Category: NTRCA Job Preparation

  • আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – Ansar VDP Unnayan Bank Job Circular 2026

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – Ansar VDP Unnayan Bank Job Circular 2026

    প্রিয় চাকরিপ্রার্থীবৃন্দ, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি (Ansar VDP Unnayan Bank Job Circular) প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে মোট ৩০০ জন যোগ্য নারী ও পুরুষ প্রার্থীর নিকট থেকে অনলাইনে আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন

    সরকারি ও বেসরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ফলাফল প্রকাশ, নোটিশ এবং নির্দেশনা পেতে Live MCQ™ Blog সেকশনে নিয়মিত চোখ রাখুন।

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক পরিচিতি

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক (Ansar-VDP Unnayan Bank) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের আর্থিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষায়িত সরকারি ব্যাংক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এই ব্যাংকটি দেশের তৃণমূল পর্যায়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ব্যাংকটির সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় এর শাখা বিস্তৃত রয়েছে।

    একনজরে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – Ansar VDP Unnayan Bank Job Circular বিষয়ক সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য টেবিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো।

    বিষয়বিস্তারিত
    প্রতিষ্ঠানের নামআনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
    পদের নামডাটা এন্ট্রি অপারেটর
    বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ০৮-০৫-২০২৬ ইং
    আবেদন শুরুর তারিখ১৪-০৫-২০২৬ ইং (সকাল ১০:০০ টা)
    আবেদনের শেষ তারিখ১৩-০৬-২০২৬ ইং (বিকাল ০৫:০০ টা)
    চাকরির ধরনসরকারি (স্থায়ী)
    পদ ক্যাটাগরি০১টি
    মোট শূন্যপদ৩০০ জন
    বেতন স্কেল৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা (জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী)
    গ্রেড১৬তম 
    আবেদন পদ্ধতিঅনলাইন
    আবেদনের ওয়েবসাইটavub.teletalk.com.bd
    পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ‘Standard Aptitude Test’-এ উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত

    পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (Data Entry Operator)
    পদ সংখ্যা: ৩০০ জন
    বেতন: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা
    শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার মুদ্রাক্ষর পরীক্ষায় টাইপিং গতি ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ২৮ শব্দ এবং বাংলায় সর্বনিম্ন ২০ শব্দ থাকতে হবে।

    আবেদন ফর্ম পূরণ ও জমাদানের শর্তাবলি

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – Ansar VDP Unnayan Bank Job Circular এর অন্তর্ভুক্ত পদে আবেদনের জন্য অবশ্যই নিম্নবর্ণিত শর্তাবলি মানতে হবে।

    ১। প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।

    ২। ১৪ মে ২০২৬ (সকাল ১০:০০ টা) থেকে ১৩ জুন ২০২৬ (বিকাল ০৫:০০ টা) পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

    ৩। ১ মে ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

    ৪। শুধু অনলাইনে avub.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। মুদ্রিত বা হাতে লেখা কোনো আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

    ৫। অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণের পর প্রতিটি যোগ্য প্রার্থী একটি USER ID পাবেন। আবেদন ফর্ম পূরণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো Teletalk প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর থেকে নির্ধারিত আবেদন ফি জমা দিতে হবে।

    ৬। অনলাইন আবেদন ফর্মে প্রার্থীর ৩০০×৮০ পিক্সেলের  স্বাক্ষর এবং ৩০০×৩০০ পিক্সেলের রঙিন ছবি (Passport Size) স্ক্যান করে নির্ধারিত স্থানে আপলোড করতে হবে।

    ৭। ফি জমা না দেওয়া পর্যন্ত অনলাইন আবেদন কোনো অবস্থাতেই গৃহীত হবে না।

    ৮। প্রার্থীকে অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন ফর্মের একটি প্রিন্ট কপি পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।

    ৯। তথ্য যাচাই: প্রার্থীর নাম, পিতা-মাতার নাম ও জন্ম তারিখসহ সব তথ্য শিক্ষাগত সনদের মতো হুবহু হতে হবে। আবেদনকারীর প্রদত্ত তথ্য অসত্য বা মিথ্যা প্রমাণিত হলে যেকোনো পর্যায়ে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া

    অনলাইনের মাধ্যমে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি – Ansar VDP Unnayan Bank Job Circular এর চলমান শূন্যপদে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করতে এবং বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে আবেদন করুন বাটনে ক্লিক করুন।

    নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতি 

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে ১৬তম গ্রেডে নিয়োগ হবে। এজন্য প্রার্থীদের প্রথমে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা কম্পিউটার ব্যবহারের ওপর ‘ব্যবহারিক পরীক্ষা’ দেবেন। ব্যবহারিক পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর চূড়ান্ত মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন হবে।

    কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন? 

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের “ডাটা এন্ট্রি অপারেটর” পদের নিয়োগ প্রস্তুতি বেশ কৌশলী হতে হবে। যেহেতু এখানে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি কম্পিউটার চালনায় দক্ষতার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়, তাই আপনাকে ধাপে ধাপে এগোতে হবে।

    আপনার প্রস্তুতির সুবিধার্থে নিচে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন দেওয়া হলো:

    ১. লিখিত পরীক্ষা (Written Exam)

    সাধারণত এমসিকিউ (MCQ) বা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর লিখিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা হতে পারে। Live MCQ ও Live Written অ্যাপে ১৪তম-২০তম গ্রেডের চাকরির বাটনে পড়াশোনা করে সহজেই প্রস্তুতি নিতে পারবেন।
    ডাটা এন্ট্রি অপারেটর” পদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:

    বাংলা: ব্যাকরণ অংশে জোর দিন (সন্ধি, সমাস, কারক-বিভক্তি, শুদ্ধিকরণ, এক কথায় প্রকাশ, পত্র-দরখাস্ত ইত্যাদি)। 

    ইংরেজি: Grammar (Tense, Sentence, Parts of Speech, Preposition, Translation) এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু Vocabulary পড়ে নিতে হবে।

    গণিত: পাটিগণিতের সাধারণ নিয়ম (শতকরা, লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, গড়) এবং লসাগু-গসাগু থেকে প্রশ্ন বেশি আসে। শর্টকাট টেকনিকগুলো প্র্যাকটিস করুন।

    সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, বিশেষ করে আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর ইতিহাস, ব্যাংকিং সেক্টর এবং বর্তমান সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ।

    ২. কম্পিউটার বিষয়ক জ্ঞান (Technical Knowledge)

    লিখিত পরীক্ষায় কম্পিউটার সংক্রান্ত ২০-৩০ নম্বরের প্রশ্ন থাকতে পারে। এর জন্য নিচের বিষয়গুলো পড়ুন:

    • হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সম্পর্কে বেসিক ধারণা
    • অপারেটিং সিস্টেম (Windows) এবং ফাইল ম্যানেজমেন্ট
    • কি-বোর্ড শর্টকাট (যেমন: Ctrl+C, Ctrl+V, Alt+F4 ইত্যাদি)
    • ইন্টারনেট, ইমেইল এবং সাইবার সিকিউরিটি

    ৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা (Practical Test) – সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    • লিখিত পরীক্ষায় টিকলে আপনাকে কম্পিউটারে বসার সুযোগ দেওয়া হবে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের জন্য এটিই আসল চ্যালেঞ্জ।
    • টাইপিং গতি (Typing Speed): বাংলায় প্রতি মিনিটে অন্তত ২০-২৫ শব্দ এবং ইংরেজিতে ২৮-৩০ শব্দ টাইপ করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
    • সফটওয়্যার দক্ষতা: MS Word (ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং), MS Excel (সাধারণ সূত্র বা Formula-র কাজ) এবং MS PowerPoint-এর ওপর ভালো দখল থাকতে হবে।
    • সঠিকতা (Accuracy): শুধু দ্রুত টাইপ করলেই হবে না, বানান বা বিরাম চিহ্নের ভুল যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    টিপস: প্রতিদিন অন্তত ১ ঘণ্টা অভ্র (Avro) বা বিজয় (Bijoy) কি-বোর্ড ব্যবহার করে বাংলা টাইপিং প্র্যাকটিস করুন।

    ৪. মৌখিক পরীক্ষা (Viva Voce)

    • ব্যহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ভাইভায় ডাকা হয়। এখানে সাধারণত প্রার্থীর আত্মবিশ্বাস, সাধারণ জ্ঞান এবং সংশ্লিষ্ট পদের কাজের প্রতি আগ্রহ যাচাই করা হয়।
    • ব্যাংক সম্পর্কে জানুন (কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বর্তমান চেয়ারম্যান কে)।
    • নিজের জেলা ও শিক্ষা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখুন।
    • পোশাক-আশাকে পরিপাটি ও মার্জিত হোন।

    FAQs – Ansar VDP Unnayan Bank Job Circular

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে আবেদনের শেষ তারিখ কবে?

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ হলো ১৩ জুন ২০২৬ ইং বিকাল ০৫:০০ টা।

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে মোট কতটি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে?

    এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে মোট ৩০০ জনকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে আবেদন করতে কী কী যোগ্যতা লাগবে?

    স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিসহ কম্পিউটার টাইপিং দক্ষতা থাকতে হবে — ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে কমপক্ষে ২৮ শব্দ এবং বাংলায় কমপক্ষে ২০ শব্দ।

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে অনলাইনে আবেদন কোথায় করতে হবে?

    http://avub.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের বেতন কত?

    নির্বাচিত প্রার্থীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা বেতন পাবেন।

    উপসংহার

    আশা করি, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের চলমান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে সেটি কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।

    দেশের সরকারি সেক্টরে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের মত ‘১৪তম-২০তম’ গ্রেডের বিভিন্ন পদে সারাবছর প্রচুর লোকবল নিয়োগ হয়। নিয়মিত পরীক্ষা ও পড়াশোনার মাধ্যমে এসব পরীক্ষায় সফল হতে চাইলে Live MCQ অ্যাপে ১৪তম-২০তম গ্রেডের চাকরির বাটনে প্রস্তুতি নিন এবং সবসময় থাকুন Exam-ready! 

    বিসিএস, ব্যাংক, NTRCA, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিভিন্ন গ্রেডের চাকরিসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক, ক্লাস, মডেল টেস্ট এবং লাইভ পরীক্ষার সুবিধা পাবেন এই একটি অ্যাপেই। 

    আজই Live MCQ™ অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং আপনার চাকরির প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলুন।

  • এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান–সহকারী প্রধান নিয়োগের ফল প্রকাশ: পাশ ১৪,৯৪২ জন | বিস্তারিত দেখুন

    এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান–সহকারী প্রধান নিয়োগের ফল প্রকাশ: পাশ ১৪,৯৪২ জন | বিস্তারিত দেখুন

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৯৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণের হার মোট পরীক্ষার্থীর ৩১ শতাংশ।

    📊 এক নজরে ফলাফলের তথ্য

    ✅ মোট উত্তীর্ণ: ১৪,৯৪২ জন

    📈 পাশের হার: ৩১%

    👥 মোট আবেদনকারী: ৫৩,০৬৯ জন

    🪑 শূন্যপদ: ১১,১৫১টি

    🗓️ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ 

    📢 ফল প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার)

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ এপ্রিল ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) পরীক্ষা-২০২৬ এর এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় মোট ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী অনলাইনে আবেদন করেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৮ হাজার ১৪৬ জন। এ এমসিকিউ পরীক্ষার ফল ২২ এপ্রিল অপরাহ্নে প্রকাশ করা হয়। পদভিত্তিক উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বরগুলো (মেধাক্রম অনুযায়ী নয়) এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে (https://ntrca.gov.bd) প্রকাশ করা হলো।

    সম্পূর্ণ ফলাফল দেখুন: 

    উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের টেলিটক থেকে এসএমএস’র মাধ্যমে ফল জানানো হবে। এছাড়া প্রার্থীরা NTRCA-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের রোল নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল দেখতে পারবেন।

    উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তীতে এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

    চাকরির গুরুত্বপূর্ণ সব খবর জানতে Live MCQ™ এর সঙ্গেই থাকুন।

  • শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি ২০২৬ | পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

    শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি ২০২৬ | পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

    বাংলাদেশে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী চাকরির বাজারে প্রবেশ করেন। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে অনেকেই পিছিয়ে পড়েন। শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া মানেই হলো একদম বেসিক থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করা। শূন্য থাকে প্রস্তুতি নেওয়া সময়সাপেক্ষ হলেও একেবারে অসম্ভব নয়। সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত পড়াশোনা এবং অধ্যবসায় থাকলে, যেকোনো প্রার্থী চাকরিতে সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

    এই গাইডলাইনে আমরা চাকরির প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সব বিষয় বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। আশা করি- বিসিএস, প্রাইমারি, NTRCA, ব্যাংক থেকে শুরু করে প্রাইভেটসহ – সকল চাকরির জন্য কার্যকর প্রস্তুতির কৌশল জানতে পারবেন।

    চাকরির প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ

    সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই চাকরির পরীক্ষায় কিছু মূল বিষয় বারবার আসে। এই বিষয়গুলোতে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে যেকোনো পরীক্ষায় ভালো ফল করা সম্ভব।

    বাংলা

    চাকরির পরীক্ষায় বাংলা অংশে সাধারণত ব্যাকরণ, সাহিত্য এবং ভাষার সঠিক ব্যবহার থেকে প্রশ্ন আসে। ব্যাকরণের মধ্যে সন্ধি, সমাস, কারক, বিভক্তি, বাগধারা, প্রবাদ-প্রবচন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। বাংলা সাহিত্যের জন্য প্রাচীন থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত বিখ্যাত লেখক ও তাঁদের রচনার সাথে পরিচিত থাকা আবশ্যক। নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইটি এই প্রস্তুতির জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

    ইংরেজি

    ইংরেজি অংশে Grammar, Vocabulary, Reading Comprehension এবং Sentence Correction থেকে প্রশ্ন আসে। Tense, Voice, Narration, Preposition, Article- এই বিষয়গুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে। প্রতিদিন ইংরেজি পত্রিকা পড়া এবং নতুন শব্দ শেখার অভ্যাস গড়ে তুললে ইংরেজিতে ভালো করা সহজ হয়। Competitive English বা PC Das-এর বই এই প্রস্তুতিতে বিশেষ সহায়ক।

    গণিত

    গণিত অংশে পাটিগণিত, বীজগণিত এবং জ্যামিতি থেকে প্রশ্ন আসে। শতকরা, লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, ল.সা.গু ও গ.সা.গু, সময়-গতি-দূরত্ব- এই টপিকগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গণিতে দ্রুত সমাধানের জন্য শর্টকাট পদ্ধতি শেখা জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০টি গণিত প্র্যাকটিস করলে ধীরে ধীরে দক্ষতা বাড়বে।

    সাধারণ জ্ঞান

    সাধারণ জ্ঞান অংশে বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ভূগোল এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ থেকে প্রশ্ন আসে। মাসিক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স নিয়মিত পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নোট করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, বাংলাদেশের ইতিহাস- এই বিষয়গুলো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    আইসিটি (ICT)

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ICT অংশে কম্পিউটার বেসিক, ইন্টারনেট, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং সাইবার নিরাপত্তা থেকে প্রশ্ন আসে। MS Office, বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষার ধারণা, নেটওয়ার্কিং এবং ডেটাবেস সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা দরকার। আধুনিক প্রযুক্তির আপডেট তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রযুক্তি বিষয়ক পত্রিকা ও ওয়েবসাইট অনুসরণ করা উচিত।

    চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির ধাপসমূহ

    চাকরির পরীক্ষা সাধারণত তিনটি ধাপে হয়ে থাকে- MCQ, Written এবং Viva। প্রতিটি ধাপের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

    MCQ প্রস্তুতি

    MCQ পরীক্ষায় ভালো করতে হলে দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে উত্তর করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিগত বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে প্রশ্নের ধরন বুঝতে হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য আলাদা MCQ ব্যাংক তৈরি করুন এবং নিয়মিত মক টেস্ট দিন। নেগেটিভ মার্কিং থাকলে অনুমান করে উত্তর না দেওয়াই ভালো।

    Written প্রস্তুতি

    লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে বিশ্লেষণমূলক চিন্তা এবং সুন্দর উপস্থাপনা দক্ষতা দরকার। রচনা, সারাংশ, প্রতিবেদন লেখার নিয়মিত অনুশীলন করুন। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর গঠনমূলকভাবে লিখতে হবে — ভূমিকা, মূল অংশ এবং উপসংহার সহ। হাতের লেখা পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট রাখা উচিত।

    Viva প্রস্তুতি

    ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাস এবং স্পষ্টভাবে কথা বলার দক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের সম্পর্কে, পড়াশোনার বিষয় সম্পর্কে এবং বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সম্পর্কে প্রস্তুত থাকুন। পোশাক-পরিচ্ছদ পরিপাটি রাখুন এবং প্রশ্নের উত্তর সংক্ষেপে ও স্পষ্টভাবে দিন। আয়নার সামনে বা বন্ধুদের সাথে মক ভাইভা প্র্যাকটিস করুন।

    শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি

    অনেকেই মনে করেন, একদম শুরু থেকে প্রস্তুতি নেওয়া কঠিন। কিন্তু সঠিক পদ্ধতি মেনে চললে এটি সম্পূর্ণ সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হলো।

    লক্ষ্য নির্ধারণ

    সবার আগে ঠিক করুন আপনি কোন ধরনের চাকরি চান- সরকারি, বেসরকারি, ব্যাংক নাকি বিসিএস? লক্ষ্য স্পষ্ট থাকলে প্রস্তুতি অনেক সহজ হয়। লক্ষ্য নির্ধারণের সময় নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা এবং আগ্রহ বিবেচনা করুন। একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করুন এবং সেই অনুযায়ী রুটিন তৈরি করুন।

    প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন

    লক্ষ্য ঠিক করার পর সেই চাকরির জন্য কী কী জ্ঞান ও দক্ষতা দরকার তা চিহ্নিত করুন। সিলেবাস সংগ্রহ করুন এবং কোন কোন বিষয়ে দুর্বলতা আছে তা খুঁজে বের করুন। দুর্বল বিষয়গুলোতে বেশি সময় ও মনোযোগ দিন। অনলাইন কোর্স, ইউটিউব ভিডিও এবং বই- সব মাধ্যম ব্যবহার করুন।

    চাকরি খোঁজা এবং আবেদন

    নিয়মিত সরকারি বিজ্ঞপ্তি, পত্রিকা এবং চাকরির ওয়েবসাইট অনুসরণ করুন। bdjobs.com, prothomalo.com/jobs এবং সরকারি ওয়েবসাইটগুলো নিয়মিত চেক করুন। আবেদনের সময় সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন।

    রিজিউম তৈরি

    একটি আকর্ষণীয় ও তথ্যবহুল রিজিউম তৈরি করুন। রিজিউমে শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং পুরস্কার সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন। রিজিউম সংক্ষিপ্ত (১-২ পৃষ্ঠা) ও পরিপাটি রাখুন। প্রতিটি চাকরির জন্য রিজিউম কাস্টমাইজ করা ভালো অভ্যাস।

    সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি

    সাক্ষাৎকারের আগে সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। সাধারণ সাক্ষাৎকার প্রশ্নের উত্তর আগে থেকে প্রস্তুত করুন। আত্মপরিচয়, কেন এই চাকরি চান, নিজের শক্তি ও দুর্বলতা- এই বিষয়গুলো গুছিয়ে বলতে পারতে হবে। সময়মতো পৌঁছানো এবং পেশাদার পোশাক পরিধান করা অপরিহার্য।

    নেটওয়ার্কিং

    পেশাদার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক। LinkedIn-এ প্রোফাইল তৈরি করুন এবং নিজের ক্ষেত্রের পেশাদারদের সাথে সংযুক্ত হন। বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা এবং পেশাদার ইভেন্টে অংশগ্রহণ করুন। পরিচিতজনদের মাধ্যমে চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন।

    নিয়মিত ফিডব্যাক গ্রহণ ও নিজেকে আপডেট রাখুন

    প্রতিটি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকারের পর নিজেকে মূল্যায়ন করুন- কোথায় ভুল হলো, কী উন্নতি করা দরকার। অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন। চাকরির বাজার এবং পরীক্ষার ধরন প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে, তাই সবসময় নিজেকে আপডেট রাখুন। ব্যর্থতাকে শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করুন এবং হাল না ছেড়ে চেষ্টা চালিয়ে যান।

    শুরু থেকে বিসিএস প্রস্তুতি

    বিসিএস বাংলাদেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা। শূন্য থেকে বিসিএস প্রস্তুতি নিতে হলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং অদম্য মনোবল দরকার। বিসিএসের পরীক্ষা তিনটি ধাপে হয়- প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং ভাইভা।

    প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি

    বিসিএস প্রিলিমিনারিতে ২০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষা হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য, বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, ভূগোল, গণিত, মানসিক দক্ষতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি — এই ১০টি বিষয়ে প্রশ্ন আসে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য আলাদা রুটিন তৈরি করুন। Oracle BCS Guide বা Professor’s BCS Guide থেকে সিলেবাস ধরে পড়ুন এবং বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান করুন।

    লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি

    বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ৯০০ নম্বরের বিস্তারিত পরীক্ষা হয়। এখানে বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, গণিত ও মানসিক দক্ষতা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি থেকে প্রশ্ন আসে। লিখিত পরীক্ষার জন্য বিশ্লেষণমূলক চিন্তা ও সুন্দর উপস্থাপনা দক্ষতা প্রয়োজন। পত্রিকা পড়া, নোট তৈরি এবং নিয়মিত লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

    বিসিএস ভাইভা প্রস্তুতি

    বিসিএস ভাইভায় নিজের বিষয়ের উপর গভীর জ্ঞান, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং ব্যক্তিত্ব পরীক্ষা করা হয়। আত্মবিশ্বাসী থাকুন, স্পষ্টভাবে কথা বলুন এবং না জানা প্রশ্নে সৎ থাকুন। কেন বিসিএস চান, ক্যাডার পছন্দ কেন — এই প্রশ্নগুলোর জন্য আগে থেকে প্রস্তুত থাকুন।

    শূন্য থেকে প্রাইমারি শিক্ষক প্রস্তুতি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নিয়োগ প্রক্রিয়া। প্রতি বছর হাজার হাজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান এবং শিশু মনোবিজ্ঞান থেকে প্রশ্ন আসে।

    পরীক্ষার ধরন ও সিলেবাস

    প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ৮০ নম্বরের MCQ এবং ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় বিভক্ত। বাংলায় ২০, ইংরেজিতে ২০, গণিতে ২০ এবং সাধারণ জ্ঞানে ২০ নম্বর। প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যক্রম ভিত্তিক প্রশ্ন আসে, তাই ক্লাস ১ থেকে ৫ পর্যন্ত পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়া জরুরি।

    প্রস্তুতির কৌশল

    বিগত বছরের প্রাইমারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করুন এবং বিশ্লেষণ করুন। মূল বিষয়গুলোর বেসিক শক্তিশালী করুন এবং প্রতিদিন মক টেস্ট দিন। শিশু মনোবিজ্ঞান এবং শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে পড়াশোনা করুন। এটি পরীক্ষায় আসে এবং ভাইভাতেও কাজে লাগে।

    শূন্য থেকে NTRCA প্রস্তুতি

    NTRCA (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) পরীক্ষা বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক হওয়ার প্রবেশদ্বার। শূন্য থেকে NTRCA প্রস্তুতি নিতে হলে নিজের বিষয়ের উপর গভীর দখল এবং শিক্ষাদান পদ্ধতির জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

    NTRCA পরীক্ষার কাঠামো

    NTRCA পরীক্ষায় দুটি অংশ থাকে- স্কুল পর্যায় (SSC সমমান যোগ্যতা) এবং কলেজ পর্যায় (HSC সমমান যোগ্যতা)। প্রতিটি অংশে সাধারণ জ্ঞান এবং নিজের বিষয়ের উপর আলাদা পরীক্ষা হয়। প্রিলিমিনারি MCQ এবং লিখিত পরীক্ষা- এই দুই ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    NTRCA প্রস্তুতির কৌশল

    নিজের বিষয়ের স্নাতক পর্যায়ের পাঠ্যবই ভালোভাবে পুনরায় পড়ুন। শিক্ষাদান পদ্ধতি, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং শিশু মনোবিজ্ঞানের মূল ধারণাগুলো আয়ত্ত করুন। বিগত বছরের NTRCA প্রশ্নপত্র সমাধান করুন। সাধারণ জ্ঞান অংশে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ পড়ুন।

    শূন্য থেকে ব্যাংক প্রস্তুতি

    ব্যাংকে চাকরি বাংলাদেশের তরুণদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি ক্যারিয়ার। শূন্য থেকে ব্যাংক প্রস্তুতি নিতে হলে গণিত, ইংরেজি এবং আর্থিক জ্ঞানের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সরকারি ব্যাংক (সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক) এবং বেসরকারি ব্যাংকের পরীক্ষার ধরন কিছুটা আলাদা।

    ব্যাংক পরীক্ষার বিষয়সমূহ

    ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় সাধারণত ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান, কম্পিউটার ও আইটি এবং ব্যাংকিং বিষয়াবলি থেকে প্রশ্ন আসে। IELTS বা TOEFL-এর মতো ইংরেজি দক্ষতা থাকলে বেসরকারি ব্যাংকে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। গণিতে Quantitative Aptitude-এর বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ব্যাংক প্রস্তুতির কৌশল

    প্রতিদিন ইংরেজি পত্রিকা পড়ুন এবং ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস করুন। গণিতের জন্য R.S. Aggarwal বা Khairuls Math সহ বিভিন্ন ব্যাংক গণিতের বই অনুশীলন করুন। ব্যাংকিং, অর্থনীতি এবং ফিনান্সের বেসিক বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝুন। বিগত ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে নিয়মিত মক টেস্ট দিন।

    শূন্য থেকে প্রাইভেট চাকরির প্রস্তুতি

    বেসরকারি খাতে চাকরির ক্ষেত্রে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং পেশাদারিত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রাইভেট চাকরির ক্ষেত্রে একাডেমিক সনদের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা এবং সফট স্কিলসের মূল্য অনেক বেশি।

    প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়ন

    প্রাইভেট সেক্টরে Communication Skills, Problem Solving, Team Work, Leadership এবং Time Management- এই সফট স্কিলগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটার দক্ষতা, বিশেষ করে MS Office, Google Workspace এবং ইমেইল কমিউনিকেশনে দক্ষ হওয়া আবশ্যক। আপনার নির্দিষ্ট শিল্পের জন্য প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল স্কিলও অর্জন করুন।

    ইন্টার্নশিপ ও অভিজ্ঞতা অর্জন

    পড়াশোনার পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ করুন এবং খণ্ডকালীন কাজের অভিজ্ঞতা নিন। ফ্রিল্যান্সিং, স্বেচ্ছাসেবী কাজ এবং প্রজেক্ট ওয়ার্কের মাধ্যমেও দক্ষতা প্রমাণ করা যায়। LinkedIn প্রোফাইল সুন্দরভাবে সাজান এবং পোর্টফোলিও তৈরি করুন। নেটওয়ার্কিং এবং রেফারেলের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ভালো সুযোগ আসে।

    বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

    ১। চাকরির প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হয়?

    চাকরির প্রস্তুতির জন্য প্রথমে লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এরপর সেই চাকরির সিলেবাস সংগ্রহ করে একটি বাস্তবসম্মত রুটিন তৈরি করুন। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান –  মূল চারটি বিষয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করুন। বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করুন এবং নিয়মিত মক টেস্ট দিন। ব্যর্থ হলেও হতাশ না হয়ে আরও মনোযোগী হয়ে চেষ্টা করুন।

    ২। চাকরির প্রস্তুতি শুরু করতে কতদিন সময় লাগে?

    চাকরির ধরন অনুযায়ী প্রস্তুতির সময় ভিন্ন হয়। প্রাইমারি বা সাধারণ সরকারি পদের জন্য ৬ মাস থেকে ১ বছরের প্রস্তুতি যথেষ্ট হতে পারে। বিসিএসের জন্য কমপক্ষে ১-২ বছরের নিবেদিত প্রস্তুতি দরকার। তবে যত দ্রুত শুরু করবেন, তত ভালো। প্রতিদিন ৩-৫ ঘণ্টা নিয়মিত পড়াশোনা করলে যেকোনো পরীক্ষার জন্য ভালো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব।

    ৩। বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার মধ্যে কোনটির প্রস্তুতি কঠিন?

    বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষা উভয়ই কঠিন, তবে ভিন্নভাবে। বিসিএসের সিলেবাস অনেক বিস্তৃত এবং পরীক্ষার ধাপ বেশি। ব্যাংক পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজির উপর বেশি চাপ থাকে এবং প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি। নিজের শক্তি ও দুর্বলতা বিচার করে সিদ্ধান্ত নিন কোন পরীক্ষায় আপনার সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি।

    ৪। চাকরির প্রস্তুতির জন্য কোন বই পড়া উচিত?

    চাকরির পরীক্ষার জন্য বিষয়ভিত্তিক ভালো বই বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বাংলার জন্য নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই, ইংরেজির জন্য PC Das বা Competitive English, গণিতের জন্য Khairuls Math বা R.S. Aggarwal এবং সাধারণ জ্ঞানের জন্য MP3 বা সাম্প্রতিক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়ুন। যেকোনো বইয়ের একটি সম্পূর্ণ পড়া, অনেক বই আধাআধি পড়ার চেয়ে ভালো।

    উপসংহার

    শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি শুরু করা কঠিন মনে হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও নিরলস পরিশ্রমে এটি সম্পূর্ণ সম্ভব। বিসিএস, প্রাইমারি, NTRCA, ব্যাংক বা প্রাইভেট- যেকোনো চাকরির জন্য মূলনীতি একটাই: নিয়মিত পড়াশোনা, সঠিক কৌশল এবং অদম্য মনোবল।

    আশা করি, শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরছেন। এখন নিজেও শূন্য থেকে চাকরির প্রস্তুতি নিতে আজই Live MCQ™ অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা এবং ধারাবাহিক অনুশীলনের মাধ্যমে চাকরির প্রস্তুতি নিশ্চিত করুন।    

    প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকতে হলে ধৈর্য এবং অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই। আজ থেকেই শুরু করুন, প্রতিটি দিনকে কাজে লাগান। নিজের স্বপ্নের চাকরিটি পাওয়ার জন্য পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে এগিয়ে যান। সাফল্য একদিন আসবেই।

  • প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা | NTRCA সিলেবাস প্রকাশ

    প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা | NTRCA সিলেবাস প্রকাশ

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগের জন্য অষ্টম NTRCA সিলেবাস ২০২৬ প্রকাশ করা হয়েছে।

    শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই অষ্টম এনটিআরসিএ সিলেবাস ২০২৬ প্রকাশ করে।

    প্রকাশিত সিলেবাস অনুযায়ী, পরীক্ষাটি মোট ১০০ নম্বরের হবে, যেখানে ৮০ নম্বর সাধারণ বিষয় এবং ২০ নম্বর শিক্ষা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশ্ন থাকবে।

    এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    📊 এক নজরে পরীক্ষার তথ্য

    • পরীক্ষা: অষ্টম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা
    • পদ: প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহকারী সুপার
    • মোট নম্বর: ১০০
    • সাধারণ বিষয়: ৮০ নম্বর
    • বিশেষ বিষয়: ২০ নম্বর
    • আবেদন শেষ: ২৬ ফেব্রুয়ারি
    • মোট আবেদনকারী: ৮৬,৪৪৫ জন

    📄 সিলেবাস দেখুন – অষ্টম এনটিআরসিএ সিলেবাস ২০২৬

    👉 অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সিলেবাস দেখুন – 8th NTRCA syllabus।

    📚 পরীক্ষার সিলেবাস (সাধারণ বিষয়)

    প্রকাশিত সিলেবাস অনুযায়ী সাধারণ বিষয়গুলো থেকে মোট ৮০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

    বিষয়নম্বর
    বাংলা১০
    ইংরেজি১০
    আইসিটি১০
    প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা১০
    আর্থিক ব্যবস্থাপনা১০
    মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তি
    বাংলাদেশ বিষয়াবলি
    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

    🎓 বিভাগভিত্তিক বিশেষ বিষয় (২০ নম্বর)

    পরীক্ষার্থীদের অধিদপ্তর অনুযায়ী ২০ নম্বরের বিশেষ বিষয় থাকবে।

    📘 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)

    • সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনা — ২০ নম্বর

    📙 কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

    • কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাপনা
    • কারিগরি শিক্ষাসংশ্লিষ্ট মৌলিক জ্ঞান

    মোট নম্বর — ২০

    📗 মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

    • মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা
    • আল কোরআন
    • হাদিস
    • ফিকাহ
    • আরবি ভাষা
    • ইসলামী শিক্ষা

    মোট নম্বর — ২০

    🎓 বিভাগভিত্তিক বিশেষ বিষয় (২০ নম্বর)

    পরীক্ষার্থীদের অধিদপ্তর অনুযায়ী ২০ নম্বরের বিশেষ বিষয় থাকবে।

    📘 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)

    • সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনা — ২০ নম্বর

    📙 কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

    • কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাপনা
    • কারিগরি শিক্ষাসংশ্লিষ্ট মৌলিক জ্ঞান

    মোট নম্বর — ২০

    📗 মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

    • মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা
    • আল কোরআন
    • হাদিস
    • ফিকাহ
    • আরবি ভাষা
    • ইসলামী শিক্ষা

    মোট নম্বর — ২০

    👥 মোট আবেদনকারী

    এবারের নিয়োগ পরীক্ষায় ৮৬ হাজার ৪৪৫ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন

    প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য পদে নিয়োগের জন্য আবেদন ২৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে শেষ হয়েছে।

    📅 পরীক্ষা কবে হতে পারে

    সূত্র জানিয়েছে, এপ্রিল ২০২৬ মাসে অষ্টম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ শিগগিরই NTRCA ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

    👉 শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করতে NTRCA পরীক্ষার প্রস্তুতি কৌশল জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    NTRCA প্রস্তুতি গাইড দেখুন এই ব্লগে

    🚀 Live MCQ-তে প্রস্তুতি নিন

    প্রধান ও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য Live MCQ অ্যাপে রয়েছে—

    ✅ বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা
    ✅ ফুল মডেল টেস্ট
    ✅ স্মার্ট অ্যানালাইসিস
    ✅ হাজারো প্রতিযোগীর সাথে প্রতিযোগিতা

    প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতির বিস্ত্রাইত দেখুন এই ব্লগে

    ❓ FAQ

    অষ্টম এনটিআরসিএ পরীক্ষার মোট নম্বর কত?

    এই নিয়োগ পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০

    সাধারণ বিষয় থেকে কত নম্বর থাকবে?

    সাধারণ বিষয় থেকে ৮০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

    মোট কতজন আবেদন করেছেন?

    এই নিয়োগ পরীক্ষায় ৮৬,৪৪৫ জন আবেদন করেছেন।

    মোট শূন্য পদ কত?

    তিন অধিদপ্তর মিলিয়ে মোট ১৩,৫৯৯টি শূন্য পদ রয়েছে।

  • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন | সিলেবাস, প্রস্তুতি কৌশল ও ভাইভা টিপস

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন | সিলেবাস, প্রস্তুতি কৌশল ও ভাইভা টিপস

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০২৬ সালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জানা গেছে, মার্চের শেষে বা এপ্রিলের শুরুতেই এই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ (NTRCA) । পরীক্ষাটি মূলত এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে হবে। এছাড়া, এবার চূড়ান্ত ফলাফলে ভাইভা নম্বর যোগ হওয়াসহ পরীক্ষা পদ্ধতিতে বেশ কিছু সংস্কারও এসেছে।

    যারা ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য প্রস্তুতির সার্বিক পরিকল্পনা, পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা এবং নিয়মিত অনুশীলনের উপায় নিয়েই আজকের এই ব্লগ।

    এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন—

    • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আবেদন যোগ্যতা
    • NTRCA syllabus (19th NTRCA Exam)
    • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন MCQ পরীক্ষার মানবন্টন
    • NTRCA viva preparation
    • বিষয়ভিত্তিক পড়ার কৌশল এবং 
    • শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি বিষয়ক বইয়ের তালিকা। 

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কী?

    দেশের বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য যে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হয় তা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নামে পরিচিত।

    বর্তমানে দেশে প্রায় ৩৩ হাজারেরও বেশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক করার লক্ষ্যে ২০০৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠন করা হয় Non-Government Teachers’ Registration and Certification Authority (NTRCA)। শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহীদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ধাপ [১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন]

    বেসরকারি শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হতে হলে সাধারণত ৩টি ধাপে (প্রিলি, লিখিত ও ভাইভা) পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। তবে ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা থাকছে না। ২০০ নম্বরের MCQ-ভিত্তিক লিখিত ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমেই চূড়ান্ত ফলাফল নিরূপিত হবে।

    ১। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

    ১৯তম NTRCA পরীক্ষায় প্রথমে ২০০ নম্বরের একটি MCQ-ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এর মধ্যে ১০০ নম্বরে জেনারেল অংশ ও ১০০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক অংশ থাকবে। বিষয়ভিত্তিক অংশে প্রার্থীর অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে পঠিত বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নেওয়া হবে। MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হওয়া এই পরীক্ষায় পাশ করতে হলে অন্তত ৪০% নম্বর পেতে হবে।

    এই পরীক্ষায় ভালো করতে হলে NTRCA জব সল্যুশন থেকে বিগত বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন অনুশীলন এবং নিয়মিত পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট (NTRCA Exam & Model Test) দিতে হবে। পাশাপাশি, নিয়মিত শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    ২। মৌখিক পরীক্ষা

    লিখিত (MCQ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ডাকা হবে ভাইভা পর্যায়ে। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে NTRCA কর্তৃপক্ষ প্রার্থীদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রদান করবে।

    এই সনদের মাধ্যমে পরবর্তীতে প্রকাশিত NTRCA গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া যাবে।

    উল্লেখ্য, শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ আজীবন।

    শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পদ্ধতি

    বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ৩টি পর্যায়ে হয়ে থাকে।

    স্কুল পর্যায়

    বেসরকারি সহকারী শিক্ষক (বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান, কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, চারু ও কারুকলা, ধর্ম ও গ্রন্থাগার, তথ্য বিজ্ঞান), সহকারী শিক্ষক শরীরচর্চা ও সহকারী মৌলভী পদসমূহ এই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

    স্কুল পর্যায় ২

    এই পর্যায়ে ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, ইবতেদায়ী মৌলভী, ইবতেদায়ী শিক্ষক (সাধারণ), ইবতেদায়ী ক্কারী পদকে বোঝায়।

    কলেজ পর্যায়

    বেসরকারি কলেজসমূহের প্রভাষক, ইন্সট্রাক্টর (টেক) ও ইন্সট্রাক্টর (নন টেক) ও প্রদর্শক পদগুলি এই পর্যায়ের ভেতরে পড়ে।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    স্কুল পর্যায় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    • কমপক্ষে স্নাতক পাস (মাদ্রাসা প্রার্থীদের জন্য ফাজিল পাশ) হতে হবে। তবে স্নাতক পরীক্ষা যদি সদ্য শেষ হয়ে থাকে তাহলেও আপনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া প্রশংসাপত্র, মার্কশিট এবং প্রবেশপত্রের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
    • নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে যেকোন একটি মাত্র তৃতীয় বিভাগ বা এর সমমনা জিপিএর ফলাফল গ্রহণযোগ্য হবে। এর বেশি তৃতীয় বিভাগ থাকলে এই পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন না।
    • আবেদনের জন্য বয়স হতে হবে ২১-৩৫ বছরের মধ্যে।

    স্কুল পর্যায়-২ নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    • শুধু আলিম/এইচএসসি পাশ বা শুধু ডিগ্রি বা সমমানের প্রার্থীরা স্কুল পর্যায়-২ বা ইবতেদায়ী শিক্ষক/জুনিয়র শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
    • কারিগরি (Technical) শিক্ষা (ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল বা এ ধরণের সমমানের ডিগ্রি) এ ক্যাটেগরিতে পড়ে। 
    • প্রার্থীর বয়স ন্যুনতম ২১ ও সর্বোচ্চ ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। 

    কলেজ পর্যায় (প্রভাষক) নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

    • স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতকোত্তর/সমমান ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদে দ্বিতীয় শ্রেণীর স্নাতক/সমমান ডিগ্রী (মাদ্রাসা প্রার্থীদের জন্য ফাজিল/কামিল পাশ)।
    • প্রার্থীর বয়স ন্যুনতম ২১ ও সবোর্চ্চ ৩৫ বছর হতে হবে।

    নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে যেসব পরিবর্তন আসছে

    নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি তিন বিভাগের জন্যই ২০০ নম্বরের পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে। শুরুতে স্কুল-কলেজে এবং কারিগরিতে ১০০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ১০০ নম্বর জেনারেল এবং মাদ্রাসারা জন্য ১৪০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ৬০ নম্বর জেনারেল করা প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে বৈষম্য এড়াতে তিন বিভাগের জন্য নম্বর প্যাটার্ন একই রকম রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    জানা গেছে, এর আগে এনটিআরসিএর নিবন্ধন পরীক্ষায় কখনোই প্রার্থীদের ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হয়নি। এবারই প্রথম চূড়ান্ত ফলাফলে ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো ১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে বয়স গণনা করা হবে।

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা বিধিমালা ২০২৫ দেখুন। 

    শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন

    NTRCA preliminary exam preparation শুরু করার আগে পরীক্ষার মানবন্টন জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মোট ১০০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক বণ্টন নিচে দেখানো হলো—

    বিষয়নম্বর
    বাংলা২৫
    ইংরেজি২৫
    গণিত২৫
    সাধারণ জ্ঞান২৫
    মোট ১০০

    ✍️ প্রিলিমিনারি পরীক্ষাটি হয়ে থাকে MCQ পদ্ধতিতে। 

    👉 পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা এবং প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ১ নম্বর।

    ⚠️ ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। 

    📌 এই পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার জন্য উত্তর দাগানোর সময় নেগেটিভ মার্কিংয়ের বিষয়টি অবশ্যই স্মরণে রাখতে হবে। এ কারণেই প্রস্তুতির সময় নিয়মিত পরীক্ষা ও NTRCA model test রুটিন অনুসরণ করা জরুরি।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সিলেবাস

    যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মতো NTRCA syllabus সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে ভালো ফলাফল করা কঠিন। স্কুল পর্যায়, স্কুল পর্যায়-২ এবং কলেজ পর্যায়—এই তিন পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস প্রায় একই।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

    আসুন তাহলে একে একে দেখে নিই— কোন কোন বিষয়ের কী কী টপিক আছে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সিলেবাসে।

    বাংলা সিলেবাস | শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হলে বাংলা অংশে ভালো নম্বর পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত বাংলা অংশ থেকে ২৫ নম্বর প্রশ্ন আসে এবং প্রশ্নগুলো মূলত ভাষা, সাহিত্য ও ব্যাকরণভিত্তিক হয়।

    গুরুত্বপূর্ণ টপিক [১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন]

    • ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার
    • ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ
    • বাগধারা ও বাগবিধি
    • যথার্থ অনুবাদ, সন্ধি বিচ্ছেদ
    • কারক ও বিভক্তি
    • সমাস ও প্রত্যয়
    • সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ
    • বাক্য সংকোচন
    • লিঙ্গ পরিবর্তন
    • সন্ধি বিচ্ছেদ

    যারা NTRCA preliminary exam preparation নিচ্ছেন, তারা নিয়মিত শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান অনুশীলন এবং পরীক্ষাভিত্তিক প্রস্তুতি রুটিন অনুসরণ করলে এই অংশে ভালো স্কোর করতে পারবেন।

    🔗 এই লিংকে দেখুন“শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন সমাধান”

    ইংরেজি সিলেবাস | NTRCA English Preparation Strategy 

    NTRCA syllabus অনুযায়ী ইংরেজি অংশ থেকেও মোট ২৫ নম্বর প্রশ্ন থাকে। অনেক পরীক্ষার্থী এই অংশে সমস্যায় পড়েন, তাই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ইংরেজি অংশে নিয়মিত অনুশীলন জরুরি।

    গুরুত্বপূর্ণ টপিক 

    • Sentences
    • Change of Parts of Speech
    • Transformation of sentences
    • Right forms of verb
    • Synonyms & Antonyms
    • Idioms & Phrases
    • Fill in the blanks with appropriate word
    • Translation from Bengali to English

    কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য উপরের টপিকসমূহের সাথে Identify appropriate title from story or article, Errors in composition, appropriate preposition এবং Uses of article টপিকসমূহও পড়তে হবে।

    নিয়মিত পরীক্ষা, মডেল টেস্ট ও জব সল্যুশন প্র্যাকটিস করলে ইংরেজি অংশে ভালো ফল করা সম্ভব।
    এছাড়া ইংরেজি গ্রামারে যাদের দুর্বলতা রয়েছে, তারা বিস্তারিতভাবে পড়াশোনা করার জন্য Live Publications-এর Live MCQ English Wizard Grammar বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।

    গণিত সিলেবাস | NTRCA Math Preparation

    গণিত অংশটি অনেক পরীক্ষার্থীর জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে থাকে। কিন্তু সঠিক কৌশলে প্রস্তুতি নিলে শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতে এই অংশে ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব।

    গুরুত্বপূর্ণ টপিক

    • পাটিগণিত: গড়, একক নিয়ম, লসাগু., গসাগু, সুদ, লাভ-ক্ষতি, শতাংশ ও অনুপাত
    • বীজগণিত: বাস্তব সংখ্যা, জেনারেটর, সূত্র ও বর্গাকার এবং ঘনক, সূত্র ও সূচক, সূচক ও লগারিদমের প্রয়োগসমূহ সমাধান করার জন্য বীজগণিতীয় সূত্রসমূহের গঠন ও প্রয়োগ
    • জ্যামিতি: রেখা, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, কোণ, নিয়ম ও প্রয়োগ, ক্ষেত্রফল ও বৃত্তের সাধারণ ধারণা

    NTRCA গণিত অংশে দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত MCQ practice করা খুবই কার্যকর।

    সাধারণ জ্ঞান | NTRCA General Knowledge Preparation

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে গেলে সাধারণ জ্ঞান অংশটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশে সাধারণত যেসব টপিক থেকে প্রশ্ন আসে তা হলো—

    বাংলাদেশ বিষয়াবলি

    ইতিহাস, ভূগোল ও জলবায়ু, শিক্ষা, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ, রাজনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনীতি, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, বিখ্যাত স্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিভিন্ন সম্পদ (কৃষি, বন, শিল্প, পানি), জাতীয় দিবস ইত্যাদি।

    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, বিভিন্ন দেশের পরিচিতি, মুদ্রা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দুর্যোগ, আন্তর্জাতিক দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, খেলাধুলা ইত্যাদি

    সাম্প্রতিক ঘটনা

    এছাড়া দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন এবং জীববিদ্যা), স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি, তথ্য, সাধারণ রোগ, পরিবেশ বিজ্ঞান ভালোভাবে পড়তে হবে।

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে শুরু করবেন

    যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল লাভ করবার একমাত্র পূর্ব শর্ত হচ্ছে হাতে সময় নিয়ে রুটিন মাফিক ভালোভাবে প্রস্তুতি নেয়া। স্বাভাবিকভাবেই MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হওয়া NTRCA-এর শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষাও এর ব্যতিক্রম নয়। 

    আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক— কীভাবে প্রস্তুতি শুরু করলে ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন তার কিছু কৌশল।

    • আপনি সত্যিই একজন শিক্ষক হয়ে দেশ ও জাতির সেবার মাধ্যমে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতে চান কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিন। কারণ, এই সেক্টরে প্রচুর আয়ের খুব একটা সুযোগ নেই। তবে অনেক অনেক সম্মান ও মানুষের ভালোবাসা পাবেন।
    • সিদ্ধান্ত নেয়া হলে আপনি যে একজন শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হবেনই এই বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন। কোন বাঁধাই আপনার এই প্রতিজ্ঞাকে টলাতে পারবে না— এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনা শুরু করুন।
    • যথাযথভাবে পড়াশোনা করবার জন্য একটা প্ল্যান করে ফেলা খুবই দরকার। কবে কোন বিষয়ের কোন টপিকটা পড়বেন, কতো সময় ধরে পড়বেন তার একটা স্টাডিপ্ল্যান ও পরীক্ষার রুটিন থাকলে পড়াশোনা করাটা বেশ অনেকটা সহজ হবে।
    • প্রশ্নপত্র বিষয়ে পরিস্কার ধারণা থাকা যেকোনো পরীক্ষাতে অংশ নেবার সব থেকে জরুরি পূর্ব শর্ত। তাই জব সল্যুশন বা বিগত পরীক্ষার প্রশ্নসমূহ সমাধান সবার আগে করুন। এতে করে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কোন কোন টপিক থেকে কী ধরনের প্রশ্ন আসে সে বিষয়ে আপনার স্বচ্ছ ধারণা গড়ে উঠবে এবং অনেক প্রশ্ন এই বই থেকেই কমন পাবেন।
    • যখন যেই বিষয়ের যেই টপিকট পড়বেন সেটা খুব মনোযোগ দিয়ে গভীরভাবে পড়ার চেষ্টা করবেন। ওই টপিক সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পড়ে ফেলার চেষ্টা করবেন। যেমন ধরুন, আপনি আন্তর্জাতিক কোন সংস্থা বিষয়ে পড়ছেন। এবার ওই সংস্থার যাবতীয় সব তথ্য যেমন পড়বেন ঠিক তেমনি ভাবে ওই সংস্থার কোন সহযোগী সংস্থা থেকে থাকলে সেটার সকল তথ্যও পড়বার চেষ্টা করবেন।
    • পড়ার সময় শব্দ করে পড়বেন, যেন আপনার নিজের পড়া আপনি নিজেই শুনতে পান। মনে রাখবেন, পড়াশোনাতে পড়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনিভাবে শোনার গুরুত্বও কিন্তু অসীম।
    • প্রতিদিন যা পড়ছেন তা যদি পড়ার পাশাপাশি লিখে শর্ট নোট তৈরি করুন। এটি দ্রুত রিভিশনে কাজে আসবে। 

    শিক্ষক নিবন্ধন বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি – NTRCA Preparation

    এবার তাহলে দেখে নিন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য কী করলে আপনার প্রস্তুতি যথাযথ হবে।

    বাংলা

    বিগত বছরের প্রশ্নসমূহ লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, বাংলা বিভাগে ব্যাকরণ থেকেই বেশি এবং সাহিত্য অংশ থেকে তুলনামূলকভাবে কম প্রশ্ন থাকে। তবে ভালো ফলাফল পেতে হলে দুটি অংশই মনোযোগ দিয়ে চর্চা করতে হবে। ব্যাকরণের সব টপিক গুরুত্ব সহকারে পড়তে হবে। অন্যদিকে, সাহিত্য অংশে ভালো প্রস্তুতি নিতে প্রাচীন ও মধ্যযুগ বিষয়ক জব সল্যুশন প্রশ্ন, আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম, সাহিত্যিকদের বিভিন্ন ছদ্মনাম, উপাধি এবং পত্রিকা ও সাময়িকী সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।

    বাংলা বিষয়ে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে Live MCQ অ্যাপে নিয়মিত পরীক্ষার পাশাপাশি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই ও একটি মানসম্মত ব্যাকরণ বই পড়লে ভালো ফল পাবেন।

    ইংরেজি 

    ইংরেজি বিষয়ে ভালো করতে হলে আপনাকে প্রতিদিনই সিলেবাসে থাকা টপিকসমূহ চর্চা করতে হবে। এর পাশাপাশি ভোকাবুলারি চর্চা বাড়াতে হবে। অর্থাৎ নিয়মিত নতুন নতুন ইংরেজি শব্দ, সেসব শব্দের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, শব্দের ব্যবহার শিখুন।

    কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আলাদাভাবে Identify appropriate title from story or article, Errors in composition, appropriate preposition এবং Uses of article ইত্যাদি টপিকও পড়তে হবে।

    এক্ষেত্রে ৫ম থেকে ১০ শ্রেণির বোর্ড বই থেকে প্রস্তুতি নিলে আপনার জন্য সুবিধা হবে।

    গণিত

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ভালো করতে হলে গণিত বিষয়ে নিয়মিত চর্চা করে গণিতের সমস্যা সমাধানের গতি এবং নিজের আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়িয়ে নেবেন। এক্ষেত্রে ইউটিউবের গণিত বিষয়ক ভালো কিছু চ্যানেলের ভিডিও দেখে কিছু কৌশল শিখতে পারলে বিশেষ উপকার পাবেন।

    অন্যান্য বিষয়ের মতোই গণিত বিষয়েও বিগত বছরসমূহের প্রশ্ন আগে সমাধান করবেন। শতকরা, সুদকষা, লসাগু, গসাগু, লাভ-ক্ষতি, ঐকিক নিয়ম, গড়, সূচক, অনুপাত-সমানুপাত, বাস্তব সংখ্যা, লগারিদম, উৎপাদকে বিশ্লেষণ, বর্গ ও ঘনের মান নির্ণয়, সমীকরণ, পরিমিতি, ত্রিকোণমিতি এবং জ্যামিতির মৌলিক টপিকসমূহ বিশেষ মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

    গণিত চর্চার জন্য ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির গণিত বোর্ড বই আপনার জন্য সহায়ক হবে।

    সাধারণ জ্ঞান

    চূড়ান্ত পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশ থেকে বাংলাদেশ বিষয়ক প্রশ্নের মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, রাষ্ট্রব্যবস্থা, জাতীয় দিবস, অর্থনীতি, ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, শিক্ষা, বিখ্যাত স্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিভিন্ন ধরনের সম্পদ যেমন– কৃষি, শিল্প, বন, পানি– ইত্যাদি টপিক থেকে প্রশ্ন থাকে।

    আন্তর্জাতিক বিষয়ের ক্ষেত্রে সিলেবাসে থাকা সব টপিক থেকেই কম-বেশি প্রশ্ন আসতে দেখা যায়। তাই আন্তর্জাতিক বিষয়ের ক্ষেত্রে কোন টপিককেই আসলে অবহেলা করার কোন জায়গা নেই। তবে আন্তর্জাতিক চলমান বহুল আলোচিত বিষয় এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট দেশ, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির উপর বেশি মনোযোগ দেয়া জরুরি।

    সাধারণ জ্ঞান বিভাগে দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সাধারণ রোগব্যাধি ও তার চিকিৎসা, খাদ্য ও পুষ্টি, আবিষ্কার ও আবিষ্কারক এবং জলবায়ু ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয় থেকেও প্রশ্ন এসে থাকে। এই টপকিসমূহে প্রস্তুতির জন্য বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জব সল্যুশন করলে আপনার প্রস্তুতি যথাযথ হয়ে উঠবে।

    পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির জন্য Live MCQ

    একটা বিষয় মনে রাখবেন, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য যতো বেশি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট দিতে পারবেন ততোই চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য আপনার প্রস্তুতি নিঁখুত হবে।

    আপনার এই প্রস্তুতিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবার জন্য সব সময় প্রস্তুত আছে Live MCQ অ্যাপ। অ্যাপের একোনো একটি প্রিমিয়াম প্যাকেজে NTRCA শিক্ষক নিবন্ধনসহ যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারবেন Live MCQ-এ।

    প্লে-স্টোর বা অ্যাপ-স্টোর থেকে Live MCQ অ্যাপটি ডাউনলোড করবার পর আপনার Gmail অথবা Facebook একাউন্টের মাধ্যমে লগ-ইন করুন। তাহলেই Live MCQ অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় পাবেন। এরপর সুবিধাজনক প্যাকেজ নিয়ে ঘরে বসেই NTRCA-এর শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি নিতে পারবেন খুবই সহজে।

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বইয়ের তালিকা

    বাংলা ভাষা

    ৯ম-১০ম শ্রেণির ব্যাকরণ বোর্ড বই

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    বাংলা সাহিত্য

    নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্র বোর্ড বই

    লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী- হুমায়ুন আজাদ

    শীকর গ্রন্থ সমালোচনা- মোহসিনা নাজিলা

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    ইংরেজি

    Cliff’s TOEFL বইয়ের গ্রামার পার্ট

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    Live MCQ English Wizard Grammar – Saleh Ahmed

    Live MCQ English Wizard (Grammar) বইটিতে যা যা থাকছে জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

    এছাড়া সাহিত্য বিষয়ের প্রস্তুতির জন্য পড়ুন Live MCQ English Essence (Literature)

    গণিত

    ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির বোর্ড বই

    Live MCQ প্রদত্ত পিডিএফ

    সাধারণ জ্ঞান

    শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান বিভাগে বাংলাদেশ বিষয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বিজ্ঞান এবং কম্পিউটার বিষয়ক প্রশ্ন এসে থাকে। তাই এসব বিষয়ের জন্য ভালো মানের বই বেছে নিবেন।

    তবে সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য Live MCQ অ্যাপের Daily NewsPicker, Weekly Bulletin এবং Dynamic Info Panel ব্যবহার করলেই হবে।

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ভাইভা পরীক্ষায় ভালো করার উপায় – ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গাইডলাইন

    একজন শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হবার পথে মৌখিক পরীক্ষাও (ভাইভা) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মৌখিক পরীক্ষাতে মোট নম্বর হচ্ছে ২০। এর মধ্যে আপনার একাডেমিক ফলাফলের উপর ভিত্তি করে ১২ নম্বর এবং ভাইভার মাধ্যমে বাকি ৮ নম্বর পাবেন। স্কুল পর্যায়, স্কুল পর্যায়- ২ এবং কলেজ পর্যায়- তিনটি লেভেলেই মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর হচ্ছে ৪০ শতাংশ। 

    চলুন দেখে নিই— ভাইভাতে কৃতকার্য হবার জন্য কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 

    কাগজপত্র

    আবেদন করার সময় আপনি যেসকল তথ্য দেবেন ভাইভাতে দেখানো আপনার কাগজপত্রের সাথে যেন তার কোন অমিল বা ভুল বা মিথ্যা তথ্য না থাকে।

    ভাইভাতে যেসকল কাগজপত্র চাইতে পারে, সেগুলো হলো— 

    1. মৌখিক পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র
    2. শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদের মূল কপি
    3. স্নাতক পর্যায়ের মূল মার্কশিট
    4. সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আবেদনে উল্লেখিত ঐচ্ছিক বিষয়ের জন্য স্নাতক পর্যায়ের এডমিট কার্ড
    5. কোনো প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকলে তার সনদের মূল কপি
    6. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
    7. এছাড়া কর্তৃপক্ষের চাওয়া যেকোনো সনদের মূল কপি

    ১৯তম NTRCA ভাইভা বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

    শিক্ষক নিবন্ধন ভাইভায় প্রশ্ন সাধারণত আসে—আপনার ঐচ্ছিক বিষয়, লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস এবং বিষয়ভিত্তিক মৌলিক ধারণা থেকে। তাই বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। 

    এক্ষত্রে স্নাতক পর্যায়ের মূল বিষয়গুলো পুনরায় রিভিশন করুন এবং যে পর্যায়ে শিক্ষক হতে চান, সেই পর্যায়-সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তুর উপর দৃঢ় দখল রাখুন। আপনি যে বিষয় পড়াবেন, সেই বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে ভাইভায় সফল হওয়া কঠিন।

    ভালো ফলাফলের জন্য নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন—

    • নিজের পরিচয়, জেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও অনার্স বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত ধারণা রাখুন—প্রাথমিক প্রশ্ন সাধারণত এখান থেকেই শুরু হয়।
    • বাংলাদেশ বিষয়াবলি ভালোভাবে জানুন: ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, অর্থনীতি, ভৌগোলিক অবস্থান, কৃষি, শিক্ষানীতি, শিক্ষাসংক্রান্ত সূচক, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জাতীয় স্থাপনা।
    • সমসাময়িক রাষ্ট্রীয় অগ্রগতি সম্পর্কে আপডেট থাকুন: চলমান মেগা প্রকল্প, উন্নয়ন সূচক, রূপকল্প-২০৪১, SDG, GDP ইত্যাদি।
    • সাম্প্রতিক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা নিয়মিত অনুসরণ করুন।

    ভাইভার দিন ও ভাইভা চলাকালে করণীয় 

    1. আত্মবিশ্বাসী ও বিনয়ী হতে হবে, তবে ওভার কনফিডেন্ট মনোভাব প্রকাশ করবেন না।
    2. বোর্ড সদস্যরা জ্ঞান যাচাইয়ের পাশাপাশি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং উপস্থাপনা দক্ষতা পর্যবেক্ষণ করেন—স্মার্ট ও প্রফেশনাল থাকুন।
    3. আবেদনে দেয়া মোবাইল ফোনে মেসেজের মাধ্যমে ভাইভার তারিখ ও বোর্ড নম্বর জানানো হবে। ভাইভা শুরুর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বোর্ডের সামনে উপস্থিত হবার চেষ্টা করবেন। 
    4. উপস্থিতির স্বাক্ষর করবার সময় আপনি আবেদন ফরমে যে স্বাক্ষর দিয়েছিলেন হুবহু সেটাই দেবেন।
    5. ভাইভা রুমে প্রবেশের আগে ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করবার সময় শান্ত ও ভদ্রভাবে অপেক্ষা করবেন। ভাইভা শুরু হবার অনেক আগে থেকেই আপনাকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
    6. ভাইবা বোর্ডের মুখোমুখি হবার জন্য আপনার সিরিয়াল আসলে দরজা থেকেই অনুমতি নিয়ে রুমে ঢুকবেন, আত্মবিশ্বাসী পদক্ষেপে এগিয়ে গিয়ে টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে আপনার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সালাম, আদাব ইত্যাদি বলবেন। 
    7. অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত বসবেন না, কোন কারণে বোর্ডের সদস্যরা বসার কথা বলতে দেরি করলে বিনয়ের সাথে বসবার জন্য তাদের অনুমতি চাইবেন, তারা অনুমতি দিলে তারপর বসবেন। বসার পর ভাইবা বোর্ডের সকলের সাথে হাসিমুখে আই কন্ট্রাক্ট করবার চেষ্টা করবেন।
    8. ভাইবা চলাকালীন পুরোটা সময় মুখে স্মিত হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করবেন।
    9. ভাষায় আঞ্চলিকতা পরিহার করতে পারলে ভালো হয়।
    10. যেকোনো প্রশ্ন মন দিয়ে পুরোটা শুনে তারপর খুব সামান্য সময় ভেবে নিয়ে উত্তর দিতে শুরু করবেন। প্রশ্নকর্তার প্রশ্নের মাঝেই কথা বলবেন না। হড়বড় করে কথা বলবেন না।
    11. সব প্রশ্নের উত্তর দিতেই হবে এমন মনোভাব নিয়ে ভুল বা অনুমান নির্ভর কথা বলবেন না। কোন প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা না থাকলে সেটি বিনয়ের সাথে স্বীকার করে নেবেন।
    12. বেশি পাণ্ডিত্য দেখাতে যাবেন না। সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে প্রশ্নের উত্তর দিতে খুব বেশি দেরিও করবেন না। টেনশন ফ্রি থাকার চেষ্টা করবেন।
    13. নিজের রাজনৈতিক দর্শন প্রকাশ করবেন না।
    14. কোনভাবেই ভাইবা বোর্ডে থাকা কারো সাথে তর্কে জড়াবেন না। তারা আপনাকে কোন বিষয়ে ভুল প্রতিপন্ন করলে সেই বিষয়ে আপডেট তথ্যটি আপনার জানা নেই এবং আপনি জেনে নেবেন বলে তাদের কথাই মেনে নেবেন।
    15. ইংরেজিতে প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দেবেন। বাংলায় প্রশ্ন করে ইংরেজিতে উত্তর দিতে বললে সেটিই করবেন, বাংলায় উত্তর দেবার অনুমতি চাইবেন না।
    16. ভাইবা বোর্ডে থাকা একজনের প্রশ্নের উত্তর করবার মাঝেই আরেকজন কোন প্রশ্ন করেলে প্রথমজনের অনুমতি নিয়ে দ্বিতীয়জনের প্রশ্নের উত্তর দেবেন।
    17. কোন প্রশ্ন ঠিক মতো শুনতে না পেলে বিনীতভাবে সেটি জানাবেন।
    18. আপনার একাডেমিক পড়াশোনার রেজাল্ট কোন কারণে ভালো হয়ে না থাকলে সে বিষয়ে একটা গ্রহণযোগ্য কারণ তৈরি করে রাখবেন।
    19. আপনার কোন মুদ্রাদোষ থেকে থাকলে সেই বিষয়ে সচেতন হবার চেষ্টা করুন।
    20. যত পারেন মক বা মডেল ভাইবা দিয়ে প্র্যাকটিস করুন।

    ভাইভা বোর্ড

    সাধারণত তিনজনের বেশি সদস্যের সমন্বয়ে ভাইভা বোর্ড গঠিত হয়। এই সদস্যদের মধ্যে NTRCA চেয়ারম্যানের বোর্ড ছাড়া বাকি সব বোর্ডে উপসচিব বা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এবং NTRCA কর্মকর্তারা থাকেন। এছাড়া একজন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রতিটি বোর্ডে থাকেন।

    চূড়ান্ত ফলাফল

    ভাইভা শেষে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ও সনদ নম্বর যোগ করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। উত্তীর্ণ প্রার্থীরা জাতীয় মেধাতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন এবং NTRCA-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রোল নম্বর দিয়ে মেধাক্রম দেখা যায়। এরপর উত্তীর্ণদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয়, যার মাধ্যমে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক পদে আবেদন করা যায়।

    Live MCQ NTRCA প্রিলিমিনারি জব সল্যুশন (টপিকভিত্তিক) বইটি কেন পড়বেন? 

    বইটির বৈশিষ্ট্য

    • ১ম-৫ম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নসমূহের নমুনা উত্তর।
    • ৬ষ্ঠ-১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন টপিকভিত্তিক অথেনটিক রেফারেন্স থেকে ব্যাখ্যাসহ সমাধান।
    • ১৯তম NTRCA-এর ১০০ নম্বরের আবশ্যিক পার্টের প্রস্তুতির জন্য একটি রিলায়েবল সোর্স।
    • আসন্ন ৮ম NTRCA নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী) বিষয়সমূহের কভারেজ।
    • NTRCA ছাড়াও BCS, Bank, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি চাকরি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি সহায়ক।

    🧠 বইটি কেন অনন্য?

    প্রতিটি টপিকের শেষে রয়েছে ইউনিক QR কোড, যা স্ক্যান করলে Live MCQ অ্যাপে বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট টপিকভিত্তিক ১১,০০০+ MCQ ব্যাখ্যাসহ অনুশীলন ও কুইজে অংশগ্রহণ করার সুযোগ।

    শেষ কথা

    শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সফলতা নির্ভর করে আপনার নিজের প্রস্তুতির উপর। প্রিলি, লিখিত ও ভাইভা—তিন ধাপেই সর্বোচ্চ নম্বর তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। তাই দেরি না করে বাংলাদেশের বৃহৎ অনলাইন এক্সাম প্রিপারেশন প্ল্যাটফর্ম Live MCQ-এ আজই প্রস্তুতি শুরু করুন।

    শুভকামনায়— 

    Live Publications

    FAQs

    প্রশ্ন: শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কী?

    উত্তর: বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা নিম্ন-মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হিসাবে চাকরি করতে চাইলে আপনাকে যে পরীক্ষায় পাশের মাধ্যমে আপনার নাম শিক্ষক হিসাবে তালিকাভুক্ত করতে হবে সেটাই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা।

    আমাদের দেশে এনটিআরসিএ (NTRCA) শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পরিচালনার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য যোগ্য শিক্ষক খুঁজে বের করে।

    প্রশ্ন: শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কত বছর বয়স পর্যন্ত দেওয়া যায়?

    উত্তর: NTRCA কর্তৃক শিক্ষক হিসাবে নিবন্ধিত হবার বয়স সীমা সর্বনিম্ন ২১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর পর্যন্ত।

    প্রশ্ন: নিবন্ধন স্কুল পর্যায় ২/ইবতেদায়ী শিক্ষক কি?

    উত্তর: শিক্ষক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে স্কুল পর্যায়-২ বলতে মাধ্যমিক কারিগরি ও ভোকেশনাল স্কুল, এবতেদায়ী ও ভোকেশনাল মাদ্রাসা, বিএম ইনস্টিটিউট এবং ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটসমূহকে বোঝানো হয়।

    ইবতেদায়ী শিক্ষক বলতে ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসমূহে কর্মরত শিক্ষকদেরকে বোঝানো হয়। ইবতেদায়ী শিক্ষকেরা ছাত্র/ছাত্রীদেরকে পবিত্র কুরআন শরিফ পড়ানো ও মুখস্থ করানোর উপর জোর দিয়ে থাকেন। এছাড়া ইসলামের মৌলিক বিষয়, আরবি, বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল ও সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়েও ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসমূহে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে।

    বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইবতেদায়ী মাদ্রাসাসমূহের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে।

    প্রশ্ন: ইবতেদায়ী শিক্ষকদের বেতন কত?

    উত্তর: ইবতেদায়ী শিক্ষক, মৌলভি ও ক্কারীগণ ১৬তম বেতন গ্রেড এবং ৯৩০০ টাকা বেতন স্কেলে বেতন পেয়ে থাকেন।

    প্রশ্ন: শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পাস মার্ক কত?

    উত্তর: পাস করতে হলে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি ও ২০ নম্বরের ভাইভা– দুই পরীক্ষাতেই আলাদাভাবে অন্তত ৪০% নম্বর পেতে হবে। 

    প্রশ্ন: ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী কবে?

    উত্তর: ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সময়সূচী এখনো প্রকাশ হয়নি, ২০২৬ সালের মার্চের শেষ বা এপ্রিলের শুরুতেই (ঈদুল ফিতরের পর) প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) পরীক্ষা প্রস্তুতির নতুন রুটিন [জেনারেল পার্ট]

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) পরীক্ষা প্রস্তুতির নতুন রুটিন [জেনারেল পার্ট]

    প্রিয় চাকরিপ্রার্থীবৃন্দ,

    আপনারা জানেন, ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতেই হবে বলে জানা গেছে। দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। যারা ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য প্রস্তুতির সার্বিক পরিকল্পনা, পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা এবং নিয়মিত অনুশীলন অত্যন্ত জরুরি।

    বর্তমানে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ে লক্ষাধিক শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে— এবং এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে NTRCA–এর ১৯তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই প্রকাশিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। কিছু প্রক্রিয়াগত বিষয় চূড়ান্ত না হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হলেও প্রস্তুতির জন্য এখনই সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    শিক্ষক নিবন্ধন দেশের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর একটি। অধিকাংশ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হন মূলত দুই কারণে—

    ১. সিলেবাস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাব

    ২. নিয়মিত ও পরীক্ষানির্ভর পড়াশোনার ঘাটতি

    এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষাভিত্তিক, রুটিনকেন্দ্রিক একটি পূর্ণাঙ্গ স্টাডি প্ল্যান চালু করেছে Live MCQ।

    Live MCQ ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতির রুটিনে যা থাকছে

    📝 পরীক্ষার কাঠামো

    ❐ মোট পরীক্ষার সংখ্যা: ৬০টি

    ➝ বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা: ৪৪টি

    ➝ রিভিশন পরীক্ষা: ১১টি

    ➝ সাবজেক্ট ফাইনাল: ৫টি

    ❐ রুটিন চলাকালীন ফুল মডেল টেস্ট: ১৯টি

    # প্রতি মাসের ১০, ২০ ও ৩০ তারিখ NTRCA ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। 

    🎓 স্টাডি সাপোর্ট

    ❐ NTRCA ভিডিয়ো লেকচার: ৩৮টি [Recorded]

    ❐ আর্কাইভের প্রশ্ন: ২২,০০০ (প্রায়) [অথেনটিক রেফারেন্স থেকে ব্যাখ্যাসহ]

    ❐ NTRCA জব সল্যুশন: ৩,৬০০ (প্রায়)

    # এছাড়াও লেকচার PDF ও সহায়ক স্টাডি ম্যাটেরিয়াল সরবরাহ করা হবে। 

    রুটিনের PDF ডাউনলোড করুন

    রুটিন ডাউনলোড করতে—

    Live MCQ অ্যাপ বা ওয়েবসাইট হোমপেজ → PDF Section → ‘রুটিন, সিলেবাস ও কারিকুলাম’ বাটন দেখুন।

    ডাউনলোড করে প্রিন্ট বা সংরক্ষণ করে রাখুন, যাতে দৈনিক প্রস্তুতি পরিকল্পিতভাবে অনুসরণ করা যায়।

     🧪 পরীক্ষা সুবিধা

    • রুটিনের সকল পরীক্ষা OMR ফরম্যাটে দেওয়া যাবে। 
    • Live MCQ–এর যেকোনো পরীক্ষায় একই সুবিধা প্রযোজ্য। 
    • সারাবছর চক্রাকারে লাইভ পরীক্ষা চলমান থাকে। 
    • যেকোনো দিন শুরু করলেও পূর্ণ সিলেবাস সম্পন্ন করা সম্ভব। 

    প্যাকেজ মূল্য

    🔳 নিবন্ধন প্যাকেজ মূল্য

    ⭕️ সকল ক্লাসসহ: ৭৫০/- টাকা

    ⭕️ ক্লাস ছাড়া এক্সাম ব্যাচ: ৪৯৮/- টাকা

    🔋 মেয়াদ: ১ বছর

    ➝ পরবর্তীতে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন বিষয়ভিত্তিক (সাবজেক্টিভ পার্ট) রুটিন দেওয়া হলে তা আলাদা প্যাকেজে অন্তর্ভূক্ত হবে।

    কেন এই রুটিন গুরুত্বপূর্ণ

    NTRCA–এর নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল–কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি— তিন বিভাগেই ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হবে। Live MCQ-এর এই নতুন রুটিনর NTRCA-এর নতুন নম্বর বণ্টন ও সিলেবাস অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। ফলে এতে থাকছে—

    * বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা

    * নির্ধারিত স্টাডি সিকোয়েন্স

    * ভিডিয়ো ক্লাস

    * লেকচার PDF এবং 

    * নিয়মিত মডেল টেস্ট

    — সব মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ, পরীক্ষানির্ভর শিক্ষক নিবন্ধন প্রস্তুতি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

    NTRCA শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন—

    ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা প্রস্তুতি ২০২৬ | সিলেবাস, প্রস্তুতি কৌশল ও ভাইভা টিপস

    শেষ কথা

    প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতা নির্ভর করে ধারাবাহিক অনুশীলন ও নিয়মিত মূল্যায়নের উপর। হাজারো পরীক্ষার্থীর সঙ্গে লাইভ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আজ থেকেই নিজের প্রস্তুতি যাচাই শুরু করুন ঘরে বসেই।

    আমাদের বিশ্বাস, এই স্টাডি প্ল্যান আপনাকে এলোমেলো পড়াশোনা থেকে বের করে এনে কাঠামোবদ্ধ প্রস্তুতিতে সহায়তা করবে।

    নতুন উদ্যমে প্রস্তুতি শুরু হোক!

    শুভকামনায়,

    Live MCQ — Since 2017

  • ৮ম এনটিআরসিএ (NTRCA) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | পদ ১৩,৫৯৯

    ৮ম এনটিআরসিএ (NTRCA) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | পদ ১৩,৫৯৯

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA) কর্তৃক “৮ম এনটিআরসিএ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) পরীক্ষা–২০২৬” আয়োজনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে মোট ১৩,৫৯৯টি নিয়োগ সুপারিশের জন্য (অধিদপ্তরভিত্তিক শূন্য পদ অনুযায়ী) অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে।

    1) Job Circular Overview

    প্রতিষ্ঠানের নাম: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA)
    বিজ্ঞপ্তির ধরন: প্রতিষ্ঠান প্রধান/সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ সুপারিশের জন্য পরীক্ষা (MCQ + মৌখিক)
    মোট শূন্যপদের সংখ্যা (সর্বমোট): ১৩,৫৯৯টি 

    অধিদপ্তরভিত্তিক মোট শূন্যপদ:

    • মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর: ১০,২৭৮টি
    • কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: ১৯০টি
    • মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: ৩,১৩১টি

    আবেদন যোগ্যতা (সংক্ষেপে):
    এই বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট ডিগ্রি/অভিজ্ঞতার তালিকা আলাদা করে দেওয়া নেই। উল্লেখ আছে—তিন অধিদপ্তরের সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা মোতাবেক কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা প্রযোজ্য হবে।

    2) Important Dates

    বিষয়তারিখ/সময়
    আবেদন শুরুর তারিখ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
    আবেদন শেষ তারিখ ও সময়১৯ জানুয়ারি ২০২৬, রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত
    ফি জমাদানের শেষ সময়২০ জানুয়ারি ২০২৬, রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত

    3) Vacancy Details 

    ক) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মোট ১০,২৭৮টি)

    ক্রমপদের নামপ্রতিষ্ঠানশূন্যপদ
    অধ্যক্ষস্নাতক (পাস) কলেজ৫৮৪
    উপাধ্যক্ষস্নাতক (পাস) কলেজ৬২৭
    অধ্যক্ষউচ্চ মাধ্যমিক কলেজ৭৬৮
    প্রধান শিক্ষকমাধ্যমিক বিদ্যালয়৩,১২৩
    সহঃ প্রধান শিক্ষকমাধ্যমিক বিদ্যালয়৩,৮৭২
    প্রধান শিক্ষকনিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়৫০৪

    খ) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (মোট ১৯০টি)

    ক্রমপদের নামপ্রতিষ্ঠানশূন্যপদ
    অধ্যক্ষব্যবসায় ব্যবস্থাপনা১১০
    সুপারভোকেশনাল৮০
    সহঃ সুপারভোকেশনাল৮০

    গ) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর (মোট ৩,১৩১টি)

    ক্রমপদের নামপ্রতিষ্ঠানশূন্যপদ
    অধ্যক্ষকামিল৩৪
    উপাধ্যক্ষকামিল৫৩
    অধ্যক্ষফাজিল২০২
    উপাধ্যক্ষফাজিল৩৪৩
    অধ্যক্ষআলিম২১৯
    উপাধ্যক্ষআলিম৩৭৭
    সুপারদাখিল৮৯৯
    সহঃ সুপারদাখিল১,০০৪

    4) Educational Qualification & Experience

    শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা:
    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী কাম্য যোগ্যতা/অভিজ্ঞতা প্রযোজ্য হবে।

    বয়সসীমা:
    বিজ্ঞপ্তিতে বয়সসীমা আলাদা করে উল্লেখ নেই—অফিসিয়াল বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি/ওয়েবসাইটে যাচাই করুন।


    5) Application Process (Online)

    আবেদন পদ্ধতি: Online
    Official Apply Link: http://ngi.teletalk.com.bd
    বিস্তারিত তথ্য: https://ntrca.gov.bd  এবং http://ngi.teletalk.com.bd 

    Step-by-step (প্রার্থী নির্দেশিকা)

    1. ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে যান
    2. সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরি/পদ নির্বাচন করে আবেদন ফরম পূরণ করুন
    3. ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করুন (পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী)
    4. ফরম সাবমিট করে User ID/Password সংরক্ষণ করুন
    5. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে Teletalk মাধ্যমে ফি পরিশোধ করুন
    6. পরবর্তীতে একই পোর্টাল থেকে প্রবেশপত্র/আপডেট দেখুন

    Common mistake (বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ):

    • শেষ দিনে সার্ভার চাপ থাকলে সাবমিট/পেমেন্ট আটকে যেতে পারে—আগেই আবেদন+পেমেন্ট সম্পন্ন করুন
    • সাবমিট করার পর User ID/Password না রাখলে পরে লগইন/ট্র্যাকিং ঝামেলা হয়
    • ছবি/স্বাক্ষর সাইজ-ফরম্যাট ভুল হলে আবেদন আটকে যেতে পারে—পোর্টালের নির্দেশনা ঠিকভাবে অনুসরণ করুন

    6) Application Fee

    এই প্রদত্ত বিজ্ঞপ্তি পাতায় ফি’র নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ নেই। তবে বলা আছে—আবেদন শেষে ২০ জানুয়ারি ২০২৬ রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত ফি/টাকা জমা দেওয়া যাবে।
    ফি ও পেমেন্ট নির্দেশনা আবেদন ফরম সাবমিট করার পর Teletalk SMS/পোর্টাল নির্দেশনায় দেখা যাবে—সেগুলো অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুযায়ী অনুসরণ করুন।


    7) Official Circular PDF / Image


    8) Important Instructions (Must Read)

    ক) স্বচ্ছতা ও তদবির সংক্রান্ত

    • যে কোনো তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
    • মেধাক্রম ও পদপছন্দক্রম অনুসারে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ পদ্ধতিতে নিয়োগ সুপারিশ করা হবে।

    খ) পরীক্ষার ধরন, নম্বর বণ্টন ও পাশ নম্বর

    • MCQ সময়: ০১ (এক) ঘণ্টা
    • MCQ নম্বর: ৮০
    • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: ১২
    • মৌখিক পরীক্ষা: ০৮
    • মোট: ১০০
    • পাশ নম্বর: ৮০% (আলাদা ভাবে উল্লেখ আছে)

    MCQ প্রশ্ন ও নেগেটিভ মার্কিং:

    • মোট ৮০টি MCQ প্রশ্ন থাকবে
    • প্রতিটি সঠিক উত্তরে ১ নম্বর
    • প্রতিটি ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কাটা হবে
    • MCQ উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে

    গ) পরীক্ষার বিষয়সমূহ

    সাধারণ বিষয়: বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা (আইন/বিধি-প্রবিধি/নীতিমালা/পরিপত্র/আদেশ), আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং অধিদপ্তর অনুযায়ী নির্ধারিত বিষয়।

    অধিদপ্তরভিত্তিক অতিরিক্ত বিষয়:

    • মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর: সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনা
    • কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মৌলিক জ্ঞান
    • মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, আল কুরআন, হাদিস, ফিকহ, আরবি ভাষা ও ইসলামী শিক্ষা

    ঘ) নিয়োগ সুপারিশ প্রক্রিয়া

    MCQ ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম এবং প্রতিষ্ঠান/পদ পছন্দক্রম অনুযায়ী Teletalk Bangladesh Limited-এর তত্ত্বাবধানে সফটওয়্যারের মাধ্যমে শতভাগ অটোমেশন/স্বচ্ছতা পদ্ধতিতে নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

  • শিক্ষক নিবন্ধন ৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি | NTRCA Circuler 2026

    শিক্ষক নিবন্ধন ৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি | NTRCA Circuler 2026

    প্রিয় চাকরি প্রার্থীগণ, আপনারা জানেন ইতোমধ্যে শিক্ষক নিবন্ধন ৭ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বিজ্ঞপ্তিতে ইনডেক্সধারী (এমপিওভুক্ত কর্মরত) শিক্ষকদের আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে NTRCA। অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে আজ শনিবার ১০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে। আবেদন গ্রহণ ও ফি জমা দেওয়া যাবে ১৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।

    ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের আবেদনের নির্দেশনাসমূহ দেখুন

    ৬৭ হাজারের বেশি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজে শূন্য পদের সংখ্যা ২৯ হাজার ৫৭১, মাদ্রাসায় ৩৬ হাজার ৮০৪ এবং কারিগরিতে ৮।
    NTRCA এখন পর্যন্ত ৬টি গণবিজ্ঞপ্তি এবং ১৮টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা বিধিমালা ২০২৫ দেখুন এই ব্লগে

    Live MCQ প্রিমিয়াম প্যাকেজে বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার চলছে!

    → প্রিমিয়াম প্যাকেজে পাচ্ছেন—

    ✔ ৫০তম BCS Routine-এর সব পরীক্ষা

    ✔ বিসিএস, প্রাইমারি, NTRCA, ব্যাংক—সকল বাটনে পরীক্ষা

    ✔ সেন্ট্রাল আর্কাইভে ৬ লাখের বেশি প্রশ্ন

    ✔ ১৮০০+ ভিডিয়ো ক্লাস ও PDF

    ✔ স্মার্টসার্চ, টপিক গুরু, কুইজ মাস্টার, ডাইনামিক প্যানেলসহ সব প্রিমিয়াম ফিচার

    ✔ নতুন ফিচারের Auto-access
    🎉 অফার চলবে: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত!

  • প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন

    প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন

    প্রিয় চাকরি প্রার্থীগণ, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সংক্রান্ত ব্লগে আপনাদের স্বাগতম। আপনারা জানেন যে আজ ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিকাল ৩ টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়। ১ম ও ২য় ধাপের এই পরীক্ষায় প্রায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন প্রার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।

    এক নজরে দেখে নিন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন

    আজ রাত ১২ টায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার মূল প্রশ্নের উপর Live MCQ অ্যাাপে লাইভ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শীঘ্রই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার নির্ভুল ব্যাখ্যা সহ প্রশ্ন সমাধান প্রকাশ করা হবে। আমাদের ওয়েবসাইট এবং অ্যাপে আপনারা এই সমাধান টি পেয়ে যাবেন।

  • বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা বিধিমালা ২০২৫

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা বিধিমালা ২০২৫

    প্রিয় চাকরিপ্রার্থী বন্ধুগণ,
    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা বিধিমালা ২০২৫ নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী এখন থেকে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (NTRCA)।

    গত ৯ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) ২০২৫ NTRCA-এর ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা

    পরীক্ষা পদ্ধতি সংক্রান্ত নির্দেশনা

    নতুন বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ‘নির্বাচনী বা বাছাই পদ্ধতিতে’ অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার বিষয়, ব্যাপ্তি ও নম্বর বণ্টন ঠিক করবে কর্তৃপক্ষ। মোট নম্বরের কমপক্ষে ৪০ শতাংশ পেলেই একজন প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ধরা হবে। পদ ও বিষয়ের ভিত্তিতে শূন্যপদের ১:২ (১ অনুপাত ২) অনুপাতে বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। লিখিত পর্যায় শেষে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। মৌখিক পরীক্ষার মোট নম্বর ২০ এবং এখানেও পাসের জন্য প্রয়োজনীয় নম্বর ৪০ শতাংশ।

    শূন্যপদ সংক্রান্ত নির্দেশনা

    শূন্যপদের চাহিদা নিরূপণ নিয়ে গেজেটে বলা হয়েছে, যোগ্য শিক্ষকের তালিকা তৈরি, নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের লক্ষ্যে এনটিআরসিএ সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান পূর্ববর্তী বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদের চাহিদা এবং পরবর্তী তিন বছরের সম্ভাব্য শূন্যপদের তথ্য অনলাইনে পাঠাবে। এসব তথ্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে বা কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে অবহিত করে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে। অধিদপ্তর যাচাই–বাছাই শেষে তালিকাটি এনটিআরসিএতে পাঠাবে। প্রয়োজনে অধিদপ্তর তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক নিজস্ব ব্যবস্থাপনা চালু করতে পারবে।

    শূন্যপদের চাহিদা নিরূপণের পর এনটিআরসিএ নির্ধারিত সময়ে ও স্থানে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেবে। পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি অন্তত একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এবং কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে নির্ধারিত ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে, অন্যথায় আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

    বয়সসীমা সংক্রান্ত

    আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণে বলা হয়েছে, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখে সরকারের নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে থাকতে হবে আবেদনকারীকে। যে পদে তালিকাভুক্ত হতে ইচ্ছুক, সেই পদের জন্য জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে কোনো প্রার্থী পরীক্ষায় যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

    বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা বিধিমালা ২০২৫ সংক্রান্ত গেজেট

    [dflip id=”51417″][/dflip]

    অন্যান্য নির্দেশনা

    পরীক্ষা আয়োজন, আবেদন গ্রহণ, প্রবেশপত্র বিতরণ, ফলাফল প্রকাশ এবং পদভিত্তিক নিবন্ধন–প্রত্যয়নের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর করার সুযোগও রাখা হয়েছে নতুন বিধিমালায়।

    উল্লেখ্য, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে এনটিআরসিএ নিজস্ব পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাতালিকা তৈরি করে থাকে এবং সেই তালিকার ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ পাঠানো হয়।