প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় প্রক্রিয়াটি সহজ হয়েছে।
এক নজরে: বিসিএস আবেদনের ফি ৭০০ টাকার বদলে ২০০ টাকা—প্রজ্ঞাপন দেখুন
প্রিয় চাকরি প্রার্থীগণ প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রেলওয়ের ৫১৬ পদের MCQ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। আজ ২ ডিসেম্বর সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয় টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায় সরকারি কর্ম কমিশনের অধীনে গত ৫ জুলাই ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ১০ম গ্রেডের ১১ ক্যাটাগরির ৫১৬ টি উপসহকারী প্রকৌশলী পদের MCQ টাইপ লিখিত পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এই পরীক্ষাটি আগামী বছরের মার্চে সুবিধাজনক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়।
উল্লেখ্য যে রেলওয়ের ১০ম গ্রেডের ১১ ক্যাটাগরির ৫১৬ টি উপসহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগের জন্য ২০১৯ ও ২০২৩ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ৫১৬ পদের MCQ পরীক্ষা বাতিল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি
প্রিয় চাকরির প্রার্থীগণ,আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অল্পের জন্য যারা কাঙ্ক্ষিত সরকারি চাকরি টি পান নি তাদের জন্য সুখবর! এছাড়াও করোনা মহামারি সহ বিভিন্ন কারনে যাদের পড়াশোনা শেষ হতে কিছুটা দেরী হয়ে গেছে তাদের জন্যও এটি একটি দারুণ সুযোগ।
সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক, নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়তার বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এর সকল ক্যাডার ও এর আওতা বহির্ভূত সকল সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
গতকাল ১৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক এই প্রজ্ঞাপণ জারি করা হয়।
এক নজরে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দেখুন
উল্লেখ্য যে, এর পূর্বে গত ৩১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ চারবার বিসিএস পরীক্ষা দিতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে গতকাল প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রিয় চাকরির প্রার্থীগণ,আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অল্পের জন্য যারা কাঙ্ক্ষিত সরকারি চাকরি টি পান নি তাদের জন্য সুখবর! এছাড়াও করোনা মহামারি সহ বিভিন্ন কারনে যাদের পড়াশোনা শেষ হতে কিছুটা দেরী হয়ে গেছে তাদের জন্যও এটি একটি দারুণ সুযোগ।
সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক, নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়তার বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস এর সকল ক্যাডার ও এর আওতা বহির্ভূত সকল সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
গতকাল ১৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক এই প্রজ্ঞাপণ জারি করা হয়।
এক নজরে ৪৬তম বিসিএস এর পুনফলাফল বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন
৪৬তম বি.সি.এস. এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল বিগত ৯ মে ২০২৪ খ্রি. তারিখে প্রকাশিত হয়। এ পরীক্ষায় ১০,৬৩৮ জন প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীদের সাথে আরও সমসংখ্যক প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার জন্য যোগ্য বিবেচনা করে পুনরায় ফলাফল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
৪০তম বিসিএস এ উত্তির্ণ প্রার্থীগণ আপনাদের জন্য সুসংবাদ। আপনারা জেনে অনেক আনন্দিত হবেন যে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় কর্তৃক গৃহীত ৪০তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদ স্বল্পতার কারনে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন এমন ২০৮ জন প্রার্থীকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রধান করা হয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্যটি নিশ্চিত করে প্রাথমিক শিক্ষক অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ২০৮ জন প্রার্থীর নাম, মেধাক্রম সহ পদায়নকৃত বিদ্যালয়ের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হয়।
৪০তম বিসিএস থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের তালিকা দেখুন
এই অফিস আদেশে পদায়নকৃত শিক্ষকগণকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখের মধ্যে পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য যে, গত ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে ১ হাজার ৯০৩ টি পদের বিপরীতে ক্যাডার নিয়োগের লক্ষ্যে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন পিএসসি। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানা যায়। উক্ত নিয়োগে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৩২ হাজার ৫৩২ জন শিক্ষার্থী যার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ২৭ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
প্রিয় চাকরিপ্রার্থীগণ আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক গৃহীতব্য আগামী ৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখ ও ১২ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো-র ইন্সট্রাক্টর (রসায়ন) আইএমটি (৯ম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা ৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখ ও ইন্সট্রাক্টর (পদার্থ) আইএমটি (৯ম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
গতকাল ৩১ জুলাই ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই দুটি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে। উক্ত পরীক্ষা দুইটির পরবর্তী সময়সূচি পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য যে গত ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইটে এই ২ পদের লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল।